পটলবাবু ফিল্মস্টার
সত্যজিৎ রায়
শব্দার্থ : নিষ্ঠুর–নির্মম, দয়াহীন। পরিহাস-ঠাট্টা, কৌতুক। হদিস—সন্ধান, খোঁজখবর। অভাবনীয়- অপ্রত্যাশিত। ফরমাস—আদেশ, নির্দেশ। পথচারী—পথিক। তামাশা-ঠাট্টা, পরিহাস। কদর- মর্যাদা। স্মরণশক্তি- মনে রাখার ক্ষমতা,স্মৃতিশক্তি। আগন্তুক—অতিথি। অপদস্থ-লাঞ্ছিত। অসম্মানিত দৃকপাত—ভ্রুক্ষেপ, ফিরে তাকানো। নিরুত্সাহ-হতাশ, উৎসাহহীন। বাসিন্দা—বাসকারী, অধিবাসী। তারিফ—প্রশংসা। আন্দাজ-অনুমান। রোমাঞ্চ—পুলক। আচ্ছন্ন-অভিভূত। নিরিবিলি—নিরাশ, নিভৃত। প্রতিপত্তি—সম্মান, মর্যাদা, প্রভাব। নগণ্য–তুচ্ছ, সামান্য। বৃকোদর-ভীম। ঋষিতুল্য— ঋষির মতো জ্ঞানী ও শ্রদ্বাহ। বাজিমাত – বিপক্ষের সম্পূর্ণ পরোভব। নিরীহ-নিরুপদ্রণ, শান্তশিষ্ট। আত্মতৃপ্তি—নিজের সন্তোষ। নির্বিবাদী-নির্বিরোধ। ঠাহর- মনোযোগ দিয়ে দেখা।
হাতে কলমে
১. ৰন্ধনীতে দেওয়া একাধিক উত্তরের মধ্যে ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে নীচের বাক্যগুলি আবার লেখো:
১.১ পটলবাবু অভিনয়ের সময় সংলাপ হিসেবে বলেছিলেন (ওঃ/উঃ আঃ) শব্দটি।
উঃ পটলবাবু অভিনয়ের সময় সংলাপ হিসেবে বলেছিলেন আঃ শব্দটি।
১.২ অভিনয়ের সময় পটলবাবুর হাতে ছিল (আনন্দবাজার পত্রিকা/যুগান্তর/ স্টেটসম্যান)।
উ: অভিনয়ের সময় পটলবাবুর হাতে ছিল যুগান্তর
১.৩ অভিনয়ের সময় পটলবাবুর নাকের নীচে সেঁটে দেওয়া হয়েছিল (ঝুপো/চাড়া দেওয়া/বাটারফ্লাই) গোফ।
উঃ অভিনয়ের সময় পটলবাবুর নাকের নীচে সেঁটে দেওয়া হয়েছিল বাটারফ্লাই গোফ।
১.৪ (বরেন দত্ত/বরেন মল্লিক/বরেন চৌধুরী)-র পরিচালিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে গিয়েছিলেন পটলবাবু।
উঃ বরেন মল্লিক পরিচালিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে গিয়েছিলেন পটলবাবু।
১.৫ করালীবাবুর বাড়িতে (কীর্তন/শ্যামাসংগীত/কতকথা) হয় (শনিবার বিকেলে/ রবিবার সকালে/রবিবার বিকালে)।
উঃ করালীবাবুর বাড়িতে শ্যামাসংগীত হয়, রবিবার সকালে।
২. নীচের এলোমেলো ঘটনাগুলি গল্পের ঘটনাক্রম অনুযায়ী লেখো :
২.১ টাকার তাঁর অভাব ঠিকই কিন্তু আজকের এই যে আনন্দ, তার কাছে পাঁচটা টাকা আর কী।
২.২ তা আপনি তো বেশ পাংচুয়াল দেখছি।
২.৩ পটলবাবু সবে বাজারের থলিটা কাঁধে ঝুলিয়েছেন এমন সময় বাইরে থেকে নিশিকান্তবাবূ হাঁক দিলেন, পটল আছে নাকি হে?
২.৪ দুরুদুরু বুঝে পটলবাবু এগিয়ে চললেন আপিসের গেটের দিকে।
২.৫ সে কী, টাকা না নিয়েই চলে গেল নাকি লোকটা?
২.৬ ঠিক আধঘণ্টা পরেই পটলবাবুর ডাক পড়ল, এখন আর তাঁর মনে কোনো নিরুৎসাহের ভাব নেই।
উ: ২.১ পটলবাবু সবে বাজারের থলিটা কাঁধে ঝুলিয়েছেন এমন সময় বাইরে থেকে নিশিকান্তবাবু হাঁক দিলেন, 'পটল আছে নাকি হে? '
২.২ দুরুদুরু বুকে পটলবাবু এগিয়ে চললেন আপিসের গেটের দিকে।
২.৩ তা আপনি তো বেশ পাংচুয়াল দেখছি।
২.৪ ঠিক আধঘণ্টা পরেই পটলবাবুর ডাক পড়ল, এখন আর তাঁর মনে কোনো নিরুৎসাহের ভাব নেই।
২.৫ টাকার তার অভাব ঠিকই- কিন্তু আজকের এই যে আনন্দ, তাঁর কাছে পাঁচটা টাকা আর কী?
২.৬ সে কী, টাকা না নিয়েই চলে গেল নাকি লোকটা?
৩. গল্প থেকে এই যে অংশটি নীচে উদ্ধৃত করা হয়েছে, শুটিং-এর সেই ব্যস্ত পরিস্থিতিটি তোমার নিজের ভাষায় নতুন করে লেখো।
গলিতে রিহার্সাল দেবার সময় পটলবাবুর একটা আইডিয়া মাথায় এসেছিল, সেটা সাহস করে বলে ফেললেন।'আমি ভাবছিলাম—ইয়ে, আমার হাতে যদি একটা খবরের কাগঞ্জ থাকে, আর আমি যদি সেটা পড়তে পড়তে ধাক্কাটা খাই...মানে, অন্যমনস্কতার ভাবটা ফুটিয়ে তুলতে...।
বরেন মল্লিক তার কথাটা শেষ না হতেই বলে উঠলেন, 'বেশ তো..ও মশাই, আপনার যুগান্তরটা এই ভদ্রলোককে নি তো...….হ্যাঁ। এইবার এই ঘামের পাশে আপনার জায়গয়া গিয়ে রেডি হয়ে যান। চঞ্চল, তুমি রেডি?
গাড়ি পাশ থেকে নায়ক উত্তর দিলেন, ইয়েস স্যার,
গুড- সাইলেন্স।
বরেন মল্লিক হাত তুললেন, তারপর হঠাৎ তক্ষুণি হাত নামিয়ে নিয়ে বললেন, 'ওহো হো, এক মিনিট। কেষ্ট, ভদ্রলোককে একটা গোঁফ দিয়ে দাও তো চট করে। ক্যারেক্টরটা পুরোপুরি আসছে না। 'কীরকম গোঁফ স্যার? ঝুঁপো, না চাড়া দেওয়া, বাটারফ্লাই? রেডি আছে সবই।”
বাটারফ্লাই, বাটারফ্লাই। চট করে দাও, দেরি করো না।
উঃ বরেন মল্লিকের সুটিং এ অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছেন পটলবাবু। তার অভিনয়টি হল হিরো৷ চঞ্চল কুমারে সঙ্গে অন্যমনস্কা ভাবে ধাক্কা খাওয়ার। এই চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার জন্য পটলবাবুর মাথায় একটা আইডিয়া আসে। সে সাহস করে পরিচালক বরেন মল্লিককে তাঁর আইডিয়াটা বলেন। পটলবাবুর আইডিয়াটা হল এই যে পটলবাবু একটা খবরের কাগজ পড়তে পড়তে সে চঞ্চল কুমারের সাথে ধাক্কা খাবে এতে তাঁর ক্যারেক্টারটা আরো ফুটে উঠবে। এই কথাটা শুনে পরিচালক সঙ্গে সঙ্গে তার কথায় মত দিলেন এবং পটলবাবুকে একটা যুগান্তর পত্রিকা দিতে বলেন। ঠিক সেই সময় শট নেওয়ার আগে পরিচালক বরেন মল্লিকের মনে হয় যে পটলবাবুকে একটা গোঁফ না লাগালে তাঁর চরিত্রটা ফুটে উঠছে না, সে তাঁদের মধ্যে একজনকে একটা গোঁফ এনে পটলবাবুকে দিতে বলেন। যাকে গোঁফটা দিতে বলেন পরিচালক সে তাকে জিজ্ঞাসা করেন পটলবাবুকে কেমন গোঁফ দেবেন।' ঝুঁপো, না চাড়া দেওয়া, বাটারফ্লাই? পরিচালক ব্যস্ত হয়ে বলেন বাটারফ্লাই। তারপর পরিচালক বরেন মল্লিক আবার শুটিং শুরু করতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন এবং সবাইকে তৈরি হতে বলেন।
৪. নীচের শব্দগুলোর অনুরূপ শব্দ পাঠ্য অংশটিতে পারে। খুঁজে নিয়ে লেখো :
উৎসাহহীন, নিরালা, অপ্রত্যাশিত, নিরুপদ্রব, লাঞ্ছিত, সন্ধান, প্রশংসা, পথিক।
উ: উৎসাহহীন—নিরুৎসাহ। নিরালা-নিরিবিলি। অপ্রত্যাশিত— অভাবনীয়। নিরুপদ্রব—নিরীহ। লাঞ্ছিত-অপদস্থ। সন্ধান – হদিস। প্রশংসা- তারিফ। পথিক — পথচারী।
৫. নীচের শব্দগুলিতে যে ইংরেজি শব্দগুলি আছে, তার বদলে বাংলা শব্দ বসিয়ে বাকাগুলি আবার নতুন করে। লেখো :
৫.১ বুঝতে পারছেন, ব্যাপারটা কতটা ইম্পর্ট্যান্ট?
উঃ বুঝতে পারছেন, ব্যাপারটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
৫.২ এই দাদুকে ডায়ালগ লিখে দে।
উঃ এই, দাদুকে সংলাপ লিখে দে।
৫.৩ একজন অন্যমনস্ক, বদমেজাজি পেডেস্ট্রিয়ান.....
উঃ একজন অন্যমনস্ক, বদমেজাজি পথচারী।
৫.৪ তাহলে একটু ওদিকে সরে গিয়ে ওয়েট করুন। উঃ তাহলে একটু ওদিকে সরে গিয়ে অপেক্ষা করুন।
৫.৫ আজ তো ট্যাগোরস বার্থডে।
উ: আজ তো রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন।
৫.৬ সাইলেন্স! রোদ বেরিয়েছে।
উঃ চুপ। রোদ বেরিয়েছে।
৫.৭ থিয়েটার এর চেয়ে শতগুণে ভালোলা....
উঃ রঙ্গমঞ্চ এর চেয়ে শতগুণে ভালো....
৫.৮ আপনি তো বেশ পাণ্ডুয়াল দেখছি।
উঃ আপনি তো বেশ সময়নিষ্ঠ দেখছি।
৬.নীচের বিশেষণগুলির পরে উপযুক্ত বিশেষ্য বসিয়ে বাক্য রচনা করো:
দোহারা, ব্যস্তসমস্ত, আমুদে, অন্যমনস্ক, দরকারি, গম্ভীর, নির্জন, আচ্ছা
উঃ দোহারা (চহারা)→ সোহমের মামার দোহারা চেহারা।
ব্যস্তসমস্ত (লোক) – আজ দেখছি আফিসের সব ব্যস্তসমস্ত লোক।
আমুদে (আমুদে লোক) → সরকারবাবু খুব আমুদে লোক তাই সে সবার প্রিয়।
অন্যমনস্ক (অন্যমনস্ক স্বভাব) - তোমার এতো অন্যমনস্ক স্বভাব কেন?
দরকারি (দরকারি কাজ) → রাম আজ আসতে পারবে না ওর দরকারি কাজ আছে।
গম্ভীর (গম্ভীর স্বভাব) → নাতুর দাদু খুব গম্ভীর স্বভাবের মানুষ।
নির্জন (নির্জন স্থান) → বাঘটা বনের পাশে নির্জন স্থানে কোথাও আছে।
আচ্ছা (আচ্ছন্ন কুয়াশা) → শীতকালের ভোরে চারিদিকে আচ্ছন্ন কুয়াশায় ভরে থাকে।
৭. নীচের বিশেষ্যগুলির আগে উপযুক্ত বিশেষণ বসিয়ে বাক্য রচনা করো।
প্রস্তাব, অভিনয়, ফরমাস, ঔদ্ধত্য, পরিশ্রম, সাফল্য, উৎকণ্ঠা, আত্মতৃপ্তি।
উঃ প্রস্তাব-অবাস্তব প্রস্তাব → সব সময় তোমার অবাস্তব প্রস্তাব মানতে পারবো না।
অভিনয়-বাস্তবোচিত অভিনয়→ পটলবাবুর ব্যস্তবোচিত অভিনয় সবার খুব পছন্দ।
ফরমাশ–অযুক্তিযুক্ত ফরমাশ → রাম আজকাল তুমি এতো অযুক্তিযুক্ত ফরমাশ করো কেন?
ঔদ্ধত্য – অরুচিকর ঔদ্ধত্য→ তোমাকে কতবার এই অরুচিকর ঔদ্ধত্য নিতে বারণ করবো।
পরিশ্রম—হাড়ভাঙা পরিশ্রম→ কারখানার হাড়াভাঙা পরিশ্রমে সুবল অসুস্থ হয়ে গেছে।
অহংকার সাফল্যের কোনো সম্মান নেই।
সাফল্য-অহংকার সাফল্য→ অহংকার সাফল্যের কোনো সম্মান নেই।
উৎকণ্ঠা- প্রচণ্ড উৎকণ্ঠা → রামের জন্য তার মা সবসময় প্রচণ্ড উৎকণ্ঠা হয়ে থাকে।
আত্মতৃপ্তি-চরম আত্মতৃপ্তি→পরীক্ষায় পাশ করে চরম আত্মতৃপ্তি হল আজ আমার।
৮. নীচের বাক্যগুলি থেকে সংখ্যাবাচক শব্দ অনির্দেশক সংখ্যাবাচক শব্দ আর পূরণবাচক শব্দগুলি খুঁজে বার করে লেখো :
৮.১ নিশিকান্ত ঘোষ মশাই নেপাল ভাট্চাজ্যি লেনে পটলবাবুর তিনখানা বাড়ি পরেই থাকেন।
উঃ তিনখানা—সংখ্যাবাচক শব্দ।
৮.২ বছর ত্রিশেক বয়স, লম্বা দোহারা চেহারা।
উঃ বছর ত্রিশেক–অনির্দেশক সংখ্যাবাচক শব্দ।
৮.৩ বাহান্ন বছর বয়সে ফিল্মে অভিনয় করার প্রস্তাব আসতে পারে এটা ... অনুমান করা কঠিন বৈকি!
উঃ বাহান্ন বছর–সংখ্যাবাচক শব্দ।
৮.৪ পটলবাবুর ন'বছরের সাধের চাকঁরিটি কর্পূরের মতো উবে গেল।
উ: ন বছর–সংখ্যাবাচক শব্দ।
৮.৫ তারপর এই দশটা বছর...কী-না করেছেন পটলবাবু।
উঃ দশটা বছর–সংখ্যাবাচক শব্দ।
৮.৬ সেইটের সামনে ঠিক সাড়ে আটটায় পৌঁছে যাবেন।
উঃ সাড়ে আটটায়–সংখ্যাবাচক শব্দ।
৮.৭ ........পটলবাবু দশ আনা বিরক্তির সঙ্গে তিন আনা বিস্ময় ও তিন আনা যন্ত্রণা মিশিয়ে 'আঃ', শব্দটা উচ্চারণ করে..... চলতে আরম্ভ করলেন।
উ: দশ আনা, তিন আনা, তিন আনা–সংখ্যাবাচক শব্দ।
৯. নীচের বিশেষ্যগুলিকে বিশেষণে বদলে লেখো :
উৎকণ্ঠা, প্রয়োগ, উচ্চারণ, বিরক্তি, দম্ভ, ঔদ্ধত্য, অনুভব, পরিবেশন।
উঃ উৎকণ্ঠা- উৎকণ্ঠিত। প্রয়োগ-প্রযুক্ত। উচ্চারণ-উচ্চারিত। বিরক্তি-বিরক্ত। দম্ভ-দাম্ভিক। ঔদ্ধত্য- উদ্ধত। অনুভব-অনুভূত। পরিবেশন-পরিবেশিত।
১০. নীচের শব্দগুলি দিয়ে নতুন বাকা রচনা করো :
টক করে, ধা করে, তিড়িৎ করে, হস্তদন্ত হয়ে, ঠাহর করে, ঝিমঝিম করে, ফিসফিস করে, টুক করে।
উঃ টক করে- রামের সাইকেলের চাবিটা টক করে জালে পড়ে যায়।
ধা করে- চোরটা পাশের গলিতে ধা করে পালিয়ে গেল তাই কেউ ধরতে পারলো না।
তিড়িং করে–মিনুর পিঠে টিকটিকিটা পড়তেই সে তিড়িং করে লাফিয়ে উঠলো।
হস্তদন্ত হয়ে—আজ সকালে দাদু হঠাৎ হস্তদন্ত হয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেল।
ঠাহর করে- মাঠের পাশের অন্ধকার রাস্তাটা ঠাহর করে যাবে।
ঝিমঝিম করে–দুদিন হয়ে গেলো বৃষ্টি সমানে ঝিমঝিম করে হয়ে চলেছে।
ফিসফিস করে–ক্লাসরুমে রাজু ফিসফিস করে কথা বলছিলো তাই অন্য মাস্টার মশাই তাকে শাস্তি দিয়েছেন।
টুক করে- সে লাফ মেরে গাছ থেকে টুক করে আমটা পেড়ে নিলো।
১১. নীচের বিশেষণগুলিকে বিশেষ্য বদলে লেখো :
গভীর, বিকৃত, নির্জন, সার্থক, সংযত, নির্বিবাদী, তীব্র, উচিত।
গভীর- গভীরতা। বিকৃত–বিকার। নির্জন-নির্জনতা। সার্থক-সার্থকতা। সংযত – সংযমি। নির্বিবাদী-নির্বিবাদ। তীব্র-তীব্রতা। উচিত-ঔচিত্য।
১২. নিরেখাঙ্কিত অংশের কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করো :
১২.১ নরেশ ভিড় ঠেলে এসে বলল, 'আপনি এই ছায়টায় দাঁড়ান একটু।
উ: অধিকরণ কারক শূন্য বিভক্তি।
১২.২ এবার পটলবাবু লোকটিকে দেখতে পেলেন। উঃ কর্তৃকারকে 'এ' বিভক্তি।
১২.৩ নরেশ একভার চা নিয়ে পটলবাবুর দিকে এগিয়ে এল।
উঃ কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি।
১২.৪ শশাঙ্ক তার হাতের খাতা থেকে একটা সাদ-পাতা ছিঁড়ে কলম দিয়ে তাতে কী জানি লিখে কাগজটা পটলবাবুকে দিল।
উ: অপদান কারকে 'এ' বিভক্তি।
১৩. একটি বাক্যে উত্তর দাও :
১৩.১ পটলবাবুর কাছে যেদিন ফিল্মে অভিনয়ের প্রস্তাব আসে, সেদিন ছুটির দিন ছিল কেন?
উ: পটলবাবুর কাছে যেদিন ফিল্মের অভিনয়ের প্রস্তাব আসে, সেদিন ট্যাগোরস বার্থ ডে' ছিল।
১৩.২ বাজারে গিয়ে কেন গৃহিণীর ফরমাশ গুলিয়ে গেল পটলবাবুর?
উঃ বাহান্ন বছর বয়সে তাকে আবার ফিল্মে অভিনয় করতে হবে প্রস্তাব পেয়ে আনন্দে তিনি গৃহিণীর ফরমাশ গুলিয়ে ফেলেন।
১৩.৩ থিয়েটারে পটলবাবুর প্রথম পার্ট কী ছিল?
উঃ মৃত সৈনিকের পার্ট ছিল।
১৩.৪ উনিশশো চৌত্রিশ সালে পটলবাবু কলকাতায় বসবাস করতে এলেন কেন?
উঃ উনিশশো চৌত্রিশ সালে পটলবাবু কলকাতায় বসবাস করতে আসেন কারণ তিনি ওই সালে কলকাতার হাডসন অ্যান্ড বিশ্বার্লি কোম্পানিতে আগের কাজের তুলনায় বেশি মাইনের চাকরি আর নেপাল ভট্টচার্জ্যি লেনে একটা বাড়ি পেয়েছিলেন।
১৩.৫ পাড়ায় থিয়েটারের দল গড়া আর হল না কেন পটলবাবুর?
উঃ পাড়ায় থিয়েটারের দল গড়া আর হল না পটলবাবুর কারণ যখন তিনি দল গড়ার চেষ্টা করছেন ঠিক সেই সময়ে যুদ্ধের ফলে চাকরি থেকে তাঁকে ছাটাই করে দেওয়া হয়।
১৩.৬ পটলবাবু তাঁর সময়নিষ্ঠতার প্রমাণ দেওয়ার জন্য কোন্ উদাহরণ দিতে ভালোবাসতেন?
উঃ পটলবাবু যখন এত বছর ধরে হাডসন কিম্বার্লিতে চাকরি করতেন তখন নট এ সিঙ্গেল ডে তিনি লেট করেননি। এই উদাহরণ দিতে ভালোবাসতেন।
১৩.৭ 'পটলবাবুর লজ্জায় মাতা হেঁট হয়ে গেল'- পটলবাবু এমন লজ্জা পেলেন কেন?
উঃ যখন নরেশবাবু পটলবাবুকে বাহান্ন বছর বয়সে ফিল্মে অভিনয়ের কথা পটলবাবুকে বলেন তার কোনো আপত্তি আছে নাকি জানতে চাওয়াতে পটলবাবু আনন্দে লজ্জায় মাথা হেট হয়ে যায়।
১৩.৮ 'গগন পাকড়াশি আজ তাঁকে দেখলে সত্যিই খুশি হতেন – তিনি খুশি হতেন কেন?
উঃ পটলবাবুর ফিল্মে অভিনয় করার সংবাদ শুনলে গগন পাকড়াশি খুশি হতেন।
১৪. চার-পাঁচটি বাক্যে উত্তর দাও :
১৪.১ 'আমার টক করে তোমার কথা মনে পড়ে গেল'-কার মনে পড়ে গেল পটলবাবুর কথা? পটলবাবুর কথাই বিশেষ করে তাঁর মনে পড়ল কেন?
উঃ নিশিকান্ত ঘোষের মনে পড়ে গেল পটলবাবুর কথা।
নিশিকান্ত ঘোষের পটলবাবুর কথা মনে পড়ে গেলেন তার কারণ নিশিকান্ত ঘোষের শালা তাকে সেই সিনের জন্য পঞ্চাশ বয়সের মাথায় টাক, বেটেখাটো একটা লোক খুঁজছিলেন। তার ওপর পটলবাবুর আগে থিয়েটারে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা আছে তাই নিশিকান্ত বাবুর পটলবাবুর কথা মনে পড়ে।
১৪.২ 'গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল!' সাধে কি তোমার কোনোদিন কিছু হয় না? পটলবাবুর গৃহিণীর এই মন্তব্যের কারণ কী?
উঃ পটলবাবুর গৃহিণীর এই মন্তব্যের কারণ হল পটলবাবু অভিনয় করবেন বাহান্ন বছর বয়সে তিনি এটা কোনোদিন আশা করেন নি। তিনি তার গৃহিণীকে উদাহরণ দিলেন যে শিশির ভাদুড়ি সত্তর বছরে চাণকার অভিনয় করলে আজ পটলবাবু যেমন তিড়িং করে লাফ দিয়েছেন তিনিও ঠিক এইভাবেই দিতো। এবার পটলবাবু একজন অভিনেতা হবে, আর তার নাম, মান, যশ হবে। সংসারে অভাব আর থাকবে না। এই সব কথা শুনে পটলবাবুর গৃহিণীর এমন মন্তব্য।
১৪.৩ কার উপদেশের স্মৃতি পটলবাবুর অভিনেতা-সম্ভাকে জাগিয়ে তুলল? কোন্ 'অমূল্য' উপদেশ তিনি দিয়েছিলেন পটলবাবুকে?
উ: ‘গগন পাকড়াশি।' পটলবাবুর যিনি নাট্যগুরু ছিলেন তার উপদেশের স্মৃতি পটলবাবুর অভিনেতা সত্তাকে জাগিয়ে তুলল।
গগন পাকুড়াশি পটলবাবুকে সব সময় বলতেন যে যতো ছোটো পার্টই দেওয়া হোক সে যেন কোনোদিন সেই পার্টিকে ছোটো না ভাবে। সে যেন মন দিয়ে তার অভিনয় ফুটিয়ে তুলে মানুষের মন জয় করে যেন নিতে পারে। এই অমূল্য উপদেশটি তিনি দিয়েছিলেন পটলবাবুকে।
১৪.৪ 'ধন্যি মশাই আপনার টাইমিং! বাপের নাম ভুলিয়ে দিয়েছিলেন প্রায়—ওঃ! ৰক্তা কে? কোন্ ঘটনার ফলে তার এমন মন্তব্য?
উঃ বক্তা হল বরেন মল্লিকের পরিচালিত ছবির নায়ক চঞ্চলকুমার।
যখন পরিচালক বরেন মল্লিক শর্ট নেওয়ার জন্য পটলবাবুকে অ্যাকশন বালেন তখন পটলবাবু সব অন্ধকার দেখতে লাগলেন, নায়ক চঞ্চল কুমারের সঙ্গে তার কপালে ঠোকা লাগে কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এক প্রচন্ড শক্তি এবং নিজেকে আশ্চর্যভাবে সামলে নিয়ে সে যন্ত্রণা মিশিয়ে তার ডায়লগ আঃ কথাটি বলেন। সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হল ধাক্কা লাগার যে জায়গাটি পটলবাবুকে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছিল পটলবাবু ঠিক পা গুণে সঠিক সময়ে সেখানে পৌঁছাতে পেরেছিলেন। তার অভিনয়ে আঃ শব্দটা ঠিক সময় বলাতে সব ঠিক হল। আর তাই চঞ্চলকুমার এই কথাটা পটলবাবুকে উদ্দেশ্য করে বলেন।
১৪.৫ 'এতদিন আকেজো থেকেও তাঁর শিল্পীমন ভোঁতা হয়ে যায়নি'—এই অনুভব কীভাবে জাগল পটলবাবুর মনে?
উঃ বরেন মল্লিকের পরিচালনায় একটি ছবিতে পটলবাবু এক পথচারীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন যেখানে তাকে ছবির হিরো চঞ্চল কুমারের সাথে ধাক্কা খেতে হবে আর পটলবাবুর ডায়লগ বলতে শুধু ছিলো আঃ শব্দটি। এই এতটুকু কথার মধ্যে পটলবাবু তার ভূমিকাটা খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন যার তারিফ পরিচালক বরেন মল্লিক ও চঞ্চল কুমার করেছিলেন। তাঁর এই প্রশংসা নিজে কানে শুনে পটলবাবুর এই অনুভব জাগলো।
১৪.৬ পটলবাবুর ফিল্মে অভিনয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রোডাকশন ম্যানেজার নরেশ দত্তের অনেকগুলি ব্যস্ত মুহূর্ত। টুকরো মুহূর্তগুলি জোড়া দিয়ে নরেশ দত্ত নামে মানুষটির সম্পূর্ণ ছবি নিজের ভাষায় তৈরি করো।
উ: পটলবাবুর প্রতিবেশী নিশিকান্ত ঘোষের শালা হলেন নরেশ দত্ত। নরেশ দত্ত হলেন খুব ব্যস্ত মানুষ। তিনি পরিচালক বরেন মল্লিকের সিনেমার প্রোডাকশন ম্যানেজার। তার দোহারা চেহারা এবং বছর ত্রিশেক বয়স। নরেশ দত্ত পটলবাবুকে বলেন এক জন পথচারির অভিনয় করতে হবে। এই অভিনয় করার জন্য তিনি পটলবাবুকে একটা গলা বন্ধ কোট নিয়ে আসতে বলেন। সুটিং এর দিনে পটলবাবু ঠিক নরেশ দত্তের কথা মতো শুটিং এর জায়গায় পৌঁছে যান। সময় মতন পটলবাবুকে আসতে দেখে তিনি খুব খুশি হন এবং পটলবাবুকে পাণ্ডুয়ালিটির জন্য প্রশংসা করেন। তিনি পটলবাবুর অভিনয়টার জন্য জানায় যে তার ভূমিকাটা কি। শট নেওয়া হবে বলে তিনি আশেপাশের মানুষদের চুপ করতে বলেন,ক্যামেরার সামনে আস্তে বারণ করেন। তারপর তিনি পটলবাবুকে এক ভাঁড় চা এগিয়ে দেন। পটলবাবু তার ডায়লগ জানার জন্য নরেশ দত্তকে বলেন তখন তিনি তার এক সঙ্গি শশাঙ্ক নামে ব্যক্তিটিকে পটলবাবুর ডায়লগটা লিখে দিতে বলেন। পটলবাবুর অভিনয় শেষ হয়ে যাবার পর নরেশ ঘোষ দশ মিনিট বাদে পটলবাবুকে তার অভিনয়ের জন্য পারিশ্রমিক দিতে যান, কিন্তু তিনি পটলবাবুকে কোথাও না খুঁজে পেয়ে নিজের মনে ভাবতে লাগল যে লোকটা কি টাকা না নিয়ে চলে গেলেন।
১৫. দশটি বাক্যের মধ্যে উত্তর দাও :
১৫.১ 'আঃ-এই একটিমাত্র শব্দের উচ্চারণ কৌশলে আর অভিনয় দক্ষতায় 'একটা আস্ত অভিধান' লিখে ফেলা যায়, শব্দটি নিয়ে ভাবতে এমনটাই মনে হয়েছিল অভিনেতা পটলবাবুর। পটলবাবুর ভাবনাধারা কি ঠিক বলে মনে হয় তোমার? 'আঃ'- শব্দের উচ্চারণে কত ধরনের ভাবপ্রকাশ সম্ভব বলে তোমার মনে হয়?
উঃ হ্যাঁ আমার পটলবাবুর ভাবনা ধারাটা একদম সঠিক বলে মনে হয়। কারণ আঃ কথাটি মানুষ নানান সময়, নানান জায়গায়, নানান অবস্থায় আলাদা করে মনের ভাব প্রকাশ করে থাকে।
মানুষ চিমটি খেলে যেভাবে কষ্টের বা যন্ত্রণার সাথে আঃ বলে ঠিক তেমনি গরমে ঠাণ্ডা শরবত খেয়ে তার উল্টো তৃপ্তি বা আনন্দের সাথে আঃ কথাটি বলে। দুটে শিব্দ একইরকম কিন্তু তার মানে বোঝায় সম্পূর্ণ আলাদা। তাছাড়া দীর্ঘশ্বাসের আঃ, তাচ্ছিল্যের আঃ, অভিমানের আঃ, লম্বা করে আঃ বলা, আগে ছোটো করে আঃ বলা, খাদে গলায় আঃ, মৃদুস্বরে আঃ, চড়া গলায় আঃ, আবার আ-টাকে খাদে সরু করে বিসর্গটায় সুর চড়িয়ে বলা আঃ এইসব বলা আঃ মানুষের মনের ভাব প্রকাশ করে।
১৫.২ সে কী, টাকা না নিয়েই চলে গেল নাকি লোকটা! আচ্ছা ভোলা মন তো!' তোমার কী মনে হয়, সফলভাবে কাজ করার পরেও কেন টাকা না নিয়েই চলে গিয়েছিলেন পটলবাবু ? পটলবাবুর চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি কি যথার্থ বলে মনে হয় তোমার? নিজের যুক্তি দিয়ে লেখো।
উঃ আমার মতে অভিনেতা পটলবাবু টাকা না নিয়ে চলে গিয়ে ভালো করেছেন। কারণ পটলবাবু বরেন মল্লিকে পরিচালিত ছবিটিতে খুবই সামান্য একটা পার্ট করেছেন এবং তার ডায়লগটাও ছিলো খুবি ছোটো শুধু ‘আঃ' শব্দটি। পটলবাবু একসময় থিয়েটারের অভিনয় করতেন সে প্রথমে শুধু একটা মৃত সৈনিকের অভিনয় করেছেন। তার কাছে অভিনয়ের সামনে টাকা পয়সার কোনো মূল্য নেই। বরেন মল্লিকের ছবিতে প্রথমবার সামান্য একটা ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি যেই নাম, প্রশংসা পেয়েছে তার কাছে এটার মূল্য টাকার চেয়েও অনেক বেশি। তাই আমার মতে পটলবাবুর টাকা না নিয়ে চলে যাওয়াটা উচিত হয়েছে।
১৫.৩ কেমন করে শুটিং চলে, আর জীবন্ত কিছু টুকরো টুকরো ছবি উঠে এসেছে এই গল্পের আনাচে কানাচে। সেই সব টুকরো জুড়ে জুড়ে নিজের ভাষায় শুটিং-এর মুহূর্তগুলির একটি সম্পূর্ণ ছবি তৈরি করো।
উঃ শুটিং করার জায়গায় মানে যেটাকে স্পর্ট বলে সেখানে নানান ধরনের লোকজন থাকে। শুটিং এর সঙ্গে জড়িত অনেক মানুষও থাকেন। যেমন—ক্যামেরাম্যান, মেকআপম্যান, ডিরেক্টর মানে পরিচালক, হিরো-হিরোইন ও অন্যান্য আর্টিস্টরা থাকেন সেখানে। নানা রকমের যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, যেমন ক্যামেরা, লাইট, সাউণ্ড মেসিন ইত্যাদি। সবাই ব্যস্ত ভাবে নিজেদের কাজ গুছিয়ে করতে চেষ্টা করে। শুটিং চলার সময় আসেপাশে সবাইকে চুপচাপ থাকতে বলা হয়।তারপর তারা যেন কেউ ক্যামেরার সামনে না আসে বারণ করা হয়। পরিচালকের নির্দেশ অনুযায়ী শুটিং চলে। এই ভাবে নানান ভাবে শুটিং হয়।
১৫.৪ অভিনয়ের নানা ধরনের প্রসঙ্গ এই গল্পে ছড়িয়ে আসে। থিয়েটার আর সিনেমার অভিনয়ের ধরনে সাদৃশ্য আর বৈসাদৃশ্যের কিছু কথা মনে এসেছিল পটলবাবুর। পটলবাবুর মতামত নিজের ভাষায় লিখে, এ বিষয়ে তোমার কোনো মতামত থাকলে তাও জানাও।
উঃ থিয়েটার ও সিনেমা দুটি জায়গাতেই একই কাজ হয়ে থাকে আর সেটি হল অভিনয়। থিয়েটার ও সিনেমাতে অভিনয় করতে হয় পরিচালকের কথা মতো। এই দুটি জায়গাতে থাকে অভিনেতা ও অভিনেত্রী। দুটি জায়গাতেই মেকাপম্যানের প্রয়োজন হয়ে থাকে। থিয়েটার ও সিনেমাতে নায়ক ও নায়িকাদের অভিনয় করতে হয়, ডায়লগ বলতে হয় মানুষের মন আনন্দে ভরে তুলতে হয়। কিন্তু থিয়েটার ও সিনেমার মধ্যে সামান্য কিছু পার্থক্য থাকে, থিয়েটারে অভিনয় করতে হয় মানুষের সামনে। আর সিনেমার অভিনয় করতে হয় ক্যামেরার সামনে। থিয়েটারে গুরু-শিষ্যর ব্যাপার থাকে যেখানে সিনেমায় তা থাকে না। থিয়েটারে কোনো আউটডোরের শুটিং এর প্রয়োজন হয় না কিন্তু সিনেমার ক্ষেত্রে তা প্রয়োজন।
১৫.৫ বছর পঞ্চাশের বেঁটেখাটো টাকমাথা নাট্যপ্রিয় পটলবাবুকে তোমার কেমন লাগল নিজের ভাষায় লেখো।
উঃ বছর পঞ্চাশের বেঁটেখাটো টাকমাথা নাট্যপ্রিয় পটলবাবুকে আমার খুব পছন্দ হয়েছে। তার এই চরিত্রটি থেকে ভবিষ্যতের প্রেরণা পাওয়া যায়। পটলবাবু জীবনে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। এই সব সমস্যাগুলিকে তিনি পার করে জীবনটাকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন, পটলবাবুর জীবনে ইচ্ছে ছিলো বড়ো অভিনেতা হওয়ার কিন্তু জীবনের লড়াইতে সে তার এই ইচ্ছেটাকে পুরণ করতে পারেন নি। কিন্তু হঠাৎ যখন অনেক বয়সে তাকে সিনেমার অভিনয়ের জন্য ডাকা হয় তার সেই হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন বা ইচ্ছাটা আবার জেগে ওঠে, জীবনের সমস্ত অভিনয়ের শিক্ষা দিয়ে সে তার ভূমিকাটা- খুব অপূর্ব ভাবে ফুটিয়ে তোলেন। এর ফলে তিনি নিজের পারিশ্রমিক টাকা না নিয়ে মানুষের ভালোবাসা, সুনাম, যশ,খ্যাতি নিয়ে ফিরে পান। তাঁর কাছে এইসবের কাছে টাকার কোনো মূল্য থাকে না। মূল্য থাকে বলে শুধু মানুষের প্রশংসা।
পটলবাবু ফিল্মস্টার প্রশ্ন উত্তর pdf
পটলবাবু ফিল্মস্টার সারাংশ
পটলবাবু ফিল্মস্টার প্রশ্ন উত্তর class 7
পটলবাবু ফিল্মস্টার class 7
Patolbabu Filmstar Question Answer
মন্তব্যসমূহ