চতুর্থ পাঠ
পরিবেশ গঠনে পদার্থের ভূমিকা
পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তর
জীবদেহ গঠনে অজৈব ও জৈব পদার্থের ভূমিকা
(১) তোমার জানা ২টি মৌলের নাম লেখো, যাদের চারটি হল অধাতু ও দুটি হল ধাতু।
উত্তর। অধাতু: অক্সিজেন, কার্বন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন ধাতু: সোডিয়াম, ক্যালশিয়াম
(২) ওপরের তালিকাটি থেকে (তালিকাটি পাঠ্যপুস্তকে দেখো) তুমি এমন তিনটি অধাতর মৌলের নাম লেখা যাদের পরিমাণ পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে মানবদেহে বেশি।
উত্তর। 1. অক্সিজেন, 2. কার্বন 3. নাইট্রোজেন
(৩) আরও দেখতে পাওয়া যাচ্ছে যে মানবদেহের প্রায় 97 শতাংশ হল চারটি মৌলের মিলিত ভর। এরা কী কী বলতে পারো? উত্তর। 1. অক্সিজেন, 2. কার্বন 3. হাইড্রোজেন 4. নাইট্রোজেন
জীবদেহের নানা যৌগ
(৪) পুরুষ এবং মহিলা করে দেহে জলের পরিমাণ বেশি?
উত্তর। পুরুষ (ফ্যাট কম)
(৫) শিশু ও বয়-কার দেহে জলের পরিমাণ বেশি?
উত্তর। শিশু (ফ্যাট কম)
(৬) রোগা ও মোটা-ফার নোেহ জলের পরিমাণ বেশি?
উত্তর। রোগা (ফ্যাট কম)
( উপরিউক্ত তিনটি প্রশ্নের জন্য সূত্র জীবদেহে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকলে জলের পরিমাণ কমে যায় )
(৭) দেহে উৎপন্ন নূষিত পদার্থ জলের মাধ্যমেই দেহ থেকে বেরিয়ে যায়। এক্ষেত্রে জল -এর ভূমিকা পালন করে।
উত্তর। রেচক।
(৮) তিনটি জলজ উদ্ভিদের নাম লেখো।
উত্তর। 1. কচুরিপানা, 2. শ্যাওলা 3. গুল্ম উদ্ভিদ
(৯) তুমি যদি একটা ধানের বীজ পুঁতে দাও, কয়েকদিন পরে কী দেখতে পাবে?
উত্তর। ধানের বীজ থেকে চারা বেরিয়েছে।
(১০) এরকম দুটো প্রাণীর নাম করো যাদের চামড়ার নীচে পুরু লিপিতের স্তর দেখা যায়।
উত্তর 11. Rhinoceros (জলহস্তি) 2. Dolphin (শুশুক)
(১১) তোমার জানা কয়েকটি বিশেষ প্রাণী বা উদ্ভিদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো যা অন্য উদ্ভিদ বা প্রাণীতে দেখা যায় না।
উত্তর। (ক) ম্যানগ্রোভ অরণ্যে জন্মানো উদ্ভিদ : সুন্দরী, গরান, গেওয়া, হেতাল, ঝাউ প্রভৃতি
(খ) রাতের বেলায় শিকার করতে বেরোনো প্রাণী : পেঁচা, বিড়াল, চিতাবাঘ, হায়না, নেকড়ে বাঘ প্রভৃতি।
(গ) শুকনো আর গরম গালে বেড়ে ওঠা উদ্ভিদ : কাঁটা গুল্ম, ক্যাকটাস, খেজুর প্রভৃতি।
সাধারণ অভিজ্ঞতা থেকে আগ্নিক ও ক্ষারীয় দ্রব্য শনাক্তকরণ
(১২) তোমরা ভেবে বলো তো উদ্ভিদের কোন কোন অংশ সারণত আমরা খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করি :-
উত্তর।
উদ্ভিদের দেহের অংশ
(ক) মাটির তলার মূল
(খ) মাটির তলার বা ওপরের কাণ্ড
(গ) ফুল
(ঘ) ফল
কোন গাছের অংশ
–বিট, গাজর, মুলো
– কলা, কচু
–কুমড়ো, বক, ফুলকপি
–আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, পেয়ারা, পেঁপে, কলা,আতা, আনারস, তাল প্রভৃতি
(১৩) তোমরা যেসব ফল খেয়েছ বা সবজি হিসাবে যে সমস্ত গাছের ফল আমরা খাই তাদের স্বাদ কি একরকম?নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে বলাবলি করে লেখো।
উত্তর। পরিচিত ফলের নাম তাদের স্বাদ
পাতিলেবু —টক
পাকা আমা – মিষ্টি
আনারস – নোনতা-মিষ্টি
উচ্ছে/করলা –তেতো
লংকা –ঝাল
অম্লের ধারণা
প্রশ্ন ১৪। শিক্ষক/শিক্ষিকার সাহায্যে তিনটি ছোটো কাচের গ্লাসে কিছুটা করে চিনির জবণ, নুনের দ্রবণ ও ভিনিগার দ্রবণ তৈরি করো। দ্রবণ তিনটের স্বাদ নিয়েতাদের চেনার চেষ্টা করো।
উত্তর।
নমুনা দ্রবণটির স্বাদ নমুনাটি কী বলে মনে হয়
মিষ্টি চিনির দ্রবণ
নোনতা নুনের দ্রবণ
টক ভিনিগারের দ্রবণ
প্রশ্ন ১৫। দলগত কাজ চলো আমরা স্কুলের চার পাশে বা বাড়ির চারপাশে কী কী টক স্বাদের ফলের গাছ দেখা যায়, তার একটা তালিকা বানাইঃ
উত্তর। পতিলেবু গাছ, তেঁতুল গাছ, টোপা কুল গাছ।
হয়। ১৬। আমরা জেনে নিই পরিচিত কিছু জিনিসের মধ্যে কী কী অ্যাসিড আছে (প্রয়োজনে শিক্ষক/শিক্ষিকার সাহায্য নাও) :
উত্তর।
আপেল ম্যালিক আসিড
পাতিলেবু সাইট্রিক ও অ্যাসকরবিক অ্যাসিড
কমললেবু সাইট্রিক ও অ্যাসকরবিক অ্যাসিড
তেঁতুল টারটারিক অ্যাসিড
টম্যাটো অক্সলিক অ্যাসিড
চা ট্যানিক অ্যাসিড
দই ল্যাকটিক অ্যাসিড
ভিনিগার সাইট্রিক অ্যাসিড
সোডাওয়াটার কার্বলিক অ্যাসিড
মিউরিয়েটিক অ্যাসিড হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড
প্রশ্ন ১৭। আমাদের নানা কাজে অ্যাসিড লাগে, এরকম কোনো ক্ষেত্রে অ্যাসিডের ব্যবহার তোমাদের জানা আছে কি? আলোচনা করে লেখো।
উত্তর।
কী জিনিস
পাতিলেবুর রস
দই-এর ল্যাকটিক অ্যাসিড
নিউরিমেটিক আইসিন্ড
কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত
জামাকাপড়ের দাগ তোলার জন্য
নতুন করে দুই পাভবার জন্য
মেঝে, বেসিন, প্যান, বাথরুম পরিষ্কার করতে
প্রশ্ন ১৮। একটা ছোটো কাচের গ্লাসে এক চাষৎ ডিনিগার নিয়ে আধ গ্লাস জলে মেশাও অথবা পাতিলেবুর রস নাও। তার মধ্যে এক চিমটে খাবার সোডা মেশাও। প্রয়োজনে শিক্ষক/শিক্ষিকার সাহায্য নাও। এবার লক্ষ করো কিছু ঘটছে কিনা?
উত্তর।
কী করা হলো
আধ গ্লাস জলে এক চামচ ভিনিগার বা পাতিলেবুর রস দেওয়া হল।
এবার এতে এক চিমটে খাবার সোডা দেওয়া হল
কী দেখা গেল
জলের রং অপরিবর্তিত রইল
জালের রং ঘোলাটে হল।
ক্ষারকের ধারণা
প্রশ্ন ১৯। অন্য একটা ছোটো কাচের গ্লাসে পানীয় জলের মধ্যে শিক্ষক/শিক্ষিকার সহায়তায় ছাত্রছাত্রীরা খাবার সোডার দ্রবণ তৈরি করো। এবার তোমরা আগের নেওয়া ভিনিগার দ্রবণ (বা লেবুর ছেঁকে নেওয়া রস),কিছুটা চুনজল ও এখন তৈরি হওয়া দ্রবণটার স্বাদ নাও। তোমাদের অনুভূতির কথা লেখো।
উত্তর।
কীসের দ্রবণ তার স্বাদ
ভিনিগার প্রবণ টক
খাবার সোডার দ্রবণ ঝাঁঝলো
চুলের জল কষা
প্রশ্ন ২০। চুনের অথবা অন্য কোনো ক্ষারকের ব্যবহার জানা থাকলে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করে লেখো।
উত্তর।
জিনিসের নাম তার ব্যবহার
কলিচুন বা সাধারণ চুন দেয়াল রং করার জন্য
পাথুরে চুন পান খেতে এবং মাছ চাষ করার
আগে পুকুরের জলের অম্লত্ব কমাতে।
প্রশ্ন ২১। তোমাদের দুটো আলাদা কাচের গ্লাসে জবাকূলের পাপড়ির রস নিয়ে, একটার মধ্যে কিছুটা ভিনিগার আর অন্যটায় কিছুটা চুনজল যোগ করে তোমাদের পর্যবেক্ষণ লেখো। (অন্য কিছুও নেওয়া যেতে পারে)
উত্তর।
কী মেশানো হল জবা পাপড়ির রসের রং
আগে কী ছিল পরে কী হল
ভিনিগার লাল গোলাপি
চুনজল লাল সবুজ
২২। কেন এমন হল বলোতো?
উত্তর : ভিনিগার হল অ্যাসিড, সেটা জবা ফুলের পাপতির রসের রংকে খাল থেকে গোলাপি করল। আবার চুনজল হলো ক্ষারক, সেটা আবার জবাফুলের পিড়ির রসকে লাল রং থেকে সবুজ করল। এখানে জবাফুলের পাপড়ির রসের কাজটি হল অ্যাসিড ত সাহায্য করা। তাই এটি নির্দেশক।
প্রশ্ন ২৩। তোমার জানা-চেনা এমন কোনো জিনিস আছে কি, যাদের রং অ্যাসিড বা ক্ষারকে পালটে যায়,এরকম কোনো বিষয় জানা থাকলে বলাবলি করে লেখ।
উত্তর।
কী জিনিস তার নিজের রং
হলুদের জল হলুদ
বিটের রস লাল
কালোজামের রস বেগুনি
অ্যাসিডের কী রং ক্ষারকে কী রং
হলুদ বাদামি
লাল হলুদ
বেগুনি নীল
অ্যাসিড-ক্ষারক বিক্রিয়া
২৪। একটা কাড়ের ছোট গ্লাস (বাকাচনাল) করা পাপড়ির পরীক্ষার মতো ভিনিগার প্রবণ নাও। আর তার মধ্যে আগের তৈরি জবা পাপড়ির কিছুটা দ্রবণ ঢালো। প্রথমে রংটা কেমন হল?
উত্তর। লাল রং থেকে গোলাপি রং হল।
প্রশ্ন ২৫। এরপর এই মিশ্রণে ধীরে ধীরে ফোঁটা ফোঁটা করে খাবার সোডার দ্রবণ (বা চুনজল) যোগ করতে থাকো। দ্রবণের মধ্যে যেখানে ফোঁটাটা পড়ছে ভালো করে সেই জায়গাটা লক্ষ্য করতে থাকো। ধীরে ধীরে দ্রবণের রং-এর পরিবর্তন ঘটছে তা লেখো: -
উদ্ভব। ধীরে ধীরে গোলাপি রং পরিবর্তিত হচ্ছে, হালকা সবুজাভ প্রকাশ পাচ্ছে।
২৬। এরপর ওই সহজ তুরণে আরও কয়েকফোঁটা খাবার সোডা সুবণ মেশাও প্রবণের রং-এর কী পরিবর্তন হল?
উত্তর। না,দ্রবণের রং- এর কোনো পরিবর্তন দেখা গেল না।
প্রশ্ন ২৭। এবার কিছুটা ভিনিগার দূরণ তার মধ্যে মেশাও। একেবারে প্রথম অবস্থার জন্য পাপড়ির দ্রবণ মেশানো দ্রবণের সঙ্গে কোনো মিল পেলে কি?
উত্তর। হ্যাঁ, রং আগের মতো লাল হয়ে গেছে।
প্রশ্ন ২৮। তাহলে খাবার সোডার প্রবণ মেশানোর ফলে ভিনিগার দ্রবণের ধর্ম কি একই থাকল?
উওর।না, দ্রবণের ধর্ম ক্ষারীয় হল।
প্রা ২৯। করে দেখো: (কতকগুলি নির্দেশক যেমন লিটমাস, মোলস্থালিন বা মিথাইল অরেঞ্জ) নিয়ে তাদের মধ্যে বিভিন্ন দ্রবণের রং-এর কেমন পরিবর্তন হয়, সেটা দেখে নীচের সারণিতে লেখো।
উত্তর।
দ্রবণ নীল লিটমাসের
সাবান/ডিটারজেন্ট গোলাপি
জল নীল
লেবুর রস লাল
লালপিটমাসের ফেনলপথালিন জবার রস
নীল গোলাপি গোলাপি
লাল কমলা লাল
সবুজ কমলা গোলাপি
প্রশ্ন ৩০। রোজকার জীবনে তোমাদের বাড়ির চারপাশে এমন কোনো প্রকাশন বিক্রিয়ার উদাহরণ জানা থাকলে নিজেদের মধ্যে বলাবলি করে লেখো।
উত্তর।
কী কাজে প্রয়োগ হয় কী মেশানো হয়
পুকুরের জন্ম চুন
মাটিতে চুন
কেন মেশানো হয়
জলের অতিরিক্ত অম্লতা কমানোর জন্যে।
মটির অতিরিক্ত অম্লত্ব কমানোর জন্যে।
অ্যাসিড-ক্ষারকের তীব্রতা ও তার পরিমাণ সম্বন্ধে ধারণা কর্মপুত্র •
প্রশ্ন ৩১। (a) জীবহে বা জৈব উৎস থেকে পাওয়া যায় এরকম তিনটি অ্যাসিডের নাম লেখো।
উত্তর। ১। হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (মানুষের দেহে) (HCl)
২। ফার্মিক অ্যাসিড (পিঁপড়ের দেহে)
৩। সাইট্রিক আসিড (টক জাতীয় ফলের মধ্যে )
জৈব উৎস থেকে পাওয়া এধরনের অ্যাসিড গুলো তাহলে কী ধরনের অ্যাসিড?
উত্তর। জৈব অ্যাসিড।
(b) জৈব উৎস নয় এমন উৎস থেকে পওয়া অ্যাসিডগুলোকে তাহলে কী ধরনের অ্যাসিড বলা যাবে?
উত্তর। অজৈব অ্যাসিড।
এদের অপর নাম খনিজ অ্যাসিড, এরকম অ্যাসিডের উদাহরণ কী কী হতে পারে?
উত্তর।১। নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) ২।সলফিউরিক অ্যাসিড (H2 SO4)
জলের মধ্যে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড যার সংকেত HCI, তা দিলে কী হয়?
উত্তর। জলীয় দ্রবণে অ্যাসিডটি আয়নিত হয়ে বিশ্লিষ্ট হয়,
HCI → H+ + CI-
অ্যাসিড বিশ্লিষ্ট হয়ে তৈরি হওয়া H+ আয়ন জলের অণুর সঙ্গে জুড়ে গিয়ে দলীয় দ্রবণ-এ H3O+ রূপে থাকে। যাকে হাইড্রক্সোনিয়াম আয়ন বলে।
H+ + H2 O → H3 O+
(c) জলীয় দ্রবণে HCI ভেঙে গিয়ে কী কী আয়ন উৎপন্ন করছে?
উত্তর। H+ এবং CI-
এদের মধ্যে কোন্ আয়নটা হাইড্রোক্লোরিক (HCl) বা অন্য কোনো অ্যাসিডের অ্যাসিড ধর্মের জন্যে দায়ী?
উত্তর। H+ আয়ন।
প্রশ্ন। ৩২। অন্য কয়েকটি অ্যাসিডের সংকেত ও সেগুলো জলীয় দ্রবণে কীভাবে অয়নিত হয় তা দেখলে বিষয়টা স্পষ্ট হয় কিনা দেখো।
উত্তর।
অ্যাসিডের নাম ও সংকেত
ফরাসিত আসিড (HCOOH)
নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3)
সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4)
জলীয় দ্রবণে কীভাবে ভাঙতে পারে
HCOOH →H+ + HCOO-
HNO3 → H+ + NO3-
H2 SO4 → 2H+ + SO4²
বিভিন্ন অ্যাসিড অণুগুলির ভাঙনের বিক্রিয়ার সমীকরণ দেখে বলতে পারো কোন আয়ন সব অ্যাসিড ভেবেই তৈরি হয় ?
উত্তর। H+ আয়ন
প্রশ্ন ৩৩। তাহলে আমরা অ্যাসিড-স্কারের ধর্মের তুলনা করে লিখতে পারি।
উত্তর।
অ্যাসিডের ধর্ম
১. অ্যাসিডের স্বাদ 'টক
২. অ্যাসিড নীল লিটমসকে লাল করে।
৩. অ্যাসিড জলীয় দ্রব H+ উৎপন্ন করে।
ক্ষারের ধর্ম
১. ক্ষারের স্বাদ কষা
২. ক্ষার লাল লিটমাসকে নীল করে।
৩. ক্ষার জলীয় দ্রবণে OH- উৎপন্ন করে
প্রশ্ন ৩৪। নীচের দ্রবণগুলির pH 7, না 7-এর কম, না 7-এর বেশি-কীরকম হতে পারে ? pH কাগজের সাহায্যে পরীক্ষা করে লেখো :
উত্তর। কী দ্রবণ
ভিনিগারের জলীয় প্রবণ
সাবান জল
খাদ্য লবণের জলীয় দ্রবণ
খাবার সোডার জলীয় দ্রবণ
পাতিলেবুর রস
pil -এর মান 7-এর ওপরে না নীচে
<7
> 7
=7
>7
<7
দ্রবণের প্রকৃতি
আম্লিক
ক্ষারীয়
প্রশম
ক্ষারীয়
আম্লিক
মানবদেহের অম্ল-ক্ষরের ভারসাম্য
প্রশ্ন ৩৫। নীচের তালিকায় অ্যাসিডগুলির উপর (✔️) চিহ্ন দাও ।
✔️ ✔️
উত্তর। মিউরেটিক অ্যাসিড, সাবান, লেবুর রস,
✔️ ✔️ ✔️
খাবার জল, দই, খোল, ল্যাকটিক অ্যাসিড, ফুচকার জল,বড়ো ব্যাটারির জল।
প্রশ্ন ৩৬। যেগুলোকে অ্যাসিড বলে জেনেছ, সেগুলো কীভাবে চিনেছ?
উত্তর। শুনে জেনেছি, কিছু কিছুর স্বাদ (টক) গ্রহণ করে জেনেছি, কিছু কিছুর নামের মধ্যেই অ্যাসিড শব্দটি বর্তমান।
প্রশ্ন ৩৭। তাদের মধ্যে কোনো মিল আছে?
উত্তর। এগুলির মধ্যে অ্যাসিডিটি বা অম্লত্ব বর্তমান।
প্রশ্ন ৩৮। সহজে জোগাড় করতে পারো: লেবুর রস, দই, ফুচকার জল, ল্যাকটিক অ্যাসিড।
এবার লিটমাস কাগজগুলোকে ছোটো ছোটো টুকরোয় ছিঁড়ে প্রতিটি জিনিসে একবার একটুকরো নীল লিটমাস কাগজ আর একবার একটুকরো লাল টিলমাস কাগজ ডোবাও। নীচের ছলে লেখ তো, লিটমাস কাগজের রংয়ের কী পরিবর্তন হল? (একটা লিটমাস কাগজ মাত্র একবারই ব্যবহার করবে।)
উত্তর। ক্রম জিনিসটির নাম কী হল
১. লেবুর রস
২. দই
৩. ফুচকার জল
৪. ল্যাকটিক অ্যাসিড
নীল লিটমাসের রং কী হল লাল লিটমাসের
লাল গোলাপি
লাল গোলাপি
লাল গোলাপি
লাল গোলাপি
তাহলে অ্যাসিড চেনার উপায় কী জানলাম লেখো।
উত্তর। নীল লিটমাসকে লাল করে।
প্রশ্ন ৩৯। ক্ষারগুলোকেই বা কী পরীক্ষা করে চিনবে?
উত্তর। ক্ষার গুলোকে লিটমাস পরীক্ষা করে চিনব।
প্রশ্ন ৪০। তাদের মধ্যে মিল কোথায়?
উত্তর। তাদের সকলের মধ্যে বেসিসিটি বা ক্ষারকীয়তা দেখা যাচ্ছে।
প্রশ্ন ৪১। ওপরের তালিকা (পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী) থেকে প্রতিটি জিনিস একবার করে লাল লিটমাস কাগজ আর একবার নীল-লিটমাস কাগজ ডুবিয়ে তোলা। লিটমাস কাগজের রঙে কী পরিবর্তন হলো, নীচের ছকে দেখো।
উত্তর। ক্রম জিনিসটির নাম
১. লেবুর রস
২. সাবান জল
৩. খাবার জল
৪. চুনের জল
৫. খাবার সোডার দ্রবণ
৬. লস্যি
৭. ফুচকার জল
লাল লিটমাসের রং হল নীল লিটমাসের রং কী হল
গোলাপি লাল
নীল সবুজ
লাল (প্রশম) নীল (প্রশম)
নীল সবুজ
নীল সবুজ
গোলাপি লাল
গোলাপি লাল
তাহলে ক্ষারকীয় পদার্থ চেনবার উপায় কী জানলাম?
উত্তর। লাল লিটমাসকে নীল করে।
প্রশ্ন ৪২। এবার তাহলে কয়েকটা জিনিস নিজেরা চেনবার চেষ্টা করে দেখো:
তোমার লাগবে কয়েকটা লাল আর নীল লিটমাস কাগজ, আর চেনবার জন্যে কিছু নমুনা। তারপর প্রতিটি নমুনাকে আগে যেমন করেছ, তেমনভাবে লাল আর নীল লিটমাস কাগজ নিয়ে পরীক্ষা করে নীচের তালিকায় লেখো।
উত্তর। ক্রম জিনিসটির নাম
১. লেবুর সরবত
২. খাবার জল
৩. সাজা পান
৪. কাটা কাঁচা আলুর টুকরো
৫. কাটা টম্যাটো
লাল লিটমাসের রং নীল লিটমাসের রং কী হল
গোলাপি লাল
লাল (প্রশম) নীল (প্রশম)
নীল সবুজ
গোলাপি লাল
গোলাপি লাল
প্রশ্ন ৪৩। কোন্ নমুনাগুলোকে অ্যাসিড বলে চিনতে পারলে?
উত্তর। লেবুর সরবত, কাটা কাঁচা আলুর টুকরো, কাটা টম্যাটো
৪৪। কোন্ নমুনাকে ক্ষারীয় বলে চিনতে পারলে?
উত্তর। সাজা পান।
প্রশ্ন ৪৫। ওপরের নমুনাগুলির মধ্যে কোনগুলি নির্দেশকের রংয়ের পরিবর্তন দেখায় না?
উত্তর। খাবার জল।
প্রশ্ন ৪৬। লিটমাসের ওপর তাদের ক্রিয়া কীরকম?
উত্তর। (a) লাল লিটমাস কাগছে অপরিবর্তিত।
(b) নীল লিটমাস কাগজে অপরিবর্তিত।
প্রশ্ন ৪৭। তাহলে এসো অ্যাসিড, ক্ষারক আর প্রশম পদার্থের তুলনা করি :
উত্তর। বৈশিষ্ট্য অ্যাসিড
নীল লিটমাসের ওপর ক্রিয়া লাল
লাল লিটমাসের ওপর ক্রিয়া গোলাপি
প্রশম ক্ষারক
বর্ণ অপরিবর্তিত সবুজ
বর্ণ অপরিবর্তিত লাল
প্রশ্ন ৪৮। আমাদের দেহের বিভিন্ন তরলের অম্ল-ক্ষার মাত্রা (PH) বিভিন্ন রকম। বলে দেখি কোন্টি কেমন?
উত্তর। তরলের নাম PH-এর মান প্রকৃতি
১. লালারস 6.02 -7.05 মৃদু আম্লিক
২. পাকস্থলীর রস 0.9-1.05 তীব্র আম্লিক
৩. পিত্ত রস 8.0-8.60 ক্ষারীয়
৪. রক্ত 7.35-7.45 ক্ষারীয়
৫. মূত্র 4.0-8.0 আম্লিক প্রশ্ন ৪৯। এবার তোমরা বলো ওপরের কোন্ কোন্ অবস্থায় দেহের অম্লের পরিমাণ বেড়ে যায়?
উত্তর। চোঁয়া ঢেকুর উঠলে, পেট খারাপ হলে, রোগে, ভারী কাজ করলে, রঙে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়লে, ধুমপান করলে, মানসিক চাপ বাড়লে, বৃক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে।
প্রশ্ন ৫০। যে সকল অঙ্গ বা দেহ তরল অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করে-
উত্তর। বৃক্ষ, ফুসফুস, মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, পাচনতন্ত্র, অন্তক্ষরা তন্ত্র, রক্ত, লসিকা, মূত্র প্রভৃতি অক্ষ-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করে।
খাদ্য লবণ
প্রশ্ন ৫১। ওপরের ছবি দুটো দেখে বলো, আমরা খাবার হিসাবে যে সমস্ত জিনিস গ্রহণ করি তাদের প্রধান দুটো উৎস কী কী?
উত্তর। ১. উদ্ভিজ্জ উৎস এবং ২. প্রাণীজ উৎস।
প্রশ্ন ৫২। এই দুটো উৎস থেকে পাওয়া কী কী খাবার তোমরা সাধারণত খেয়ে থাকো তার একটা তালিকা তৈরি করো।
উত্তর। কোন ধরনের উৎস থেকে পাওয়া কী কী খাদ্য
উদ্ভিজ্জ উৎস →চাল, ডাল, গম, শাকসবজি, ফল
প্রাণীজ উৎস →মাছ, মাংস, ডিম, দুধ
প্রশ্ন ৫৩। এই সমস্ত খাবার আমরা কত রকম ভাবে পেয়ে থাকি?
উত্তর। ১. রান্না করে ২. সেদ্ধ করে ৩. কাঁচা ৪. পুড়িয়ে
প্রশ্ন ৫৪। সব অঞ্চলের খাদ্যাভ্যাস কী একই রকম হয়?
উত্তর। না, হয় না।
প্রশ্ন ৫৫। নুন ছাড়া বা কম নুন দেওয়া খাবার তোমাকে খেতে দেওয়া হল। কেমন খেতে লাগবে তোমার?
উত্তর। খেতে ভালো লাগবে না।
প্রশ্ন ৫৬। নুনের কয়েকটি সাধারণ ধর্ম কী কী?
উত্তর। (a) খাবার নুনের রং সাধারণত সাদা।
(c) খাবার নুন জলে সহজে দ্রাব্য।
(b) সাধারণ অবস্থায় এটি কঠিন পদার্থ।
(d) এটি হল কেলসাকার পদার্থ।
প্রশ্ন ৫৭। তাহলে কী বোঝা গেল?
উত্তর। খাবার নুন হল একটি সাদা রংয়ের কেলাসাকার দ্রাব্য পদার্থ।
প্রশ্ন ৫৮। নীচের কোন্ কোন্ পদার্থ কেলাসাকার বলে তোমার মনে হয়?
উত্তর। চিনি, বালি, ফটকিরি।
প্রশ্ন ৫৯। একটু দুধের সর বা একটু মাখন খেলে তার স্বাদ কেমন লাগে?
উত্তর। এদের স্বাদ নোনতা।
প্রশ্ন ৬০। এই খাদ্যের উৎস উদ্ভিজ্ঞ না প্রাণীজ?.
উত্তর। উৎস প্রাণীজ।
প্রশ্ন ৬১। সমুদ্র লবণে প্রায় 47 রকমের যৌগের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার মধ্যে 7 টি যৌগ উল্লেখযোগ্য।
গুলি হল –
উত্তর।
কী ধরনের যৌগ কোন্ কোন্ ধাতুর সংকেত লেখো
ক্লোরাইড যৌগ → সোডিয়াম NaCl
→ ম্যাগনেশিয়াম MgCI2
ম্যাগনেশিয়াম MgSO4
সালফেট যৌগ ← পটাশিয়াম KSO4
ক্যালশিয়াম CaSO4
ব্রোমাইড যৌগ → ম্যাগনেশিয়াম MgBr2
কার্বনেট যৌগ → ক্যালশিয়াম CaCO3
(a) ওপরের তালিকায় সবচেয়ে বেশি ধরনের যৌগ আছে কোন্ ধাতুটির?
উত্তর। ম্যাগনেশিয়াম।
(b) সমুদ্র লবণে বিভিন্ন ধাতুর পরিমাণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এই ম্যাগনেশিয়াম ধাতুটির পরিমাণ সোডিয়ামের পরিমাণের ঠিক পরেই।
(c)অন্যান্য উপাদান হিসাবে যে সমস্ত যৌগ খুবই কম পরিমাণে থাকে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ক্যালশিয়াম ক্লোরাইড CaCl
প্রশ্ন ৬২। তোমার বাড়িতে বায়ুনিরুদ্ধ পাত্রে রাখা ও খোলা পাত্রে রাখা খাবার নুন ভালো করে লক্ষ করো। কিছুদিন এভাবে থাকলে দুটো আলাদা পাত্রে দুভাবে রাখা নুন কেমন অবস্থায় থাকে তা নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে লেখ।
(a) আবদ্ধ পাত্রের নূন ঝরঝরে আর শুকনো
লেখ।
(b) খোলা পাত্রের নুন জল ভেজা ভাব
প্রশ্ন ৬৩। এই ঘটনার জন্যে তাহলে নুনের মধ্যে থাকা কোন্ যৌগ দায়ী?
উত্তর। ম্যাগনেশিয়াম ক্লোরাইড।
প্রশ্ন ৬৪। আমাদের দেহের মধ্যে যে দেহত্তরল আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কী আছে?
উত্তর। তার প্রধান উপাদানই হল নুন।
প্রশ্ন ৬৫। তাহলে খাবার নুনের অন্য মূল উপাদান দুটোর কী হয় দেহের মধ্যে?
উত্তর।
ম্যাগনেশিয়াম ক্লোরাইড (MgCl2)→ Mg²+ + 2Cl-
ক্যালশিয়াম ক্লোরাইড (CaCl2)→ Ca²+ + 2Cl-
প্রশ্ন ৬৬। রক্তের স্বাদ কেমন লাগে?
উত্তর। রক্তের স্বাদ নোনতা।
প্রশ্ন ৬৭। তাহলে রক্তের মধ্যেও নুন দ্রবীভূত অবস্থায় আছে।
প্রশ্ন ৬৮। মানব রক্তের প্রধান অংশটি কী?
উত্তর। রক্তকণিকা ও রক্তরস।
প্রশ্ন ৬৯। রক্তের মধ্যেও NaCl আয়নিত হয়ে Na+ ও Cl- আয়ন তৈরি করে।
প্রশ্ন ৭০। নীচের ক্ষেত্রে নুনের প্রভাব কী ঘটবে তা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে লেখো।
উত্তর। কী করা হলে
১. আলুর চিপস বানানোর সময় আলু পাতলা করে কেটে নুন মাখিয়ে রাখা হল।
কী ঘটতে দেখবে
নুন আলুর মধ্যের সব জলীয় অংশ শুষে নেয়, ফলে ভাজার আগে পর্যন্ত
নুন আলুর ভিতরের জীবানুদের খাদ্যগুলি দেয়, ফলে জীবাণু মরে গিয়ে আলু ভালো থাকে।
২. কোনো গাছের গোড় বেশি নুন হল।
আলু ভালো থাকে।গাছের গোড়া অনেক দিন ভালো থাকবে।
গাছের গোড়া ও তার সংলগ্ন মাটির জীবণুদের খাদ্যগুলিকে টেনে নিয়ে জীবাণুগুলি মরে যাবে।মাংসের টুকরোর মধ্যে থাকে জীবাণুর থেকে জল শোষণ করে নেওয়ার ফলে জীবাণু মরে যায়।
৩. সদ্য কাটা মাছ মাংসের টুকরোয় নুন মাখিয়ে রাখা হলো।
মাংসের টুকরো দিন পর্যন্ত ভালো থাকে।
প্রশ্ন ৭১। বেশি নুন খাওয়ার সঙ্গে আমাদের দেরে রক্তচাপের সম্পর্ক কেমন?
উত্তর। বেশি নুন খেলে দেহের রপ্তচাপ বৃদ্ধি পায়।
প্রশ্ন ৭২। তখন রক্তের পরিমাণের কেমন পরিবর্তন হবে?
উত্তর। তখন রক্তের পরিমাণও বেড়ে যাবে।
প্রশ্ন ৭৩। তখন রক্তের স্বাভাবিক চাপের কেমন পরিবর্তন ঘটতে পারে?
উত্তর। রক্তের স্বাভাবিক চাপ বাড়বে।
প্রশ্ন ৭৪। রক্তের চাপ যদি স্বাভাবিকের থেকে বেড়ে যায়, আমাদের শরীরে কী ঘটতে পারে তা শিক্ষক বা শিক্ষিকার সঙ্গে আলোচনা করে নীচে লেখো।
উত্তর। শরীরের কোথায়
শিরা-ধমনিতে
হূৎপিণ্ডে
মস্তিষ্কে
কী ঘটতে পারে
শিরা রক্তের চাপে ফেনটি যেতে পারে।
হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরে অতিরিক চাপ বাড়তে পারে।
মস্তিষ্কের শিরা ছিঁড়ে যেত পারে।
প্রশ্ন ৭৫। তাহলে আমাদের দেহে হঠাৎ কোনো কারণে নুনের পরিমাণ কমে গেলে আমাদের শরীরের কোন ব্যবস্থায় তার প্রভাব পড়বে?
উত্তর। স্নায়ুতন্ত্রের বা স্নায়ু সংবহন তন্ত্রে (Nerves System)
প্রশ্ন ৭৬। খাবার নুনে থাকা NaCl ছাড়া আরও দুটো লবণের তথা আমরা আগেই জেনেছি। সেই দুটো লবণ দেহের মধ্যে সোডিয়াম ছাড়া কী কী ধাতব আয়ন উৎপন্ন করে?
উত্তর। ধাতব আয়নগুলি হল ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালশিয়াম আয়ন। হাড়ের গঠনে ক্যালশিয়াম কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা নিম্নলিখিত কর্মপত্রটি পুরণের মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করো।
প্রশ্ন ৭৭। আমাদের শরীরে হাড়ের ওজনই সবচেয়ে বেশি। এই হাড় বা অস্তির মূল উপাদান কোন্ ধাতু?
উত্তর। ক্যালশিয়াম হাড় বা অস্তির মূল উপাদান।
প্রশ্ন ৭৮। শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালশিয়াম আমরা কোন্ কোন্ উৎস থেকে পাই?
উত্তর
(1) প্রাণীজ উৎস থেকে বিভিন্ন খাদ্য যেমন—দুধ, দই, ছোটো মাছের কাঁটা ইত্যাদি পাওয়া যায়।
(ii) খাবার নুন হলো অন্য একটা উৎস।
আমাদের শরীরের মধ্যে যতটা ক্যালশিয়াম আছে তার শতকরা ৭৭ ভাগই থাকে হাড়ের মধ্যে, হাড়ে এই
ক্যালশিয়ামকে জমা করার জন্য ভিটামিন D প্রয়োজন।
প্রশ্ন। ৭৯। আমাদের শরীরের অস্থির ভেতরটা কেমন হতে পারে ?
উত্তর। (i) নিরেট (ii) শুকনো।
প্রশ্ন ৮০। আমাদের শরীরের বেশিরভাগ ক্যালশিয়াম কোথায় আছে?
উত্তর। অস্থি (Bones) |
প্রশ্ন ৮১। ক্যালশিয়াম ঘাটতি পূরণের জন্যে শরীর কোথা থেকে তা নেবে?
উত্তর। অস্থি থেকে।
প্রশ্ন ৮২। শরীরে যদি ক্যালশিয়াম ঘাটতি হয়, তাহলে কী দাঁতের গঠনেও কোনো প্রভাব পড়বে না, নিজেরাই ভেবে দেখ।
উত্তর। ক্যালশিয়ামের ঘাটতি হলে দাঁত ভঙ্গুর হয়ে যাবে।
প্রশ্ন ৮৩। নীচের কর্মপত্রটি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ও শিক্ষক/শিক্ষিকার সাহায্যে পূরণ করো।
(a) আমাদের রক্তের একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল শ্বেতকণিকা। এই শ্বেতকণিকার কাজ কী?
উত্তর। শরীরে জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা।
(b) শরীরে ভিটামিন D কী কাজ করে?
উত্তর। অস্থি দৃঢ় করে ও ক্যালশিয়াম সঞ্চয় করে।
(c) শরীরে উপস্থিত বিভিন্ন উৎসেচক কী কাজ করে?
উত্তর। রাসায়নিক বিক্রিয়া ত্বরান্বিত করে।
(d) শরীরের মধ্যে গ্লুকোজ কীভাবে শক্তি উৎপন্ন করে।
উত্তর। গ্লুকোজ বিশ্লিষ্ট হয়ে শক্তি উৎপন্ন করে।
প্রশ্ন ৮৪। সাধারণভাবে আমরা খাবার জন্যে যে প্যাকেটের নুন ব্যবহার করি তার প্যাকেটের গায়ে লক্ষ্য করলে তোমরা দেখতে পাবে—ওই নুনের মধ্যে একটা বিশেষ মৌল যুক্ত আছে। ওই মৌলটি কী?
উত্তর। ওই মৌলটি হল আয়োডিন (I2)
প্রশ্ন ৮৫। আমাদের শরীরে আয়োডিনযুক্ত নুন প্রয়োজন কেন?
উত্তর। গয়টার বা গলগণ্ড রোগকে প্রতিরোধ করার জন্যে।
প্রশ্ন ৮৬। আমাদের শরীরের বেশিরভাগ রেচন কীভাবে ঘটে?
উত্তর। মূত্র-এর মাধ্যমে রেচন ঘটে, যাতে জলের পরিমাণ বেশি থাকে।
প্রশ্ন ৮৭। জল যেহেতু লবণকে দ্রবীভূত করে রাখে, তাই আমাদের প্রধান রেচন পদার্থ মূত্র (Urine)-এর মধ্যে অনেকটা নুন ও উপস্থিত থাকে।
প্রশ্ন ৮৮। এই রেচনক্রিয়ার দেহের ভিতরের কোন রেচন অঙ্গ মূলত কাজ করে?
উত্তর। বৃক্ক বা কিডনী।
প্রশ্ন ৮৯। যদি কোনো কারণে রক্তে লবণের পরিমাণ বেড়ে যায়, তাহলে কী হবে?
উত্তর। রক্তের স্বাভাবিক চাপ বৃদ্ধি পাবে।
প্রশ্ন ৯০। দেহের প্রয়োজনের থেকে আরও বেশি এই লবণের রেচনের প্রয়োজন, তাহলে আমাদের প্রধান
রেচন পদার্থের পরিমাণের কেমন পরিবর্তন ঘটবে?
উত্তর। পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তখন আমাদের প্রধান রেচন অঙ্গকে বেশি কাজ করতে হবে।
প্রশ্ন ৯১। কারো বৃক্কের কার্যকারিতা কোনো কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। তখন তাঁকে কী পরামর্শ দেওয়া হবে?
উত্তর। নুন কম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হবে।
প্রশ্ন ৯২। সংরক্ষক হিসাবে নুন ব্যবহার করা হচ্ছে, এরকম আরও উদাহরণ দাও।
উত্তর। (a) মাছ, মাংস, আলু প্রভৃতি রান্নার আগে নুন মাখিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।
(b) প্যাকড খাবার-এ নুন দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।
(c) জলের সঙ্গে নুনের মিশ্রণ দিয়ে হিমমিত্র তৈরি করে বিভিন্ন জিনিস সংরক্ষণ করা হয়।
প্রশ্ন ৯৩। নীচের ক্ষেত্রগুলোতে কীভাবে লবণের ব্যবহার করা যেতে পারে তা লেখো।
উত্তর।
কোন্ ক্ষেত্রে
১. তোমার দাঁতে যন্ত্রণা হচ্ছে।
২. হঠাৎ একদিন তোমার ঘনঘন বমি ও ডায়ারিয়া হল।
৩. তোমার গলায় ব্যাথা হলো।
৪. তোমার পায়ে জোঁক কামড়ে ধরল।
৫. তোমাকে পাকা তেঁতুল সংরক্ষণ করতে বলা হল।
৬. কারোর রক্তচাপ কমার লক্ষণ দেখা দিলে।
কীভাবে খাদ্যলবণ কাজে লাগবে
১. নুন জলে কুলকুচি করতে হবে।
২. তোমাকে কিছু সময় অন্তর অল্প করে নুন ও সামান্য চিনি মেশানো জল খেতে হবে।
৩. ঈষৎ গরম জলে নুন মিশিয়ে গারগেল করতে হবে।
৪. জোঁকের উপরে নুন দিয়ে দিতে হবে।
৫. তেঁতুলে নুন মাখিয়ে রোদে শুকিয়ে রাখতে হবে।
৬. নুন খাওয়ার পরিমাণ বাড়ানোর কথা বলতে হবে।
সংশ্লেষিত যৌগ ও পরিবেশে তার প্রভাব
প্রশ্ন ৯৪। নীচের তালিকাটি পূর্ণ করো।
উত্তর। রোজকার ব্যবহার্য কীভাবে তৈরি
জিনিসের নাম প্রাকৃতিক প্রকৃয়াজাত মানুষের সৃষ্টি
মাজন বা – ✔️ ✔️
টুথপেস্ট
দাঁত মজার ব্রাশ – – ✔️
সাবান – ✔️ ✔️
শ্যাম্পু – ✔️ ✔️
ডিটারজেন্ট – ✔️ ✔️
রিঠা ফল ✔️ – –
মশারির সুতো – ✔️ ✔️
নারকেল তেল ✔️ ✔️ –
প্রশ্ন ৯৫। ফুটবল খেলতে যে জিনিসগুলো লাগে তার একটা তালিকা বানাও; আর এসো দেখি তার কোনটা কী জিনিস দিয়ে তৈরি।
উত্তর।
কোন জিনিস কী দিয়ে তৈরী
ফুলবল চামড়া
বুট চামড়া
মোজা নাইলন সুতো
ব্যবহার বন্ধ হওয়ার পর জিনিসগুলোর কী হয়
বর্জ্য
বর্জ্য
প্রশ্ন ৯৬। তোমাদের স্কুলে বা পাড়ায় মাঝে মাঝে বসে আঁকা প্রতিযোগিতা হয়। সেখান যে জিনিসগুলো লাগে তাদের ছবি নীচে দেওয়া হল। ছবি দেখে তাদের নাম লেখো এবং আলোচনা করে লেখো সেগুলো কীসের তৈরি আর তাদের উৎস প্রাকৃতিক না সংশ্লেষিত? (পাঠ্যপুস্তকের ছবি দেখো)
উত্তর।
কী জিনিস কীসের তৈরী বলে মনে হয়
১. কাগজ বাঁশ ও বর্জ্য
২. ইরেজার রবার
৩. তুলি পাট ও রেশম
৪. বোর্ড লোহা ও পাটের গুড়ো
৫. পেনসিল সিসা ও কাঠ
৬. রং রাসায়নিক
৭. রং দানি প্লাস্টিক
প্রাকৃতিক উৎস প্রকৃয়াজাত সংশ্লেষিত
– ✔️ –
– – ✔️
✔️ – –
✔️ ✔️ –
✔️ – –
– – ✔️
– – ✔️
প্রশ্ন ৯৭। ওপরের ছবিতে যেসব বস্তুর ছবি দেওয়া আছে তা তৈরিতে যে যে সংশ্লেষিত পদার্থের ব্যবহার হয়েছে সেগুলি কী কী?
উত্তর। (পাঠ্যপুস্তকের ছবি দেখো)
প্লাস্টিক, চর্বি বা তেল + কস্টিক ক্ষারক, হাইড্রোকার্বন + ঘন H, SO, -এর বিক্রিয়ার উৎপন্ন লবণ, বিভিন্ন রকম রাসায়নিক পদার্থের যৌগ, অলড্রিন, পাট, কাপড়, স্টিল, লোহা, কাচ, তুলো প্রভৃতি।
প্রশ্ন ৯৮। ওই ধরনের সংশ্লেষিত পদার্থ আর কী কী জিনিস তৈরিতে ব্যবহার করা হয়?
উত্তর।
সংশ্লেষিত পদার্থটির নাম
প্লাস্টিক
চর্বি + জল ও কস্টিক ক্ষারক
কাচ
কাপড়/পাট
তার ব্যবহার
বালতি, পাইপ, পেন প্রভৃতি
সাবান
সংশ্লেষিত পদার্থের ব্যবহার
শিশি, বোতল
পোশাক, জমাকাপড়
প্রশ্ন ৯৯। যে সমস্ত সংশ্লেখিত পদার্থগুলির নাম তোমরা জানলে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে তাদের আর কোনো ব্যবহার জানা থাকলে লেখো।
উত্তর। পুতুল, সার, ঔষধ, লোহার জিনিস।
সংশ্লেষিত তন্তু
প্রশ্ন ১০০। করে দেখ ঃ কোনটা শক্ত, একটা সুতির সুতো, না একটা টেরিকোর্টের সুতো? দুটো একই মাপের স্বচ্ছ প্লাস্টিকের খালি ও মুখ খোলা বোতল নাও। এবার দু-রকম সুতোর সাহায্যে দুটো বোতল ঝোলাবার ব্যবস্থা করো। এরপর দুটো বোতলেই ধীরে ধীরে সেটি চলতে থাকো। কী করলে ও কী দেখলে লেখো।
উত্তর। (পাঠ্যপুস্তকের ছবি দেখো।)
কী করা হল
দুটো বোতলেই ধীরে ধীরে জল ঢালা হল।
কী বোঝা গেল
দুটো সুতোই একটু একটু করে লম্বায় বড়ো হতে থাকল।এরপর সুতির সুতোর বৃদ্ধি থেমে গেল কিন্তু টেরিকটের সুতো আরো বাড়তে থাকে। একসময় সুতির সতো ছিড়ে যায়, কিন্তু টেরিকটের সুতো আলত থাকে।
্রশ্ন ১০১। করে দেখো মোমবাতির আগুনের কাছে সাবধানে কিছুটা সুতির মুতো ও কিছুটা নাইলন সূতো একটি চিমটে দিয়ে ধরে দেখো।
উত্তর।
কী দেখলে
(a) নাইলনের সুতো পুড়ে গিয়ে চিমটের সঙ্গে আটকে গেল।
(b) সুতির সুতো খুব একটা পুড়ল না।
কী বোঝ গেল
(a) নাইলন খুব তাড়াতাড়ি আগুনের কাছে আসতেই জ্বলে যায়।
(a) সুতির সুতোয় তাড়াতাড়ি আগুন ধরে না।
প্রশ্ন ১০২। নীচের ছকটা পূরণ করো।
উত্তর।
নিত্যব্যবহার্য বিভিন্ন জিনিসে পলিমারের ব্যবহার
পলিমারের নাম
পলিথিন
P.V.C.
P.E.T.
প্রকৃতি বা গুণাবলি
অত্যন্ত নমনীর ও জল রোধক মজবুত, তাপ ও তড়িতের অন্তরক, জলরোধক, থার্মোপ্লাস্টিক
দীর্ঘস্থায়ী ও মজবুত,থার্মোসিটিং প্লাস্টিক
ব্যবহার
পাইপ, আসবাব ও বাসন বিদ্যুতের সংযোগকারী তার
জলের বা পাণীয় দ্রব্যের বোতল,খাবারের বাক্স তৈরিতে।
সাবান ও ডিটারজেন্ট
প্রশ্ন ১০৩। তোমাদের বাড়িতে গায়ে মাথার জন্যে, জামাকাপড় পরিষ্কার করতে বা নীচে লেখা অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয় এমন কোনো সংশ্লেষিত পদার্থের কথা জানা থাকলে লেখো।
উত্তর।কোন কাজে
(a) গা-হাত-পা ধোয়ার কাজে
(b) চুল পরিষ্কার করার জন্যে
(c) বাসনপত্র মাজার জন্যে
কী ব্যবহার করো
(a) সাবান
(b) শ্যাম্পু
(c) ডিটারজেন্ট
প্রশ্ন ১০৪। যেসব উৎস থেকে পাওয়া জল আমরা সাধারণত জামাকাপড় কাচার জন্যে ব্যবহার করি সেগুলি নীচে দেওয়া হল। বাড়ির বড়োদের সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা করো এগুলোর মধ্যে কোন্ কোন্ উৎসের জল ব্যবহার করে কোন ক্ষেত্রে কীরকম ফেনা তৈরি হয়; তারপর নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নীচের সারণিটি পূরণ করো।
উত্তর।জলের উৎস
পুকুরের/দিখির জল
কুয়োর জল
নলকূপের জল
নদীর জল
শহরের কলের জল
সাবান ব্যবহার কেমন ফেনা হয়
ভালো
কম
কম
ভালো
ভালো
ডিটারজেন্ট ব্যবহারে কেমন ফেনা হয়।
ভালো
ভালো
ভালো
ভালো
ভালো
সার ও কীটনাশক
প্রশ্ন। ১০৫। দলগত কাজ : তোমাদের স্কুলের বা বাড়ির আশেপাশের চায়ের খেতে অথবা কোনো নার্সারিতে গিয়ে একটু খোঁজ নিয়ে দেখ ও জানো সার ও কীটনাশক কোন কোন প্রয়োজনে ব্যবহার হচ্ছে।
ে জিনিসগুলোর ব্যবহার তোমরা জানলে, আরও বিস্তারিতভাবে তাদের সম্বন্ধে আলোচনা করে নীচের সারণিটি পূরণ করো।
উত্তর।কী চাষ করতে
১. ধান
২. শাকসবজি
৩. ফুল
কী ব্যবহার হচ্ছে
(a) সার
(b) কীটনাশক
(a) সার
(b) কীটনাশক
(a) সার
(b) কীটনাশক
কী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে
ফলন বৃদ্ধি ও উন্নত ফলনের জন্য
পোকামাকড় প্রতিরোধের জন্যে
ফলন ও গুণ বাড়াতে ফলনের জন্য
পোকামাকড় প্রতিরোধের জন্যে
ফলন ও গুণ বাড়াতে ফলনের
পোকামাকড় প্রতিরোধের জন্যে
পদার্থটির উৎস প্রাকৃতিক না কৃত্রিমভাবে তৈরি
বেশিরভাগই কৃত্রিম
বেশিরভাগই কৃত্রিম
বেশিরভাগই কৃত্রিম
বেশিরভাগই কৃত্রিম
বেশিরভাগই কৃত্রিম
বেশিরভাগই কৃত্রিম
প্রশ্ন ১০৬। গাছের বৃদ্ধি ও ফলন বাড়ানোর জন্যে যা ব্যবহার হচ্ছে সেগুলি কী?
উত্তর। সার।
প্রশ্ন ১০৭। গাছকে রোগ বা পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যে যা ব্যবহার হচ্ছে সেগুলি কী?
উত্তর। কীটনাশক।
প্রশ্ন ১০৮। তোমাদের পরিচিত কয়েকটি সার ও কীটনাশকের মধ্যে থাকা সংশ্লেষিত পদার্থের নাম দেওয়া হল। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ও শিক্ষক-শিক্ষিকার সাহায্যে নিয়ে আরও কয়েকটি নাম যোগ করো।
উত্তর।
সারের নাম কীটনাশকের নাম
ইউরিয়া মিথাইল প্যারাথিয়ন
সুকলা অলড্রিন
গোবর সার কার্বারিল
প্রসাধনী, সুগন্ধী দ্রব্য
প্রশ্ন ১০৯। তোমাদের পরিচিত কতকগুলো জিনিসের ছবি নীচে দেওয়া আছে। দেখো তো চিনতে পারো কিনা? তাদের ব্যবহার লেখো।
উত্তর।
কী জিনিস কী কাজে আসে
(a) ভেসলিন ঠোঁট ফেটে গেলে লাগায়
(b) শ্যাম্পু চুল পরিষ্কার করার জন্যে
(c) লিপিস্টিক ঠোঁট রং করার জান্যে
(d) টুথপেস্ট দাঁত মাজতে লাগে
(e) বডি স্পে গায়ে মাখতে লাগে
(f ) পাউডার মুখে মাথার জন্যে
(g) নেলপালিশ নখ রং করার জন্যে
(h) টিপের পাতা কপালে পরার জন্যে
প্রশ্ন ১১০। তোমরা এতরকম প্রসাধনীর ব্যবহার দেখছ। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে জানার চেষ্টা করো তোমাদের পরিচিত কারোর ত্বকে বা দেহের অন্য অংশে এই সমস্ত জিনিসের কোনো কু-প্রভাব পড়ছে কিনা :
উত্তর।
কোন ধরনের প্রসাধনীতে
চুল রং করার কলপ বা ডাই
সুগন্ধী স্প্রে
লিপস্টিক
কী রকম কুপ্রভাব পড়তে পারে
চুলকানি ও লাল হয়ে ফুলে ওঠা
শ্বাসের সমস্যা
ঠোঁট কালো হয়ে যাওয়া
প্রসাধনী সুগন্ধী দ্রব্য
প্রশ্ন ১১১। নীচের তালিকা থেকে ঠিক উত্তর নির্বাচন করে ছকটির প্রথম দুটো স্তম্ভ পূরণ করো। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ও বড়োদের বা শিক্ষক-শিক্ষিকার সাহায্যে তৃতীয় স্তম্ভটি পূরণ করো।
উত্তর। কোন ধরনের অসুখে
জ্বর
ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণে জীবাণুনাশক
অ্যান্টাসিড
পেট খারাপ হলে
অম্বল বা অ্যাসিডিটি
ছড়ে যাওয়া বা কেটে যাওয়া
চোট লেগে ব্যাথা হলে
সাধারণত কী ধরনের ওষুধ ব্যবহার করতে ডাক্তারবাবু বলেন।
জ্বর নাশক অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণুনাশক অ্যান্টাসিড
অ্যান্টিসেপটিক
পেনকিলার বা বেদনানাশক
এর পরিবর্তে আগেকার সময়ে কী ধরনের ভেষজ ওষুধ ব্যবহার করা হতো
কুইনাইন
থানকুনি পাতার রস
পুদিনা পাতার রস
গাঁদা গাছের পাতার রস বা দুর্বার রস
চুন ও হলুদের মিশ্রণ
রং ও রঞ্জক
প্রশ্ন ১১২। তোমাদের চারপাশে যে সমস্ত রঙিন জৈব-অজৈব জিনিস দেখতে পাচ্ছ তার একটা তালিকা তৈরি করো। আর শিক্ষক/শিক্ষিকার সহায়তায় তাদের উৎস সন্ধান করো :
উত্তর।কী জিনিস তার রংয়ের উৎস
গাজর জৈব
হলুদ জৈব
গাঁদা বা গোলাপ ফুলের পাপড়ি জৈব
রঙিন প্লাস্টিকের বালতি অজৈব
প্রশ্ন ১১৩। তোমাকে বাড়ির দেয়াল, দরজা-জানলা অথবা লোহার আলমারি রং করতে বলা হল। কোন ক্ষেত্রে ভূমি জলে গোলা রং বা তেলে গোলা রং ব্যবহার করবে?
উত্তর।কোন ক্ষেত্রে কেমন রং ব্যবহার কর
দেয়াল জলে গোলা রং
দরজা-জানালা তেলে গোলা রং
লোহার আলমারি তেলে গোলা রং
প্রশ্ন ১১৪। এরকম রং ব্যবহার করার আগে কী কী করা প্রয়োজন বলে তুমি মনে করো?
উত্তর। এরকম রং ব্যবহারের আগে অবশ্যই প্রাইমার লাগানো উচিত।
প্রশ্ন ১১৫। প্রায় কোনো রং-ই কৌটো খুলেই সরাসরি ব্যবহার করা যায় না। কারণ, এখনকার ব্যবহৃত বেশিরভাগ রং-এর দুটো অংশ আলাদা হয়ে থাকে। তাদের মেশানোর দরকার হয়। রং-এর মধ্যে এই দুটো অংশ কী কী?
উত্তর। (i) দ্রাবক অংশ (যা সাধারণত বর্ণহীন বা হালকা রঙিন)।
(ii) রঞ্জক বা পিগমেন্ট অংশ (রঙিন যৌগের কণা)।
বেশিরভাগ রং-এরই দুটো অংশই কৃত্রিমভাবে তৈরি।
প্রশ্ন ১১৬। করে দেখো: একটা ফিলটার কাগজে এক ফোটা জেলপেনের কালি দাও। একটা প্লাস্টিকের ছোটো স্কেলের গায়ে কাগজটা সুতো দিয়ে বেঁধে দিয়ে ছবির মতো জলের মধ্যে ডুবিয়ে দাও। কিছুক্ষণ পরে তুমি কী দেখতে পেলে তা লেখো (ভালো ফল পেতে জলের মধ্যে একটু স্পিরিট দিতে পারো)।
উত্তরঃ কী করলে
জেলপেন থেকে ফিলটার কাগজে ড্রপ ফেলে কাগজটাকে জলে ডোবানো হলো।
কী দেখতে পেলে
ফিলটার কাগজের মধ্যে অনেক রংয়ের কালি দেখতে পাওয়া গেল
সিমেন্ট
প্রশ্ন ১১৭। আধুনিক নির্মাণ শিল্পের একটি প্রধান উপকরণ হল সিমেন্ট। আমাদের চারপাশে সিমেন্টের বহু জিনিসই আমরা দেখতে পাই। নীচের তালিকায় তোমাদের জানা আরও জিনিসের নাম লেখো, যে গুলোর একটা উপাদান সিমেন্ট।
উত্তর। কী কী জিনিস তৈরিতে
সিমেন্ট ব্যবহার হচ্ছে।
(a) বাড়ি
(b) সেতু
(c) মেট্রোরেলের সুরঙ্গপথ
সিমেন্টের সঙ্গে আরও কী কী জিনিস কাজে লেগেছে বলে মনে হয়
(a) ইট, বালি, লোহার রড, পাকুটি
(b) বালি, লোহার রড, পাথরকুচি
(c) বালি, লোহার রড, পাথরকুচি
প্রশ্ন ১১৮। তোমাদের চারপাশের চেনাজানা বহু জিনিসেরই আগে যা উপাদান ছিল তা পালটে সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। নিজেরা আলোচনা করে উদাহরণগুলো লেখো।
উত্তর। কী জিনিস তৈরিতে
গোরুর খড় খাবার গামলা
বাড়ি
ছাদ
আগে কী ব্যবহার হত
পোড়া মাটি
খড়, মাটি, পাতা
টালি, টেন, খড়, পাত
এখন কি ব্যবহার হচ্ছে
সিমেন্ট
সিমেন্ট
সিমেন্ট
কাচ
কর্মপত্র
প্রশ্ন ১১৯। তোমাদের চারপাশে দেখা কাচ ব্যবহার হচ্ছে এমন কয়েকটা জিনিসের উদাহরণ দাও।
উত্তর। কাচ ব্যবহার হচ্ছে এমন জিনিস হল জানালার ফ্রেমে কাচ। দেয়াল আলমারিতে, ফটো বাঁধাতে,আয়নাতে, অ্যাকো রিয়াম প্রভৃতি।
প্রশ্ন ১২০। এই জিনিসগুলো কী কী কাজে লাগে তা লেখো।
উত্তর। বাইরে থেকে ভিতরের বস্তুকে দেখতে পাওয়া যায় কাচ লাগাবার পরও।
প্রশ্ন ১২১। এই জিনিসগুলোর কাচ ছাড়া অন্য কিছু ব্যবহার করা যেত কি? তোমার মতামত লেখো।
উত্তর। না, এখানে বাইরে থেকে অন্য কিছু লাগানো যেত না, তাছাড়া অন্য কিছু লাগালে ভিতরের জিনিস দেখ যেত না।
পরিবেশ সংশ্লেষিত যৌগের প্রভাব
প্রশ্ন ১২২। এখনও ধাপার মাঠ যে এলাকায় ছিল সেখানে কোন জায়গা খুঁড়লে মাটির নীচ থেকে সেগুলোরকী এখনও পাওয়া যাবে আর কোনগুলো পাওয়া যাবে না তা নিজেদের মধ্যে বা শিক্ষক/শিক্ষিকার সঙ্গে আলোচনা করে লেখো।
ফেলা জিনিসের তালিকা: ছেঁড়া পলিথিন, চটের ব্যাগ, প্লাস্টিকের ডাঙা খেলনা, ছেঁড়া হাওয়াই চটি, আনাজের খোসা, মাছের আঁশ, ছেড়া জামাকাপড়, আখের ছিবড়ে, ডাবের দোলা, কাচের ভাঙা শিশি, ওষুধের মোড়ক, নাইলন দড়ি, লোগার পেরেক, ইনঞ্জেকশনের সিরিজ, পলিথিনের বোতল, পেনসিলের ছোটো টুকরো,বাতিল টিভি, মরা জীবাত্ত্ব ইত্যাদি।
উত্তর।এখন আর কোন কোন্ জিনিস পাওয়া যাবে না
চটের ব্যাগ, আনাজের
খোসা, মাছের আঁশ, আমের
ছিবড়ে।
কোন কোন জিনিস এখনও পাওয়া যাবে
ছোঁড়া জামাকাপড়, মরা জীবজন্তু, ডাবের খোলা, লোহার পেরেক, পেনসিলের ছোটো টুকরো।
আজ থেকে পঞ্চাশ বছর পরেও কোন কোন জিনিস পাওয়া যাবে
ছেঁড়া পলিথিন, প্লাস্টিকের ভাঙা খেলনা, ছেঁড়া হাওয়াই চটি, কাচের ভাঙা শিশি, ইনজেকশনের সিরিঞ্জ, পলিথিনের বোতল, বাতিল টিভি।
প্রশ্ন ১২৩। যে জিনিসগুলো এখন আর পাওয়া যাবে না, সেগুলোর কী হল?
উত্তর। এই পদার্থগুলো কিছুদিনের মধ্যেই মাটির সাথে মিশে যাবে।
প্রশ্ন ১২৪। আর যেগুলো পঞ্চাশ বছর পরেও পাওয়া যাবে তাদের কী হবে?
উত্তর। সেগুলো অপরিবর্তিত বর্জ্য হয়েই পড়ে থাকবে।
প্রশ্ন ১২৫। জৈব অভঙ্গুর পদার্থগুলোর ব্যবহার কেন কমাতে হবে তা যুক্তি দিয়ে বোঝাতে একটা পোস্টার তৈরি করো।
উত্তর। প্লাস্টিকের ক্যারি ব্যাগ, প্লাস্টিক বোতল, ছেড়া হাওয়াই চটি হয়তম ফেলো না এতে পরিবেশের দূষণ হয়, মাটির সঙ্গে না মেশার জন্য মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়। এগুলো পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকারক।
প্রশ্ন ১২৬। তোমাদের স্কুলের বা বাড়ির চারপাশে ঘুরে দেখো এমন কোনো পদার্থ দেখতে বা তাদের কথা জানতে পারে৷ কিনা সেগুলো দীর্ঘদিন পরিবেশে থেকে যাচ্ছে ও কোনো ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলছে (প্রয়োজনে শিক্ষক/শিক্ষিকার সাহায্য নাও) :
উত্তর। কী পদার্থ পড়ে থাকছে
প্লাস্টিকের ক্যারি ব্যাগ প্লাস্টিকের অনেক বোতল ছোঁড়া হাওয়াই চটি।
পরিবেশে তার কী প্রভাব পড়ছে।
এগুলো মাটির সঙ্গে প্রাকৃতিক উপায়ে মিশে যায় না বলে, ভূমধ্যস্থ জলের গতিপথ রুদ্ধ হয় এবং কৃষিক্ষেত্রের উর্বরতা নষ্ট হয়।
প্রশ্ন ১২৭। কৃষিকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক কি শুধু প্রয়োগের স্থানেই সীমাবদ্ধ থাকে?- তা নয়, সেখান থেকে অনেক দূরে ছড়িয়ে পড়ে জল ও বাতাসের যারা এগুলো কীভাবে ক্ষতি করতে পারে? শিক্ষক/শিক্ষিকার সাহায্য নিয়ে নীচের সারণিটি পূরণ করো।
উত্তর। কোন সংশ্লেষিত পদার্থ
ডিডিটি, মিথাইল প্যারাথায়ন, পেন্টাক্লোরোফেনল অলড্রিন,হেপ্টাক্লোর
কোন জীবের উপর
মাটিতে থাকা রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া তৃণভোজী প্রাণী(নিম্নশ্রেণির খাদক)
কী ক্ষতি ঘটবে
মাটির উর্বরতা কমে যায়। মাটির পোকার সংখ্যা বাড়ে।
্রশ্ন ১২৮। তোমরা প্রতিদিনের জীবনে যে সমস্ত সংশ্লেষিত পদার্থ ব্যবহার করছ না তাদের ব্যবহার দেখছ তার পরিবর্তে অন্য কিছু ব্যবহার করা যায় কী? প্রয়োজনে শিক্ষক/শিক্ষিকার সাহায্য নাও
উত্তর।এখন কী ব্যবহার করছ
পলি ব্যাগ
অজৈব রং
কী ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মনে হয়
মোটা কাগজ বা চটের ব্যাগ
জৈব রং যেমন–হলুদ, গাঁদা ফুল, জবা ফুল
থেকে তৈরি রং।
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর
● অতি সংক্ষিক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।
● জীবদেহ গঠনে অজৈব ও জৈব পদার্থের ভূমিকা ●
প্রশ্ন ১। পৃথিবীর বেশিরভাগ জিনিস তৈরি হয়েছে কটি মোট দিয়ে?
উত্তর। পৃথিবীর বেশিরভাগ জিনিস তৈরি হয়েছে ৯২টি মৌল দিয়ে।
প্রশ্ন ২। মানুষের দেহে ওজনানুপাতিক শতাংশ সবচেয়ে বেশি কোন্ মৌলের?
উত্তর। অক্সিজেনের।
প্রশ্ন ৩। পৃথিবী পৃষ্ঠে সোডিয়ামের ওজনানুপাতিক শতাংশ কত?
উত্তর ২৪।
প্রশ্ন ৪। জীবদেহের প্রধান চারটি মৌলের নাম লেখো।
উত্তর। কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন।
প্রশ্ন ৫। জীব আর জড়ের তফাত হয়েছে কীসে?
উত্তর। নানারকম জৈব যৌগ তৈরির ক্ষমতায়।
প্রশ্ন ৬। মানুষের দেহে জলের পরিমাণ কত?
উত্তর। প্রায় 70 শতাংশ।
প্রশ্ন ৭। প্রাণরক্ষার জন্যে অক্সিজেনের পরেই কার স্থান?
উত্তর। জলের।
প্রশ্ন ৮। হিমোগ্লোবিনের মধ্যে কোন ধাতু থাকে?
উত্তর। আয়রন (Fe) |
প্রশ্ন ৯। কোশের কাজে কোন আয়ন লাগে?
উত্তর। Ca2+ আয়ন।
প্রশ্ন ১০। মানুষের হাটতে গিয়ে পড়ে যাওয়া কোন আয়নের অভাবে হয়?
উত্তর। সোডিয়াম ও পটাশিয়াম আয়নের।
প্রশ্না ১১। চারটি গুরুত্বপূর্ণ জৈব যৌগের নাম লেখো।
উত্তর। কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, লিপিড ও নিউক্লিক অ্যাসিড।
মন্তব্যসমূহ