ষষ্ঠ অধ্যায়
পরিবেশের সজীব উপাদানের গঠনগত
Class seven life science question answer । সপ্তম শ্রেণী জীবন বিজ্ঞান এর অধ্যায় 6 । পরিবেশের সজীব উপাদান এর গঠনগত বৈচিত্র্য ও কার্যগত প্রক্রিয়া
4. আনা মূলটি কত গভীরে ছিল? উঃ 3 সেমি।
5. গাছটি কোন্ অংশ দিয়ে মাটি আঁকড়ে ছিল?
উ: স্থায়ী অঞ্চল থেকে যে মূল বেরিয়েছে সেই মূল দিয়েই গাছটি মাটিতে আটকে দিল,
6. এ থেকে মূলের কাজ নিম্নরূপ :
উ: (I) মূল গাছকে মাটির সঙ্গে দৃঢ়ভাবে আটকে রাখে।
7. মূলটি তোলার সময় শুকনো না ভিজে ছিল?
উত্তর। ভিজে ছিল।
8. গাছের গোড়ায় মাটিতে জল ঢাললে সেটি কোথায় কোথায় যেতে পারে?
উঃ মাটির গভীরে চলে যেতে পারে।
9. টবের গাছের গোড়ায় জল না দিলে গাছটি কী কী পরিবর্তন হয়?
উ: (i) গাছটি শুকিয়ে যাবে।
(ii) গৃছটি নেতিয়ে পড়বে।
(iii) অবশেষে গাছটি শুকিয়ে যাবে।
10. এর কারণ কী?
উঃ মাটিতে জল না থাকায় উদ্ভিদ মাটি থেকে খনিজ লবণ শোষণ করতে পারছে না। কেননা উদ্ভিদ মূলের সাহায্যে মাটি থেকে জল ও খনিজ লবণ শোষণ করতে পারে। এবং উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির অন্যতম প্রধান কাঁচামালই হল জল। সুতরাং জলের অভাবে খাদ্য তৈরি করতে পরছে না। এজন্যই উদ্ভিদটি ধীরে ধীরে মারা যাচ্ছে।
11. এর থেকে মূলের যে কাজ আছে তা লেখো।
উ: (i) উদ্ভিদ মূল দিয়ে জল ও কাল দ্রবীভূত খনিজ লবণ শেষণ করে থাকে।
12. মূলে অর অন্যান্য কাজগুলি নিম্নরূপ :
উ: (i) অনেক উদ্ভিদ মূলে খাদ্য সঞ্চার করে রাখে।
বৈশিষ্ট
মূলগুলো এক জায়গা থেকে গোছায় বেরিয়েছে নাকি মূলের পাশ থেকে অনেক মূল বেরিয়েছে মাটির উপরে ছড়িয়ে থাকে না মাটির ভিতরে ঢুকে যায়।
ডাঁশশাক ইত্যাদি মূল
মূলের পাশ থেকে অনেক মূল বেরিয়েছে এবং মুলগুলি নাটির ভিতরে ঢুকে গেছে।
ঘাস বা ধানের মূল
মূলগুলি এক জায়গা থেকে গোছায় বেরিয়েছে এবং মুলগুলি মাটির উপরে ছড়িয়ে রয়েছে।
ক্রমিক সংখ্যা মূলের নাম কী ধরনের মূল
1 নয়নতারা স্থানিক
2 সন্ধ্যামালতি স্থানিক
3 ধান অস্থানিক
4 আম স্থানিক
5 দুর্বাঘাস অস্থানিক
6 কচুরিপানা অস্থানিক
1. পুকুর বা নদীর গাছ লাগানো, কেন বলতে পারো?
উঃ পুকুর বা নদীর পাড় খাতে ধসে না যায় তার জন্য পুকুর বা নদীর পাড়ে গাছ লাগানো হয়।
2. গাছ না লাগানো, না বাঁধানো পুকুর পাড় ভেঙে যায় কেন?
উঃ গাছ লাগানো শিকড় মাটিকে গূঢ়ভাবে আঁকড়ে রাখে যারা জন্য পুকুর বা নদীর পাড়ে ভাঙে না কিন্তু গাছ না লাগালে মাটি যথেষ্ট আলগা থাকে সেজন্য গাছ না লাগানো, না বাঁধানো পুকুর পাড় ভেঙে যায়।
3. গাছ লাগনোর একরকম আর কোন কোন উদাহরণ তুমি জানো?
উঃ (a) বাঁশ গাছ, (b) সিথিজ, (c) অর্জুন।
4. এরকম কোন্ কোন্ গাছ লাগানো যেতে পারে?
উ: (a) শাল, (b) ইউক্যালিপটাস, (c) নিমগাছ।
5. বন্যাপ্রবণ ও ক্যাপ্রবণ অঞ্চলে নদীর ধার বরাবর এ পাহাড়ের ঢালে কোন কোন গাছ লাগানো দরকার?
উঃ বন্যাপ্রবণ ও ঝঞ্ঝাপ্রবণ অঞ্চলে নদীর ধার বরাবর ইউক্যালিপটাস, অর্জুন, আকাশমনি গাছ লাগানো দরকার এবং পাহাড়ের ঢালে বনাড, পাইন, গাছ লাগানো যেতে পারে।
6. মরুভূমির বিস্তার কীভাবে রোধ করা যেতে পারে?
উঃ বৃক্ষরোপণ করে 'মরুভূমির বিস্তার রোধ করা যেতে পারে।
7. কোন্ কোন্ গাছের মানুষ খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে? এগুলি বাজারে কখন মেলে?
উঃ মূলো, গাজর ও বীট গাছের মূলকে মানুষ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে এগুলি সাধারণত শীতকালে বেশি পাওয়া যায়।
৪. অন্য কোন প্রাণী গাছের মূল জোগায়?
উ: বেজি, ইদুর, ইত্যাদি প্রাণী।
9. কোন কোন গাছের মূল থেকে আমরা ওষুধ পাই? কোন্ কোন্ রোগে ব্যাহত হয়?
(a) সরপগন্ধ , (b) বলেতোনা।
উঃ সর্বগন্ধার মূল উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে কাজে লাগে। বেলেডোনা গাছের মূল থেকে হাঁপানির ঔষধ তৈরি হয়।
10. কোন্ কোন্ বীজ অন্য গাছের মূলে বসবাস করে?
(a) (b)
উ: (a) অ্যাজ়েটো ব্যাক্টর।
(b) অ্যাডেটো ব্যাক্টর।
11. এতে আমাদের কী সুবিধা?
উ: (i) মাটিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বাড়ে।
(ii) ফলন বৃদ্ধি পায়।
1. গাছটির বড়ো ডালগুলি গাছটার কোন অংশের সঙ্গে যুক্ত থাকে?
উঃ কান্ডের সাথে।
2. এর গায়ে যেখানে ডালগুলি যুক্ত সেখনটা কেমন দেখতে? (রং, দাগ, উঁচু বা নীচু জায়গা) ইত্যাদি।
উঃ সবুজ, একটু উঁচু পট আছে।
3. এরকম দুই জায়গার মাঝখানটি কেমন দেখতে? তার নাম কী?
উঃ সরু,এর নাম পর্বমধ্য।
4. পাতা, ফুল, ফল ইত্যাদির সঙ্গে গাছের কোথায় যোগ আছে?
উঃ পত্রমূল এবং কক্ষের যোগ আছে।
5. পাতা আর কাণ্ডের মধ্যে কীরকম জ্যামিতিক আকার তৈরি হয়?
উঃ কোণ।
তাহলে গাছের মাটির উপর নিন্মলিখিত অংশের নাম জানালাম।
উঃ 1.পাতা, 2. কাল্ড, 3, ফুল, 4. ফল, 5. পর্ব, পর্বমধ্য।
আমগাছ, ভূট্টাপাছ, ধানগাছ।
1. কোন গাছটি কতটা উঁচু?
উঃ আমগাছ-90-40 ফুট
ভুট্টা গাছ–7–10 ফুট
ধানগাছ 3-4 ফুট
2. কোন গাছ বাতাসে বেশি হেলে পড়ে?
উঃ ধানগাছ বাতাসে বেশি হেলে পড়ে।
3. কোন গাছের কাণ্ড আর ডাল বেশি শক্ত আর শুকনো?
উঃ আমগাছের।
4. কোন গাছের ডালপালা মাটির কত উপর থেকে বেরোয়?
উ: আমগাছের ডালাপালা মাটির 7-10 ফুট উপর থেকে বেরোয়।
5. কতদিন নাঁচে?
উ: (i) আমগাছ – 100-150 বছর।
(1) ভুইগাছ-100-1 বছর।
(iii) ধানগাছ-6 মাস।
আমার দেখা নিম্নলিখিত গাছগুলি মাটিতে দাঁড়াতে পারে না-
উঃ 1. লডি 2. কুমড়ো 3. মটর 4. পুই 5 বড়বটি।
1. কাণ্ডের পট থেকে মূল তৈরি হয়ে প্রবেশ করে কিনা?
উঃ হ্যাঁ, ঘাম জাতীয় উদ্ভিদের কান্ডের পূর্ব থেকে মূল বার হয়ে মাটিতে প্রবেশ করে।
2. কান্ডটা মাটিতে শুয়ে থাকে, অথবা শক্ত কিনা বেয়ে উপরে ওঠে কিনা?
উঃ কুমড়ো বা লাউ গাছের কান্ড শুয়ে থাকা অথবা কোনো অবলম্বনকে পেলে তাকে জড়িয়ে পরে উপরে ওঠে।
গাছের নাম তাদের নাম
1. লাউ গাছ (a) কাণ্ডের পর্ব থেকে বেরোনো মূল
2. মটর গাছ (b) ডাল থেকে বেরোনো আকশি
3. অপরাজিতা (c) পাতা থেকে তৈরি হওয়া আঁকশি
4. কুমড়ো গাছ (d) কান্ড
উ: 1 a, 2 c, 3 d, 4 c. ১
চেনা জিনিষ কাণ্ড কাণ্ডময় আকৃতি কেমন
ডাঁটাশাক ✓ X সরু লম্বা
বাঁধাকপি ✓ X গোল
সজনে ডাঁটা X ✓ সরু
আলু ✓ X গোল
কচু ✓ X গোল বা লম্বা বড়ো
•গাছ তার পাতায় খাবার বানায়। তার জলটা তোলে মূল দিয়ে। সেই জলটা কোন পথে পাতায় পৌঁছায়?
উঃ জাইলেম বলার মাধ্যমে।
• পাতায় তৈরি খাবারটা নীচমহলে পৌঁছোয়ই বা কোন পথে?
উঃ ফ্লোয়েম কলার মাধ্যমে।
● গাছের বাড়তি খাবারটা গাছ কোথায় জমা রাখে?
উত্তর। ফলে
Class seven life science question answer । সপ্তম শ্রেণী জীবন বিজ্ঞান এর অধ্যায় 6 । পরিবেশের সজীব উপাদান এর গঠনগত বৈচিত্র ও কার্যগত প্রক্রিয়া
● গাছ চারপাশের ডালাপালাগুলোকে মেলে ধরে, পাতাগুলোকে রোদে মেলে রাখে। গাছের কোন্ অংশটি ডাল,পাতা, ফুল আর ফল ধরে রাখে?
উঃ কান্ড।
• তৃণভোজী পশুরা গাছটা খেলে এলে, কোন্ অংশটা দিয়ে গাছ নিজেকে বাঁচায়?
উঃ কাঁটা দিয়ে।
• চড়া রোদে ফসল মাটি থেকে কাঠি করে তোল জল, পাতা থেকে বাষ্প হয়ে যেতে থাকে। তখন গাছের কোন অংশটি তা ঠেকায়?
উ: পত্ররন্দ্র বন্ধ করে।
● বাঁশ গাছ, কলাগাছ, পম গাছ ফুল না ফুটিয়ে, বীজ না তৈরি করেও পৃথিবীতে কীভাবে তাদের অংশধরকে রেখে যায়?
উঃ অঙ্গজ জনন প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তারের মাধ্যমে।
● পুঁইশাক, লাউশাক এরা পতা ছাড়াও আর কোন অঙ্গের সাহায্যে খাদ্য তৈরি করতে পারে?
উ: কাণ্ডের সাহায্যে, কারণ কাপ্ত সহজ ক্লোরোফিলযুক্ত।
● আমরা গাছের কাণ্ড কোন্ কোন্ কাজের কথা জানালাম? নীচে লিখি।
1. গাছ ধরে রাখে, 2. খাবার পরিবরণ, 3. সবুজ কাপ্ত খাদ্য তৈরি, 4. ডালপালাকে ধরে রাখে, 5. শাখাপ্রশাখার বিস্তার, 6. মাটির সঙ্গে মূল দ্বারা আঁকড়ে থাকে, 7. কাও অংশ জ্বালানি, ৪. বিটপের প্রধান ধারক।
●আমাদের সারাদিনে গাছের কাণ্ড কোন্ কোন্ কাজ প্রয়োজন হয়?
1. তোমার বাড়িতে কোন কোন কাজে কাঠ লেগেছে?
উ: জ্বালানি, বাড়ির জানালা দরজা, আসবাবপত্র নির্মাণে।
2. তুমি যে কাগজে লেখো, তা কী থেকে তৈরি?
উঃ ঘাস, ধান থেকে।
3. বালো তো কোন্ কোন্ যান তৈরিতে কাঠ ব্যবহার হয়?
উঃ লাড়ির বাড়ি, বাঁশের পাটাতন, ছোটো গাড়ির বডি।
4. তোমার বাড়িতে রান্না করতে গাছ কী কী ভাবে কাজে লাগাতে পার ?
উ: জ্বালানি, শাক- সবজি মশলাতে।
5. কোন কোন গাছের কাণ্ড তুমি খাবার হিসেবে খাও?
উ: আলু, আদা, কচু প্রভৃতি গাছের।
6. তোমার পোশাক, চটের বস্তুা কী থাকে তৈরি!
উঃ রেশম, পাট ইত্যাদি থেকে।
7. গাছের কী কী অংশ আঠা, মশা তাড়ানোর ধুলো, সাইকেলের টায়ার আর কাঠের পালিশ তৈরিতে কাজে লাগাতে পারে?
উঃ রেচন অংশ
8. দু-একটা ওষুধের নাম লেখো যা গাছের কান্ড থেকে পাওয়া যায়?
উঃ কুনাইন, রেহসারপিন, সিঙ্কোনা।
• আর পরিবেশকেই বা গাছের কাণ্ড কী ভূমিকা নেয়-
1. রাতে পাখি, কাঠবেড়ালি, বাদুড়, বানর এরা সব কোথায় আশ্রয় নেয়
উ: গাছে
2. গাছে থেকে এমন কয়েকটি পোকামাকড়ের নাম লেখো।
উঃ শুয়োপোকা, উই, উসকেড়া।
3. তোমার দরকারি অক্সিজেন কে বাতাস ছেড়ে দেয়? আর তোমার ছেড়ে দেওয়া কার্বন ডাইঅক্সাইড কে টেনে নেয়?
উঃ গাছ অক্সিজেন ছেড়ে দেয়, কার্বন ডাইঅক্সাড়ি টেনে নেয়।
4. গরমকালে গাছের নীচে দাঁড়ালে ঠাণ্ডা বোধ হয় কেন?
উঃ বাষ্পমোচন করে বলে।
5. গাড়ির বিষাক্ত ধোঁয়া টেনে নিয়ে বাতাসকে নির্মল রাখে কে?
উঃ সবুজ উদ্ভিদ অর্থাৎ গাছ।
6. জানো কি গাছের গুড়ি দেখে পরিবেশ দুখিত কিনা কীভাবে বুঝবে?
উঃ গুড়ির উপরের টানা দেখে
7. জানো কি গাছের গুঁড়ি দেখে গাছের বয়স বলা যায় কীভাবে?
উঃ গুড়িতে চাকর মতো সার অংশের দাগ দেখে।
পাতা
তোমরা স্কুলে যাওয়ার পথে যেসব পাতা দেখো, তার কয়েকটি ছবি নীচে দেওয়া আছে।
কোন্টা কোন্ গাছের পাতা তার নাম লেখো :
1. কলাপতা 2. বাঁশপাতা, 3. জামপাতা, 4 পদ্মপাতা 5. ছাতিম পাতা
এবার তুমি পাতাগুলো সংগ্রহ করে পাতাগুলোর চওড়া প্রসারিত অংশের আকারগুলো বোঝার চেষ্টা করো এবং নীচে তার ছবি আঁকো।
কাণ্ডের পর্বের সঙ্গে যুক্ত থাকে?
1. জবাগাছের পাতার পর্বের সাথে কাণ্ড, 2. আকন্দগাছের পাতায় পত্রমূলে, 3. শালুকগাছের পাতায় মাঝখানে পাতার যে গঠনটি পত্রবৃত্তের কাণ্ডের পর্বের সঙ্গে যুক্ত করে তার নাম হল পত্রমূল (Leaf base)।
জাম পাতার ছবিতে পাতার বিভিন্ন গঠনগত অংশ চিহ্নিত করো।
পাড়ার বিভিন্ন অংশ কী কী কাজ করে? নীচের সারণির বামদিকের সঙ্গে ডানদিকের স্তম্ভের সাদৃশ্য বিধান করো : (একই অংশ একাধিক কাজ করতে পারে)
াতার অংশ কাজ
1. পত্রফলক (a) খাদ্য প্রস্তুত করা
2. পত্রবৃত্ত (b) জল ও খাদ্য পরিববহণ করা।
3. পত্রমূল (c) পত্রফলককে ধরে দেখি।
(d) গ্যাসের আদনপ্রদান করা।
(e) পাতাকে কান্ড বা শাখার সঙ্গে যুক্ত করা।
ওপরের পাতাগুলো খাদ্য তৈরি, বাষ্পমোচন, শ্বাসবায়ুর আদানপ্রদান ছাড়াও অন্যান্য কাজ করে । ছবিগুলো দেখে বলো তো কোন্ পাতা কী কাজ করে? (কোনো কোনো পতা একের বেশি কাজ করতে পারে।)
পাতার অংশ কাজ
1. মটরের পত্রাক (a) বংশবিস্তার করা।
2. পত্রবৃত্ত (b) খাদ্য সঞ্চয় করা।
3. পত্রমূল (c) পতঙ্কের দেহস্থিত নাইট্রোজেন
ঘটিত উপাদান সংগ্রহ করা।
(d) আরোহণে সাহায্য করা
(c) অতিরিক্ত বাষ্পমোচনে বাধা সৃষ্টি করা।
তোমার তারপাশে দেখা এরকম তিনটি করে একক ও যৌগিক পত্রের উদাহরণ দাও।
একক পত্রযুক্ত গাছের নাম
1. আম
2. জাম
3. কাঁঠাল
যৌগিক পত্রযুক্ত গাছের নাম
1. তেঁতুল
2. লেবু
3. শিমুল
• পাতা জীবজগতের কী কী কাজে লাগে? এসো দেখি :
1. গাছের পাতা কোন্ গ্যাস বাতাসে ছাড়ে এবং কোন গ্যাস শোষণ করে?
উ: কার্বন ডাইঅক্সাইড শেষ করে O2 ছাড়ে।
2. মানুষের উপকারী পোকার নাম করে। যারা গাছের পাতাকে খাবার হিসেবে খায়?
উঃ রেশম মথ।
3. এমন কতগুলো অপকারী পোকার নাম করো যারা গাছের পাতাকে খাবার হিসেবে খায়?
ড: মাজরা পোকা।
4. হাতি, হরিণ, গোরু ও ছাগল কোন্ কোন্ গাছের পাতাকে খাবার হিসেবে খায়?
উঃ ঘাসকে।
5. কোন গাছের পাতা শিরা বাড়ির ধুলো-ময়লা পরিষ্কার করতে কাজে লাগে?
উঃ খেজুর গাছের পাতা।
6. কোন্ কোন্ পাতার রস বা নির্যাস আমরা ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করি?
উঃ তুলসী ও বাসক।
7. কোন্ কোন্ গাছের পাতাকে মানুষ জীবিকা অর্জনের জন্য ব্যবহার করে?
উ: কেন্দুপাতায়, শালপাতা।
৪. কোন্ কোন্ গাছের পাতা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
উ: শুকনো কাঁঠালপাতা, আম পাতা।
9. কোন্ কোন্ জীব গাছের পাতায় ডিম পাড়ে?
উ: রেশম মথ, মাজরা পোতা।
10. ঘরের ছাউনি বা দেয়াল তৈরিতে কোন কোন গাছের পাতা ব্যবহার করা হয়?
উঃ হোগলা পাতা।
11. ঘর সাজানোর কাজে কোন কোন গাছের পাতা ব্যবহার করা হয়?
উঃ ঝাউগাছের পাতা।
বছরের কখন তোমার বারবার তেষ্টা পায়। আর কোন সময়ে তেষ্টা পায় খুব কম? -গরমকালে বারবার তেষ্টা পায়। শীতকালে খুব কম তেষ্টা পায়।
● বছরের কোন সময়েই বা তোমার ঘাম হয় খুব বেশি? আর কখন ঘাম হয় খুব কম। গরমকালে ঘাম বেশী হয় এবং শীতকালে ঘাম খুব কম হয়।
● ঘাম তো জলের মতো তরল। তাহলে ঘামের সঙ্গে দেহ থেকে কোন পদার্থটি সবচেয়ে বেশি বেরিয়ে যায়?-- সোডিয়াম লবণ।
● এর ফলে দেহে বালের মোট পরিমাণ কমে যায় না বেড়ে যায়--কামে যায়।
● তাহলে আমাদের জানতে হবে, শরীরে জলের পরিমাণ ঠিক রাখতে হলে আমাদের কী করা দরকার?-প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে জল পান করা দরকার।
● প্রথমে দেখি, দেহে জলের পরিমাণ ঠিক রাখা দরকার কে?-জলের মাধ্যমেই কোষের প্রয়োজনীয় যাবতীয় বিপাকক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তাছাড়া দেহের উৎপন্ন ক্ষতিক্ষারক বিপাকজনিত পদার্থ গুলের মাধ্যমেই দেহের বাইরে বেরিয়ে যায়। এজন্য দেহে তালের পরিমাণ ঠিক রাখা দরকার।
● আমাদের দেহে ভল কী কাজ করে? এসো দেখি। আমাদের দেহে জল প্রোটোপ্লাজমকে সঞ্জীব রাখে। তাছাড়া বিপাকক্রিয়ায় কোনো উৎপন্ন ক্ষতিকারক রেচন পদার্থ জলের মাধ্যমেই দেহ থেকে বেরিয়ে যায়।
তোমার খুব তেষ্টা গেলে শরীরে কীরকম অস্বস্তি হয়?
কীরকম অস্বস্তি হয়।
তার কারণ কী? (মনে রেখো, তোমার গন্তু প্রায় 90 শতাংশে অপ, তোমার পালাও প্রায় তাই আর তোমার দেহের কোশগুলির মধ্যে প্রায় 70 শতাংশ)।
1. ঘাম হয় 2. জলতেষ্টা পায় 3. হাঁপ লাগে 4. কথা বলতে কষ্ট হয়
যখন খুব ঘাম হয়, ঘাম শুকোবার পর তোমার জামায় আর প্যান্টে কীরকম নাগ পড়ে সেটা বীষ্মের দাগ দরকারে শিক্ষক/শিক্ষিতার কাছে জেনে নাও)। --সাদা দাগ পড়ে। এটি লবণের দাগ।
তাহলে ওই সময়ে তোমার সেই থেকে বামের সঙ্গে কী বেরিয়ে যায়? সোডিয়াম লবণ বেরিয়ে যায়।
● তাহলে দেখি, দেহে লবণের পরিমাণ ঠিক রাখা দরকার কেন।-
উঃ- কোষের বিপাকক্রিয়ায় লবণ একটি প্রয়োজনীয় উপাদান ভাই নেহে, ত্বণের পরিমাণ ঠিক রাখা দরকার।
● অনেকক্ষণ হুটোপুটি করে খেললে তোমার শরীরে কীরকম অস্বস্তি হয়?
কীরকম অশ্বস্তি হয়
তার কারণ কী? (মনে রেখো, তোমার দেহে এক শতাংশের সামান্য কম লবণ থাকে।)
1. ঘাম হয় 2. তেষ্টা পায় 3. হাঁপ লাগে 4. কথা বলতে কষ্ট হয়।
ঘামের মাধ্যমে দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয়
দেহে জলের ঘাটতির জন্য
কোষে O2 কম পরিমাণে পেটে যায়
প্রচন্ড ক্যালরি সৃষ্টি হয় বলে কথা বলতে কষ্ট হয় .
● ফুটবল খেলতে গিয়ে ফুটবল খেলোয়াড়দের মাঝে মধ্যে কীসে টান হরে?-- পেশীতে টান ধরে।
● তোমার কখনও ওই রকম হয়েছে কী?-হাঁ হয়েছে?
● তাহলে, দেহে জল আর লবণের অভার হলে আমরা তা পূরণ করি কী উপায়ে? --ভেবে দেখো।-লবণ গোলা হল গ্ৰহণ করে।
● তোমার তৃষ্ণা পেলে বুঝতে হবে, যে তোমার দেহে জলের অভাব হয়েছে। তখন তুমি কী করে?-- জল খেতে হবে।
● তুমি লবণ ছাড়া ভাত খেতে ভালোবাসো? তাহলে সাধারণ লবণওয়ালা খাবার খেলে তোমার দেহে প্রবেশ করে?--না বাসিনা। লবণ প্রবেশ করে।।
● এবার তাহলে বলো, তোমার দেহে জল আর লবণের অভাব কী উপায়ে পুরণ হয়। খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে।
● জলের অভাব পূরণ করতে কী করি: জল গ্রহণ করি।
● লবণের অভাব পূরণ করতে কী করি :–নূনজল ও লবণযুক্ত খাবার গ্রহণ করি।
● কখনও পেট খারাপ হলে, তরল মল আর মূত্রের সঙ্গে অনেক জল দেহ থেকে বেরিয়ে যায়। তখন শরীরে কী কী অস্বস্তি হয়?– শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, দেহে জলের ও লবণের ঘাটতি দেখা দেয়।-
● তাহলে ওই সময়ে কীভাবে দেহের ক্ষতি পুরণ করা সম্ভব?—স্যালাইন জন্য গ্রহণ করে ঐ ঘাটতি পূরণ করা হয়। ওই সময়ে এক বড়ো গ্লাস জলে তিন চামচ চিনি আর এক বড়ে চিমটি লবণ মিশিয়ে নাও। এবার ওই রকম তিন গ্লাস জল সারা দিন ধরে আস্তে আস্তে খেয়ে নাও। তাহলে তোমার পোহডল আর লবণের অভাব পূরণ করা সম্ভব হবে। এইরকম শরণতকে ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন বা ওআরএস বলে।
● আচ্ছা, খুব গরমে অনেকক্ষণ জল না খেয়ে থাকলে, আর খুব ঘামলে, দেহে কীসের অভাব হতে পারে। জল ও লবণের অভাব হতে পারে।
● আগে যেমনটি দেখেছ, দেহে জল আর লবণের খুব অভাব হলে, তীকী অস্বস্তি হয়?– খুবই তেষ্টা পায় ও দেখে খুব দুর্বলতা অনুভব হয়।
তাহলে ওই সময়ে মানুষ অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে; একে বাল সান স্টোক। তাহলে তখন কী করতে হবে। এই অসুস্হ মানুষটিকে শুইয়ে দিয়ে, জামাকাপড় আলগা করে দিতে হবে। তারপর তাকে ঠান্ডা জল খাওয়াতে হবে ও ঠান্ডা জলে গা ধুইয়ে দিতে হবে।
তোমার দেহে যেমন, অন্যা জীবের দেহেও কী জলের ভারসাম্য বজায় রাখা দরকা। অবশ্যই দরকার।
এসো গাছের ক্ষেত্রে জলের ভারসাম্য কীভাবে বজায় থাকে দেখি।— গাছ মাটি থেকে যে অতিরিক্ত জল শোষণ করে সেই অতিরিক্ত জল পত্ররন্ধ্র দিয়ে বার করে দিয়ে দেহে জলের ভারসাম্য বজায় রাখ। তাছাড়া গরমকালে বষ্পমোচন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের দেহ থেকে অনেক বেশি পরিমাণে জল বেরিয়ে যায় তা পূরণ করার জন্য উদ্ভিদ মূলরেখা দিয়ে সেই অতিরিক্ত জল শোষণ করে। সেই জলের ঘাটতি পূরণ করে।
বড়িতে প্লাস্টিকের ব্যাগে মুড়ে রাখা শাকসবজি আর ফুলের প্যাকেটের ভেতরে জলকণা জমে থাকতে দেখেছ তো? ওই কালকণা কোথা থেকে আসে?
উ:-উদ্ভিদের দেহের সবুজ অংশে উপস্থিত পত্ররন্ধ্র ও লে... দিয়ে জল বেরিয়েছে তাই।
করে দেখো ও ছবি আঁকো : তোমার লাগবে দুটো টবে লাগানো ছোটো চারাগাছ, দুটো প্লাস্টিকের প্যাকেট, দু টুকরো সুতো আর দুটো পলিথিন শিট।
একটা গাছওয়ালা টবে জল দেবে আর অন্যটায় ঝল দেবে না। টব দুটোকে পলিথিন শিট দিয়ে মুড়ে দাও। এবার প্লাস্টিকের প্যাকেট আর সুতো দিয়ে দুটো গাছের বিটপ অংশটাকে ঢেকে ফেললো। একটা গাছে জল দাও অন্যায় দিয় না। অবার গাছদুটোকে তিন-চার ঘণ্টা রেখে দাও।
1. তারপর দেখো প্যাকেটের ভেতরে কোন গাছটা থেকে জল বেরিয়ে গেছে?
2. এবার দু দিন বাদে ওই গাছদুটোকে আহার দেখো : দুটো গাছই কি সমান তাজা রয়েছে। না থাকলে গাছ দুটির মধ্যে কি তফাৎ দেখা যাচ্ছে?
3. তফাত থাকলে তার কারণ কী? তাহলে গাহ তার হারানো জল কোথা থেকে তার তীদারে ফেরত পায়?জল দেওয়া গাছ জল না-দেওয়া গাছ।
থেকে জল বেরিয়ে গেছে
জল দেওয়া গাছ: জল না দেওয়া গাছ:
তাহা রয়েছে
নেতিয়ে পড়েছে
ভাল দেওয়া গাছ: জল না দেওয়া গাছ :
জল না দেওয়া গাছ, জলের অভাবে খাদ্য তৈরী করেত পারেনি বা মাটি থেকে খাদ্য নিতে পারেনি। এজন্যই গাছ দুটির মধ্যে তাফাৎ হয়েছে।
● মাছ তো জ্বলেই থাকে। মাছের দোেহ কী হয় দেখি।
তুমি কি কখনও পুকুরের বা নদীর জল আর সমুদ্রের জল পান করেছ। পুকুর বা নদীর জল আর সমুদ্রের জালের মধ্যে স্বাদের কী ফারাক রয়েছে বলো? পুকুরের জল মিষ্টি, সমুদ্রের অল নোনা।
এর পার্থক্যের কারণ কী?
তাহলে ওই দুই রকম জলে থাকা মাছেদের দেহেও কি একইরকমভাবে জল ধরে রাখা হয়? এসো জানার চেষ্টা করি।
একটা করে নদী বা পুকুরের আর সমুদ্রের মাছের নাম লেখো। পুকুরের মাছ-রুই, সমুদ্রের মাছ সার্ডিন।
প্রথমে দেখি, পুকুরের জলে পুকুরের মাছের অবস্থা কেমন হয়, আর সমুদ্রের জলে সমুদ্রের মাছের কী অবস্থা হয়।
করে দেখো : তোমার লাগবে ছয়-সাতটা শুকনো কিশমিশ, দুটো ছোটো গ্লাস, আর চার-পাঁচ চামচ লবণ।
1. গ্লাস দুটোয় জল নাও। একটা গ্লাসের ফলে ওই লবন্ধটা গুলে ফেলো। অন্য গ্লাসটার জলে লবণ দিও না।
2. প্রথমে লবণ না দেওয়া গ্লাসের জলে চারটা শুকনো কিশমিশ ফেলে দাও; চার-পাঁচ ঘণ্টা রেখে দাও।
3. মনে করে বলোতো, কেন এমন পরিবর্তন হয়েছে।–কিশমিশের ভিতর জল ঢোকার জন্য কিশমিশ ফুলে উঠবে।
4. এবার ওই ভেজা কিশমিশগুলোর দুটো নিয়ে লবণপোলা জলের মধ্যে চার পাঁচ ঘণ্টা রেখে দাও।
5. এবার সাধারণ জলে ভেজা কিশমিশগুলোর কী পরিবর্তন হয়েছে?-সাধারণ জলে ভেজা কিশমিশগুলি নিয়ে লবণ জলে দিলে কিশমিশ থেকে জল বেরিয়ে আসবে।
6. কেন আবার এমন পরিবর্তন হয়েছে বলো তো?—কিশমিশ থেকে বেরিয়ে এসেছে।
জেনো রেখো, পুকুরের বা নদীর মাছের দেহে যা লবণ রয়েছে, পুকুর বা নদীর মাছের দেহে যা লবণ রয়েছে, পুকুর বা নদীর জলে লবণ রয়েছে তার চেয়ে কম। তাহলে ওইসব মাছের অবস্থা হয়, সাধারণ জলে ভেজা কিশমিশগুলোর মতো।
● বলো তো, ওইসব মাছের দেহে জলের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে ওইসব মাছেরা কী করে? (তোমার শিক্ষক/শিক্ষিকা তোমায় দরকারে সাহায্য করবেন)।
-মাছেরা নিজেরাই মূত্রত্যাগ ও অত্যন্ত প্রক্রিয়ায় দেহে জলের সাম্যবস্থা বজায় রাখার চেষ্টা করে।
আবার, সমুদ্রের মাছের দেহে লবণ রয়েছে, সমুদ্রের জলে লবণ রয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি। তাহলে ওইসব মাছের অবস্থা হয় লবন জলে ভেজা কিশমিশগুলোর মতো।
● এবার বলো তো, এই সব মাছের দেহেই বা ডালের পরিমাণের কী পরিবর্তন হয়?—এইসব মাছের দেহ থেকে জল বেরিয়ে যাবে।
● তাহলে, নিজের দেহে জলের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে ওইসব মাছেরাই বা কী করে? (তোমার শিক্ষক/ শিক্ষিকা তোমায় দরকারে সাহায্য করবেন।)—নিজের দেহে জলের পরিমাণ ঠিক রাখতে অল্প মূত্র ত্যাগ করে।
এবার তাহলে নীচের ছকটাতে কোন রকমের মাছ কীভাবে নিজের দেহে জলের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখে তা মিলিয়ে দেখাও তো :
● পুকুরের বা নদীর মাছ কী করে:
● সমুদ্রের মাছ কী করে:
1. জল থেকে অনেকটা লবণ টেনে নেয়। 2. একেবারে জল খায় না। 3. অনেকটা জল মূত্রের মাধ্যমে দেহ থেকে বার করে দেয়।
1. অত্যান্ত অল্প মূত্র ত্যাগ করে। 2. দেহ থেকে অনেকটা লবণ বার করে দেয়।
শব্দভাণ্ডার : একেবারে জল খায় না। সারাদিন অনেকটা জল মূত্রের মাধ্যমে দেহ থেকে বার করে দেয়, অত্যন্ত অল্প মূত্রত্যাগ করে; নেই থেকে অনেকটা লবণ বার করে দেয়; জল থেকে অনেকটা লবণ টেনে নেয়।
মন্তব্যসমূহ