মানুষের খাদ্য । manusher khadyo । সপ্তম শ্রেণী । পার্ট ২ । part 2

মানুষের খাদ্য । manusher khadyo 

সপ্তম শ্রেণী । পার্ট ২ 


মানুষের খাদ্য । manusher khadyo । সপ্তম শ্রেণী । পার্ট ২ । part 2





প্রশ্ন ৪৭।এবার নীচে বিভিন্ন শিশুর বা ব্যক্তির ওজন ও উচ্চতা দেওয়া হলো। এর ভিত্তিতে BMI এর মান গণনা করো।তারপর শিক্ষক/শিক্ষিকার সাহায্যে বলার চেষ্টা করো কোন কোন ক্ষেত্রে ভুলত্ব জনিত সমস্যার সম্ভাবনা হতে পারে।
উত্তর। 
ওজন      উচ্চতা             BMI                  স্থুলত্বের                              
(kg)          (m)        (ওজন/উচ্চতা²)      সম্ভাবনা                                           
62            1.57             25.15                  নেই                    
66             1.50            29.33                  আছে                       
কী কী উপসর্গ দেখা যায়
স্বভাবিক
উচ্চরক্তচাপ, হাঁপানি
ওজন        উচ্চতা        BMI               স্থুলত্বের                                     
72              1.59          28.47             আছে                                
64               1.62        24.38               নেই                              
75               1.60        29.29               আছে                              
71               1.58         28.44             আছে                               
72                1.67         25.81             নেউ                             
কী কী উপসর্গ দেখা যায়।
স্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা, ডায়াবেটিস
স্বাভাবিক
উচ্চরক্তচাপ, হাঁপানি
হাঁটুর ব্যথা, হাঁপানি
স্বাভাবিক
প্রাকৃতিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, সংশ্লেষিত খাদ্য
প্রশ্ন ৪৮। আগে দেখে নিই, কোন্‌টা কোথা থেকে পেলে, দরকারে কারও কাছে জিজ্ঞাসা করে নাও।
উত্তর।                                     কোথা থেকে পেলে
আম (বা অন্য ফল) গাছ থেকে, দোকান থেকে কিনে
 জ্যাম বা জেলি                   দোকান থেকে কিনে
কোল্ড ড্রিঙ্কস                       দোকান থেকে কিনে
প্রশ্ন ৪৯।ফলটা যেমনটি গাছে ফলে, তেমনটিই তুমি খাও, আর কী কী তুমি খাও এমন চার-পাঁচটি খাবারের নাম লেখো তো।
উত্তর। পাউরুটি, জ্যাম, জেলি, আচার, অমলেট।
প্রশ্ন ৫০। ভূমি রোজ দুপুরে বা রাতে যা যা খাও, তা যেমনটি গাছে ফলে তেমনটি খাও না, সেই খাবারগুলো কীভাবে বানানো হয়? সেইরকম কয়েকটি খাবারের নাম লেখো।
উত্তর।সেই খাবারগুলো প্রক্রিয়াজাত পদ্ধতিতে বানানো হয়।
যেমন-চাল থেকে ভাত, ডাল থেকে রান্না করা ভাল, আলু থেকে পট্যাটো চিপস্। আম থেকে জ্যাম, জেলি, আচার,কাঁচা পাকা সবজি থেকে রান্না করা শাক সবজি ইত্যাদি।
প্রশ্ন ৫১।জ্যাম আর কোল্ড ড্রিঙ্কস? এসো ভালো করে দেখি, নীচের সারণটি পুরণ করো।
উত্তর।
আকার, স্বাদ, গন্ধ আর রং
গাছে যেমনটি ফলে তেমনটিই কি থাকে?
কী কী দিয়ে তৈরি হয়?(বোতলেল গায়ে লেখা আছে।দেখো)
কোথায় তৈরি হয় রং (এটাও বোতলের গায়ে লেখা আছে দেখো)।
ফল
হ্যাঁ

খাদ্য উপাদান 
গাছে
জাম, জেলি, আচার
না
ফল, Nacl, তেল,জল, চিনি
বাড়িতে, ফ্যাক্টরিতে

ঠাণ্ডা পানীয়
না
ফল, সংরক্ষণ
ফ্যাক্টরিতে
্রশ্ন ৫২। তোমরা প্রতিদিন নানা ধরনের খাদ্য খাও এবার তোমাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নীচের তালিকাটি পূরণ করো। 
উত্তর। খাবারের আকৃতি, স্বাদ গন্ধ ও রং
প্রকৃতি
সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক থেকে
একটু আলাদা
স্বাভাবিক থেকে
একদম আলদা
এর মধ্যে কী জিনিস আছে
খাদ্য উপাদান, প্রোটিন,
খাদ্য উপাদান, Nacl, 
লেবুর রস, চিনি
কৃত্রিম খাদ্য উপাদান, CO2
তেল, সংরক্ষিত পদার্থ,
কৃত্রিম রং
এরকম আরও কয়েকটি খাবারের নাম
মেটে, মাছ, মাংস,ফল
দানাশস্য
আচার, ভাত, চা
এগরোল, চাউমিন,
আইসক্রিম।
প্রশ্ন ৫৩।এসো নিজেরা একটি ছক বানাই,কোন খাবার আমরা কতটা খাব।
উত্তর। রোজ সকালে কী কী খেতে পারি?
রোজ দুপুরে কী কী খেতে পারি ?
রোজ বিকেলে কী কী খেতে পারি?
রোজ রাত্রে কী কী খেতে পারি?
বন্ধুদের সাথে ঘরুতে গিয়ে মাঝে মধ্যে কী কী খেতে পারি?
রোড এড়িয়ে চলতে গেলে কোন খাবার না খাওয়াই উচিত?
টোস্ট, জ্যাম, বিস্কুট, চা, কফি
ভাত, ডাল, সবজি, মাছ/ডিম/মাংস
মুড়ি, চানাচুর, বিস্কুট
রুটি, ডাল, সবজি, দুধ
এগরোল, চাউমিন, ধোসা
চিপস্, ভুজিয়া, তেল মশলা যুক্ত খাবার
প্রশ্ন ৫৪।ভাত, মুড়ি, টিড়ে, লুচি, দই, ঘোল, ছাল, পনির, এগরোল, আলুর চপ এগুলোর কোনগুলো প্রাকৃতিক,প্রক্রিয়াজাত বা কৃত্রিম তা নিজেদের মধ্যে আলোচনা কর।
উত্তর। ভাত-প্রক্রিয়াজাত
চিড়ে-প্রক্রিয়াজাত
মুড়ি-প্রক্রিয়াজাত
আলুর চপ-কৃত্রিম
লুচি-প্রক্রিয়াজাত
ঘোল-প্রক্রিয়াজাত
দুই – প্ৰক্ৰিচালত
ছানা-প্রক্রিয়াজাত
এগরোল- কৃত্রিম
প্রশ্ন ৫৬।নীচের ছবিগুলো থেকে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াজাত ও সংশ্লেষিত খাদ্যগুলো শনাক্ত করো। (পাতা—১৭০, ছবি,মধ্যশিক্ষা পর্যদ)
উত্তর।প্রাকৃতিক
মাছ, মাংস, ডিম,
ফুলকপি, গাজর, বাঁধাকপি
শিম, বেগুন, মুলো
প্রক্রিয়াজাত
চা, কফি, ফলের রস
ভাত, রুটি, চাটনি, দই
সংশ্লেষিত
আইসক্রিম, বার্গার
লজেন্স
জীবনে জলের ভূমিকা
প্রশ্ন ৫৬।জল দিয়ে আমরা কী করি বলোতো? জল অন্যান্য জীবনেরও বা কী কাজে লাগে? (পাতা–১৭১, ছবি মধ্যশিক্ষা পর্ষদ)
উত্তর। 1.রান্না করা
2. করা
3. আগুন নেভানো
4. মাছ বেঁচে থাকার জন্য
5. কৃষিকাজের জন্য
6. নৌকা চলোনোর জন্য।
7. পিপাসা মেটাতে
৪. ব্যাঙের বসবাসের জন্য
9. কাপড় কাচতে
প্রশ্ন ৫৭। বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করে কোটার পরিমাপ কত বলো?
(না জানলে শিক্ষক/ শিক্ষিকার সাহায্য নাও)।
উত্তর। সমুদ্রের জলে 97%, মিষ্টি জালে 3%, পানীয় জল 0.37%।
প্রশ্ন ৫৮। আমরা খাবার তল কোথা থেকে পাই?
উত্তৰ। টিউবওয়েল, টাইমকল, নদী, ঝরনা, হ্রস
প্রশ্ন ৫৯। বলোতো, কুঁয়ো ও টিউবওয়েলের তল আসে কোথা থেকে? ছবিটা দেখে ভেবে বলো। (না পারলে শিক্ষক/শিক্ষিকার সাহায্য নাও)
উত্তর। কুয়ো ও টিউবওয়েলের জন্য আসে মাটির তলা থেকে।
প্রশ্ন ৬০। তোমরা বন্ধুরা কতজন কোন কোন উৎস থেকে জল ব্যবহার করো। ওই জলের রং, গন্ধ আর স্বাদ কেমন আর কী কী কাজে তা ব্যবহার করে লেখো।
উত্তর। 
উৎস                      রং         গন্ধ           স্বাদ        
পুকুর                  ঘোলা       নেই            নেই                                            
নদী                     ঘোলা       নেই            নেই                                            
ঝরনা                  স্বচ্ছ         নেই            নেই                                               
কুয়ো                   স্বচ্ছ         নেই            নেই                                          
টিউবওয়েল         স্বচ্ছ        নেই            নেই                                                 
টাইমকল              স্বচ্ছ                         নেই                                        
নিজেদের পছন্দ    স্বচ্ছ      নেই             নেই                                                  
কতজন ব্যবহার            কী কাজে ব্যবহার করো
৬                                  জামাকাপড় বানাতে
৮                                  জামাকাপড় কাচতে
৮                                রান্না করতে, পানীয় হিসাবে  
৫                                 রান্না করতে, স্নান করতে 
২০                                  পানীয় হিসাবে
৫০                                  পানীয় হিসাবে
২৫                                  পানীয় হিসাবে
প্রশ্ন ৬১।গত কয়েক মাসে তোমাদের করে কী পেটের রোগ আর চামড়ার রোগ হয়েছে, সবাই আলোচনা করে লেখো।
উত্তর। রোগ                       কয়জনের হয়েছে    
পেট খারাপ                                  ৫
পেট ব্যথা                                     ৪
কৃমি                                             ৩
জন্ডিস                                         ১
পাঁচড়া                                          ৫
তারা কোন্ উৎসের জল খায়
পুকুরের জল
কুয়োর ভাল
কুয়োর জল
কুয়োর / পুকুরের জল
পুকুরের জল
৬২। এসো সকলে মিলে আলোচনা করে দেখি, নীচের জিনিসগুলো যায়। তুমি এই কাজে ছবিতে দেওয়া জিনিসগুলো থেকে এক বা একাধিক উপকরণ একেবারে ব্যবহার করতে পারো। এই উপকরণগুলো ব্যবহার করে করেকমভাবে জলকে পরিষ্কার করা যায়?
উত্তর।কী কী উপকরণ ব্যবহার করা যায়
হাঁড়ি, উনুন, কাপড়
ফিল্টার যন্ত্র
হাঁড়ি, হ্যালোজেন ট্যাবলেট
কীভাবে বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল তৈরি করা যায়
জলের উৎস থেকে পাওয়া জল অন্তত ২০ মিনিট ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে কাপড় দিয়ে ছেঁকে নিতে হবে।
এই যন্ত্রের সাহায্যে তাড়াতাড়ি জলকে জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।
জলকে জীবাণুমুক্ত করতে হলে হ্যালোজেন ট্যাবলেট দিয়ে জল শোধন করা যেতে পারে।
প্রশ্ন ৬৩। প্রথমে লেখো তোমার দেহে জল কোথায় কোথায় থাকে?
উত্তর।1. রক্ত 2. ত্বক, 3. পেশি, 4. ফুসফুস, 5. gৎপিণ্ড, 6. অস্থি।
প্রশ্ন ৬৪। তোমার দেহ থেকে জল কীভাবে বেরিয়ে যায়?
উত্তর 1 ঘাম 2. মূত্র, 3. মল, 4. থুতু।
প্রশ্ন ৬৫। আগের পাতার ছক থেকে মানবদেহে জলের পরিমান অনুযায়ী, বিভিন্ন অংশগুলোকে ক্রমানুসারে সাজাও (পাতা-১৭৪, ছবি, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ)
উত্তর। 1. লাল, 2. 3. ৎ (মেটে) 4. বৃক্ক 5. ফুসফুস, 6. পেশি, 7. মস্তিষ্ক 8. হূৎপিণ্ড 9 ত্বক (চামড়া) 10. অস্থি (হাড়)।
প্রশ্ন ৬৬। মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গে জল কীভাবে অবস্থান করে তা নীচে দেওয়া আছে। কোন্ অঙ্গে তা কীভাবে আছে তা নিয়ে পারস্পরিক আলোচার ভিত্তিতে নীচের ছকে লেখার চেষ্টা করো।
শব্দভাণ্ডার : পিচ্ছিল রস ঘাম, অশ্রু, রন্তু, পি, লালা, মূত্র, সেরিব্রাস্পাইনাল তরল।
উত্তর।অঙ্গের নাম
(1) মুখবিবর
(2) যকৃৎ
(3) রক্তনালী/ হৃৎপিণ্ড
(4) মুত্রথলি
(5) চোখ
(6) ভুক
(7) মস্তিষ্ক
(8) অস্থিসন্ধি
জলের প্রকৃতি
লাল
পিন্ড
রক্ত
মূত্র
অশ্রু
ঘাম
সেবিব্রো স্পাইনাল তরল
পিচ্ছল রস
প্রশ্ন ৬৭। এবার একটা একটি করে নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবার চেষ্টা করো। না পারলে শিক্ষক/ শিক্ষিকার সাহায্য নাও। আর সবচেয়ে নীচে জলের কাজগুলো একটা একটা করে দেখো।
1. তোমার পা কেটে গেছে, ডাক্তারবাবু তোমার হাতে ওষুধ ইনজেকশন দিলেন। ওই ওষুধ তোমার কাটা ঘা-এ পৌঁছাবে কীসের মধ্যে দিয়ে?
উত্তর। রক্তের মধ্য দিয়ে ক্ষতস্থানে পৌঁছোবে।
তাহলে এখানে ফলের কাজ কী? উত্তর। জল এখানে পরিবহন মাধ্যম।
2. একটি বড়ো বিস্কুট একবারে চিবিয়ে ফেলো। তোমার মুখের ভেতরটা দেখতো, এখন তেমন, শুকনো না ভিজে? 
উত্তর। শুকনো
দেখেতো, গিলতে পারছ কি? কথা বলতে চেষ্টা করো তো। কথা বলা যদি মুখের ভেতরটা শুকনো লাগে তাহলে তুমি কী করবে? উত্তর। সঙ্গে সঙ্গে জল খাব।
3. খুব গরমে আমরা ঘামি, ঘাম জড়ানো গায়ে বাতাস দিলে কেমন লাগে? উত্তর। ঠাণ্ডা লাগে।
তাহলে এখানে জলের কাজী কী? উত্তর। দেহকে শীতল করে।
4. তোমার চোখে কোন তরল থাকে? চোখে পোকা পড়লে চোখ থেকে কী বোঝায়? কেন বেরোয়? তাহলে এখানে জলের কাজ কী?
উত্তর। চোখে থাকে চোখের জল। চোখে পোকা পড়লে চোখ থেকে জল বেরোয়, জীবাণু ধ্বংস করার জন্যই চোখ থেকে জল বেরোয়। এখানে জলের কাজ হলো জীবাণু নাশ করা।
5. তোমার নিশ্বাস একটা আয়নায় ফেলে দেখো। আয়নার ফেলে দেখো। আয়নায় কীসের দাগ পড়ছে? নিশ্বাসের মধ্যে এই জল কোথা থেকে এল? তাহলে জলের আরকী কাজ আছে?
উত্তর। আয়নায় জলীয় বাষ্পের দাগ পড়ছে। দেহস্থ কোশে খাদ্য জারণের ফলে ফুসফুসের সাহায্যে প্রশ্বাস বায়ুর মধ্যে এই জল এল। এখানে জল শ্বাসবায়ুর আদানপ্রদানের সাহায্য করে।
6. তোমার দুটো হাড়ের জোড়ে জল আছে জেনেছ, ওই ভাল কী কাজ করে?
উত্তর। হাড়ের জোড়ে থাকা জল দুটো হাড়কে ধর্ষণজনিত আঘাত থেকে রক্ষা করে।
7. পেট খারাপ হলে বারবার তল জল বেরিয়ে যায় বা বমি হয়। তখন অনেক দরকারি জিনিস জলে গুলে বেরিয়ে যায়। কাল এখানে কী কাজ করে বলো তো?
উত্তর। এখানে জল খাদ্য উপাদান, খনিজ মৌল ইত্যাদির দ্রাবক রূপে কাজ করে।
৪. খাদ্রগ্রহণের পর মুখ বিবরে খাদ্য হজম করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তাহলে এখানে জলের কাজ কী?
উত্তর। এখানে জল গৃহীত খাদ্যের মধ্যে থাকা রাসায়নিক পদার্থগুলোকে বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে সাহায্য করে।
9. পচনের পর খাদ্যের সারাংশ ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীর বরাবর শোষিত হয়। তাহলে জলের আর কী কাজ আছে?
উত্তর। এক্ষেত্রে জল খাদ্যের সারাংশতে ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীর বরাবর শোষণে সাহায্য করে।
10. খাদ্যের যে অংশ হজম হয় না তা নরম মলরূপে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তাহলে এখানে জল কী ভূমিকা পালন করে?
উত্তর। এখানে জলের ভূমিকা হলো অপ্রাচ্য খাদ্যবস্তুকে শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করা।
11. ম্যালেরিয়া বা নিউমেনিয়ার মতো রোগে প্রবল জ্বল আসে। জল তখন কী কাজ করে?
উত্তর। এক্ষেত্রে জল শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
প্রশ্ন ৬৮।এবার ওপরে ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে জলের ভূমিকা গুলো শিক্ষক/শিক্ষিকার সঙ্গে আলোচনা করে নীচে লেখো।
উত্তর। 1. পরিবহণ-এ সহায়তা করা
2. খাদ্য চিবোতে সহায়তা করা
3. দেহকে শীতল রাখা
4. জীবাণু নাশক হিসাবে কাজ করা 
6. অস্থিসন্ধিকে ঘর্ষণ জনিত আঘাত থেকে রক্ষা করা। 
7. বিক্রিয়ায় প্রাবক ৰূপে কাজ করা
৪. রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সাহায্য করা
9. শোষণে সাহায্য করা
10. অপাচ্য খাদ্যকে দেহ থেকে বার করা
11. দেহের তাপমাত্রা ঠিক মতো বজায় রাখা
্রশ্ন ৭০। 24 ঘণ্টায় কতটা জলপান করে!? তুমি? তোমার বন্ধুরা ? 
উত্তর। তুমি....৪ লি
তোমার বন্ধুরা 1. 3.75 লি 2. 3.4 লি 4.3.75 লি
প্রশ্ন ৭১। তাহলে গরমকালে তুমি আর তোমার বন্ধুরা এক একজন রোজ জল খাও কতটা? মোট কত পরিমাণ জল সারাদিনে দেহ থেকে বেরিয়ে যায়?
উত্তর। প্রায় ৪ লিটার। 4 1/2 লিটার জল সারাদিনে দেহ থেকে বেরিয়ে যায়।
প্রশ্ন ৭২।নীচের তালিকায় বিভিন্ন শিশু/প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির দেহ-ওয়ান দেওয়া হলো। তাদের জনের চাহিদা হিসেব কষে বার করো :
উত্তর। (দেহ ওজনের কেজি প্রতি 50 মিলি ধরে )
দেহের ওজন(কেজি)
1. 20
 2. 30
 3. 40
4. 50
5. 70
 দৈনিক জলের চাহিদা (লি)
1 লিটার
1.5 লিটার
2 লিটার
2.5 লিটার
3.5 লিটার
দৈনিক কত গ্লাস জল পান করা
প্রয়োজন (এক গ্লাস প্রায় 200 মিলি জল ধরে)
5 গ্লাস
7 গ্লাস
10 গ্লাস
12 গ্লাস
17 গ্লাস
প্রশ্ন ৭৩। এবার বলো তো, তোমার দেহ রোজ যতটা জল হারায় তুমি ততটা জল কি পান করো? না হলে কী হতে পারে? 
উত্তর। হ্যাঁ, দেহ যতটা জল হারায় কামরা তার থেকে বেশি অল পান করি। তা না হলে শরীরে জলের ঘটতি বা ডিহাইড্রেশান হতো।
খাদ্য তৈরীতে জল ও আলোর ভূমিকা
প্রশ্ন ৭৪। I. (a) একটি টবের গাছকে যেখানে কোনো আলোই পৌঁছোয় না, এমন অন্ধকার ঘরে বেশ কয়েকদিন (10-15 দিন)
েখে দেওয়া হলো। কয়েকদিন পরে টবের গাছটার কী অবস্থা হতে পারে বলে তোমার মনে হয়?
(b) এমন হওয়ার পেছনে কারণ কী?
(c) ওই কয়েকদিন গাছটাকে যদি নিয়মিত অল দেওয়া হতো তাহলে কি গাছটার পরিণতি অন্যরকম কিছু হতো?
উত্তর। 2. (a) গাছের পাতাগুলো সব শুকিয়ে হলুদবর্ণ হয়ে যাবে।
(b) সূর্যের আলো না পেয়ে টবের গাছটি খাদ্য তৈরি করতে না পারার জন্য পাতার সবুজ অংশ বিবর্ণ হয়ে যাবে।
(c) ওই কয়েকদিন গাছটাকে নিয়মিত জল দেওয়া হলে আরও কয়েকটা দিন বেঁচে থাকত।
প্রশ্ন ৭৬। কিন্তু গাছের ডাল আর আলো কেন প্রয়োজন বলতে পারবে কি? আচ্ছা গাছ থেকে তো আমরা নানারকম খাবার পাই। তাহলে গাছ থাবার পায় কীভাবে বলো তো?
উত্তর। আলো ও জলের মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ নিজের দেহের ক্লোরোফিলের মধ্যে খাদ্য তৈরি করতে পারে। গাছ নিজেদের খাদ্য নিজেরাই মাটি, জল, আলোর মাধ্যমে তৈরি করতে পারে।
প্রশ্ন ৭৭।দেখো তো তোমরা বলতে পারো কিনা? বাড়িতে আর গাছে কীভাবে খাবার তৈরি হয় নীচের ছটকায় লিখতে চেষ্টা করো।
উত্তর। বাড়িতে
1. খাবার তৈরি হয় কোথায়?
উঃ বাড়িতে
2. রান্না করতে কী কী লাগে?
উঃ চাল, ডাল, সবজি, আগুন
3. রান্নার পর কী কী খাবার
তৈরি হয়? উঃ ভাত, ডাল,
গছে
1. যাবার তৈরি হয় কোথায়? উঃ পাতায়।
2. খাবার তৈরি করতে কী কী লাগে?
উঃ সূর্যালোক। সবুজ পাতার ক্লোরোফিল কণা, 
জল, কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
3. খাবার তৈরির সময় কী কী পাওয়া যায়?
উ: শর্করা জাতীয় খাবার, অক্সিজেন, জলু
উদ্ভিদের খাবার তৈরি আর জল :
প্রশ্ন ৭৮। এসো প্রথমেই জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি গাছ কোথা থেকে ভাল পায়?
উত্তর। স্থলজ উদ্ভিদ জল পায় ____। 
জলজ উদ্ভিদ ভাল পায় _____। 
উত্তর। স্থলজ উদ্ভিদ জল পায় মাটি থেকে।
জলজ উদ্ভিদ জল পায় জলাশয় থেকে।
প্রশ্ন ৭৯। কিন্তু এই জলটাকে গাছ কীভাবে নিজের শরীরে নেয়? এই জল, গাছ নিশ্চয়ই কোনোভাবে নিজেদের দেহে শুষে নেয়। কীভাবে জানো কি?
উদ্ভব। মাটির নীচে থাকা মুলের বা শিকড়ের সাহায্যে মাটিতে থাকা জল গাছ শুষে নেয় কি। 
প্রশ্ন ৮০। মাটির নীচে কোন অংশটা দিয়ে গাছ জল টানে?
উত্তর। সালজ উদ্ভিদ তার মূল বা শিকড়ের সাহায্যে মাটির কণার গায়ে লেগে থাকা জল শুষে নেয়। আর জলজ উদ্ভিদ তার জলে ডুবে থাকা সমস্ত অংশ নিয়ে এল শেষণ করে নেয়।
প্রশ্ন ৮১। ওই অঙ্গটা কি কোনোভাবে মাটি থেকে জল শুষে নিতে সাহায্য করে? আর আলো? গাছেরা সেটা কোথা
থেকে পায় নিশ্চয় তোমাদের আলাদা করে বলে দিতে হবে না। লিখে ফেলো দেখি-
উত্তর। শিকড় দিয়ে মাটি থেকে জল শুষে নেয় গাছ। কোনো কোনো লজ উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নেয়। আর সূর্যলোক থেকেই গাছেরা আলো পায়।
উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে জলের ভূমিকা
প্রশ্ন ৮২। উদ্ভিদের খাবার তৈরি করার প্রক্রিয়া কেমন? এতে চালের ভূমিকা কী?
উত্তর। মূল বা দেহের অন্যান্য অংশ দিয়ে
শোষণ করা ঝাল এই পাতায় পৌঁছে দেয়। গাছের খাবার তৈরি হয় পাতায় বা অন্যান্য সবুজ অংশে। সবুজ উদ্ভিদ তার ক্লোরোফিলযুক্ত করায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে, জল ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপাদন করে। এজন্য পাতাকে গাছের রান্নাঘর বলে।আর এগুলো সম্ভব হয় মাটি থেকে শোষণ করা ফলের জন্য।
মানুষের খাদ্য
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর
● অতিসংক্ষিপ্ত
খাদ্য উপাদান
১. জীবদেহে শক্তির উৎস কী?
উঃ জীবনেহে শক্তির উৎস হল খাদ্য।
২. যে খাদ্য অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়ে উচ্চ শক্তি প্রদান করে তাকে কী বলে?
উঃ কালোরিজেনিক খাদ্য
৩. যে পরিপোষক শক্তি উপাদানে অংশ নেয়, তাকে কী বলে?
উঃ যে পরিপোষক শক্তি উৎপাদনে অংশ নেয়, তাকে খাদ্য বলে।
৪. একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক কত শক্তির প্রয়োজন হয়?
উ: দৈনিক 2500-3000 কিলোক্যালোরি শক্তির প্রয়োজন হয়।
৫. দুধকে সুষম খাদ্য বলা হয় না কেন?
উত্তর। দুধে Vitamin C ও লৌহ খুব কম পরিমাণে থাকে।
কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা
৬. শর্করায় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের অনুপাত কত?
উঃ অনুপাত 2:11
৭. কার্বোহাইড্রেটের সাধারণ সংকেত কী?
উঃ সাধারণ সংকেত Cn (H2O)n |
৮. প্রোটিন বাঁচোয়া খাদ্য কী?
উঃ কার্বোহাইড্রেট।
৯. ডাইস্যাকারাইড শর্করার উৎস কী?
উঃ চিনি, গুড়, মিছরি ইত্যাদি।
১৭. আখের রস কোন শর্করা পাওয়া যায়?
উঃ সুক্রোজ শর্করা।

মন্তব্যসমূহ