কার দৌড় কদ্দুর
—শিবতোষ মুখোপাধ্যায়
শব্দার্থ : অ্যামিবা—এককোশি প্রাণী। মুহুর্মুহু- ক্ষণে ক্ষণে। গোবি মরুভূমি—মঙ্গোলিয়ার মরুভূমি। পাউন্ড- ওজনের পরিমাপক। মাইল– দৈর্ঘ্যের পরিমাপক। অঘ্রাণের—গন্ধের। খদ্দরের- ক্রেতার। স্বভাবত— প্রকৃতিগতভাবে। নাশ- ধ্বংস। প্রত্যাশীর-আশারাদীর। মরীচিকার- মরুভূমিতে সূর্যালোকে সৃষ্ট উলটো প্রতিবিম্ব। সক্ষম- ক্ষমতার অধীন। রসনা—জিভ। ভিয়েন—এখানে রান্না করা। চরৈবেতি— এগিয়ে চলো, উপনিষদের যন্ত্রবিশেষ। শ্বাশত- চিরন্তন। কলম্বাস— একজন আমেরিকার নাবিক এবং দেশ আবিষ্কারক। শঙ্করাচার্য-প্রখ্যাত হিন্দু পণ্ডিত এবং দার্শনিক। ভাসকো ডা গামা- পর্তুগিজ নাবিক। ১৪৯৮ সালে ভারতে আসেন। শ্রীজ্ঞান দীপঙ্কর–বৌহ পণ্ডিত, পালযুগে বিক্রমশীলা মহাবিহারের অধ্যক্ষ ছিলেন। দুস্তর—সীমাহীন। বরাহ-শুকর। হিউয়েন সাপ্ত—চিনা পরিব্রাজক, হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে ভারতে আসেন।হিপো–জলহস্তী। স্থাণু-অচল। সেল–কোশ। বিবেচ্য- বিবেচনার যোগ্য। অণুবীক্ষণ- ক্ষুদ্র জিনিসকে বড়ো করে দেখার যন্ত্র। মন্দগতিতে–ধীর গতিতে।
১. প্রাণী মাত্রকেই খাবার সংগ্রহ করতে হয়–গাছ কীভাবে না-দৌড়ে তার খাবার সংগ্রহ করতে পারে?
উত্তর। গাছ না-দৌড়েও ক্লোরোফিল ও সূর্যালোকের সাহায্যে তার খাবার সংগ্রহ করতে পারে।
২. প্রবন্ধে লেখক জানিয়েছেন যে খাবার সংগ্রহের কারণেই 'প্রাণীরা এক জায়গায় স্থাণু না হয়ে থেকে দিকে দিকে পরিভ্রমণ কর'। তুমি কি এই মতটাকে সমর্থন করো? তোমার স্বপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর। হ্যাঁ, আমি লেখকের মতকে সমর্থন করি।
তৃণভোজী প্রাণীরা খাবারের খোঁজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়। তার পেছনে যায় মাংসাশী প্রাণীরা। মানুষও কাছ এবং তার ভরণপোষণের জন্য ঘোরে। যাযাবর জাতিরা জীবিকার জন্য ঘোরে। এর থেকে বোঝা যায় প্রাণীরা খাদ্যের প্রয়োজনে ঘোরে।
৩.'আপনার কৃতিত্ব কেউ বা গা দিয়ে কেউ বা পা দিয়ে এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় চলে যায়'। 'গা' বা 'পা'-এর ব্যবহারে এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় চলে যায় এমন কয়েকটি প্রাণীর নাম লেখো।
উত্তর। অ্যামিবা, শামুক, মানুষ, কুমির ইত্যাদি।
৪. 'আমাদের শরীরের মধ্যে একরকম ভবঘুরে সেল আছে।'- কোন সেলের কথা বলা হয়েছে? শরীরে তারা কী কাজে লাগে?
উত্তর। শ্বেত রক্তকণিকার কথা বলা হয়েছে। তারা শরীরকে বাইরের জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে।
৫. একটি এককোশি জীবের নাম লেখো। । এটির চলার ধরন কেমন?
উত্তর। একটি এককোশি জীব হল অ্যামিবা। এরা শরীরের একটা অংশকে পা হিসেবে সামনে এগিয়ে দেন। তারপর শরীরের প্রোটোপ্লাজমকে তার মধ্যে নিয়ে যায়। এইভাবে এরা এগোয়।
৬. ‘গমনাগমনের মাধুর্যটা আমাদের চোখে পড়ে সাধারণত উচ্চতর প্রাণীর মধ্যে'। পাঠ্যাংশে উচ্চতর প্রাণীদের গমনাগমনের মাধুর্য কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে আলোচনা করো।
উত্তর। পাঠ্যাংশে উচ্চতর প্রাণী যেমন চিতাবাঘ, হাতি, হরিণ, শেয়াল, নেকড়ে ইত্যাদির দৌড়ের গতি ও তাদের দেহের ওজন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তিরিশ পাউন্ড ওজন নিয়ে চিতা ঘণ্টায় ৭০ মাইল বেগে দৌড়াতে পারে। আবার হিপে আঠাশশো পাউন্ড ওজন নিয়ে প্রতি ঘণ্টায় ২০/৩০ মাইল চলতে পারে। ৫ পাউন্ড ওজনের পরগোশের গতিবেগ ৪৫ মাইল/ঘণ্টা। আবার ৭০০০ পাউন্ড ওজনের হাতি ঘণ্টায় ২৫ মাইল বেগে চলতে পারে। এইভাবে নানা প্রাণীর উদাহরণ। দিয়ে তাদের গমনাগমনের মাধুর্য প্রতিফলিত হয়েছে।
৭.'এ পথে আমি যে'—রবীন্দ্রসংগীতের অনুষঙ্গটি পাঠ্যাংশে কোন্ প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর। এই অনুষঙ্গটি পাঠাংশে শামুকের চলা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
শূন্যস্থান পূরণ করো:
৮.১ এফিড উড়বার সময় প্রতি সেকেন্ডে___বার ডানা নাড়ায়।
উত্তর। এফিড উড়বার সময় প্রতি সেকেন্ডে চারশো বার ডানা নাড়ায়।
৮.২. গমন শক্তিকে বিচার করতে হয় সবসময়ে__হিসেবে করে।
উত্তর। গমন শক্তিকে বিচার করতে হয় সবসময়ে দৈহিক ওজনের পরিমাপ হিসাব করে।
৮.৩. গোবি মরুভূমিতে____নামক এক হরিণ আছে। উত্তর। গ্যাজেলি।
৮.৪. ____টারসন প্রতি বছরে এগারো হাজার মহিল একবার উড়ে আসে আবার ফিরে যায়।
উত্তর। মেরু প্রদেশের।
৮.৫. ATP র পুরো কথাটির হল___।
উত্তর। এডিনোসিন ট্রাই ফসফেট।
৯. 'রকম মনে করলে ভুল হবে'।-কোন্ দুটি বিষয়ের স্কুল সাপেক্ষে এমন মন্তব্য করা হয়েছে?
উত্তর। হালকা পায়ের পাখি খুব জোরে দৌড়ায় এবং হিপো থপথপে পাছে আস্তে আস্তে ছোটে এমনটা ভাবা ভুল হবে।
১০, উচ্চতর জীবেদের পেশি কাজ করার ক্ষেত্রে কীভাবে শক্তি উৎপাদিত হয়?
উত্তর। উচ্চতর জীবেদের পেশি যখন কাজ করে তখন এডিনোসিন টাই ফাঁসফেট (ATP) নামক রসায়নের ক্রিয়ার ফলে শক্তি উৎপন্ন হয়।
১১. ক্রমবিকাশের ইতিহাসে জানা যায় এ প্রসঙ্গে লেখক কোন তথ্যের অবতারণা করেছেন?
উত্তর। ক্রমবিকাশের ইতিহাসে জানা যায় ঘোড়ার পূর্বপুরুষদের এখনকার ঘোড়ার মতো পায়ে খুর ছিল না।
১২. 'মনের দৌড়ে মানুষ চ্যাম্পিয়ন'-এমন কয়েকজন মানুষের কথা লেখো যাদের শারীরিক অসুবিধা থাকলেও মনের দৌড়ে সত্যিই তারা প্রকৃত চ্যাম্পিয়ান হয়ে উঠেছে।
উত্তর। এমন কয়েকজন মানুষ হলেন স্টিফেন হকিং, স্টিভ জোবস, মাসুদুর রহমান প্রমুখ।
১৩. টীকা লেখো। হিউয়েন সাজ, শ্রীজ্ঞান দীপঙ্কর, ভাস্কো-ডা-গামা, শঙ্করাচার্য।
উত্তর। হিউয়েন সাঙ- হিউয়েন সাঙ ছিলেন চিনা পরিব্রাজক। হর্ষবর্ধনের সময় তিনি ভারত পরিক্রমায় আসেন। তৎকালীন ভারতের ইতিহাস জানার জন্য তাঁর লেখা বই একটি উল্লেখযোগ্য দলিল।
শ্রীজ্ঞান দীপঙ্কর- শ্রীজ্ঞান দীপঙ্কর ছিলেন বৌদ ভিক্ষু। তিনি নালন্দার অধ্যক্ষ ছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি চিনে বৌদ্ধধর্ম প্রচারে যান। তারপর সেখানেই দেহত্যাগ করেন।
ভাস্কো-ডা-গামা– পোর্তুগিজ নাবিক ছিলেন। ইউরোপ থেকে যাত্রা শুরু করে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে ভারতে এসে পৌঁছোন ১৪৯৭ খ্রিস্টাব্দে। গুজরাটের কালিকট বন্দরে প্রথম জাহাজ নোন্তর করেন।
শঙ্করাচার্য— বিখ্যাত হিন্দুধর্মের গুরু। পায়ে হেঁটে ভারত ভ্রমণ করেছিলেন। হিন্দুধর্ম প্রচারে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য।
১৪. 'মানুষ এখন শুধু নিজে চলেই ক্ষান্ত নয়'—নিজের চলা ছাড়া বর্তমান মানুষ কী কী জিনিস চালাতে সক্ষম?
উত্তর। নিজের চলা ছাড়া বর্তমান মানুষ বাস, ট্রেন, জাহাজ, উড়োজাহাজ এবং রকেটও চালাতে সক্ষম।
১৫. 'এখন মানুষ আকাশটাকে ঘোড়া দৌড়ের মাঠ করে তুলেছে।'— মানুষের মহাকাশ অভিযানের সাম্প্রতিকতম সাফল্য নিয়ে বন্ধুকে একটা চিঠি লেখো।
উত্তর। প্রিয় রাজু,
অনেকদিন তোর কোনো চিঠি পাইনি, অবশ্য আমারও লেখা হয়ে ওঠেনি। আশা করি তোরা সবাই ভালো আছিস। এই চিঠিটা মূলত তোকে আমন্ত্রণ জানাবার জন্য লিখছি। এ বছর আমাদের স্কুলে প্রতি বছরের মতো বিজ্ঞানের প্রদর্শনী আছে। সেখানে আমাদের ক্লাসের তরফে আমরা কিউরিওসিটির মঙ্গল অভিযানের বিষয় প্রদর্শনী করছি। তুই নিশ্চয়ই শুনেছিস এই মঙ্গল অভিযানের বিষয়। ভাবা যায় একটি যন্ত সে এত দূরের রাস্তা পাড়ি দিয়ে মঙ্গলে গিয়ে পৌঁছেছে। সেখান থেকে নিয়মিত ভাবে নানা কিছুর ছবি ও নমুনা পাঠাচ্ছে। বিজ্ঞান আজ কত উন্নত। এখানে বসে বসে আমরা মঙ্গল সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য পেয়ে যাচ্ছি। এই পরীক্ষা সফল হলে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে মঙ্গলেও মানুষ পাড়ি দেবে। এই সাফল্য মহাকাশ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আমাদের আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।
যাই হোক, তোকে আমাদের এই অনুষ্ঠানে আসতে এবং কিউরিওসিটির' অভিযান বিষয়ে আমাদের প্রদর্শনী দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখলাম।
ইতি____
রিনি
১৬. এ যাত্রা তোমার থামাও- লেখক কাকে এ কথা বলেছেন। এর কোনো উত্তর তিনি কীভাবে পেয়েছেন?
উত্তর। লেখক পৃথিবীকে এ কথা বলেছিলেন। এর উত্তর তিনি শুনেছেন যে থামার অর্থ হল জীবনের শেষ। যতদিন জীবিত আছো থেমো না, এগিয়ে যাও।
১৭. ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো :
১৭.১. উপনিষদে উক্ত 'চরৈবেতি' শব্দের অর্থ (যাত্ৰা থামাও/এগিয়ে যাও/ দাঁড়িও না/ভাড়াতাড়ি চলে)।
উদ্ভব। এগিয়ে যাও।
১৭.২. পৃথিবী যে নিজের কক্ষপথে সূর্যের চারিদিকে ঘোরে তা প্রথম বলেন (গ্যালিলিও / কোপারনিকাস / সক্রেটিস)
উত্তর। কোপারনিকাস।
১৭.৩. ভাস্কো-ডা-গামা ছিলেন (মার্কিন / পোর্তুগিজ / গ্রিক)।
উত্তরর। পোর্তুগিজ।
১৭.৪. যে 'বৈজ্ঞানিক কারণ আপেল দৌড়ায় মাটির দিকে' সেটি হলা (মাধ্যাকর্ষণ / প্লবতা / সন্তরণ-নিয়ম)।
উত্তর। মাধ্যাকর্ষণ।
১৭.৫. আইনস্টাইন ছিলেন (সপ্তদশ / অষ্টাদশ / ঊনবিংশ) শতাব্দীর মানুষ।
উত্তর। ঊনবিংশ।
১৭.৬. হাতির ওজন প্রায় (৭০০০ পাউন্ড / ৮০০ পাউন্ড / ৯০০ পাউন্ড)।
উত্তর। ৭০০০ পাউন্ড।
১৭.৭. বরাহের গতি ঘণ্টায় (১৮ মাইল / ১১ মাইল / ৩০ মাইল)।
উত্তর। ১১ মাইল।
১৭.৮. গ্রে হাউন্ডের দেহের ওজন (২২ পাউন্ড/২৫ পাউন্ড / ৩০ পাউন্ড)।
উত্তর। ২২ পাউন্ড।
১৭.৯. মানুষের মনের গতিবেগ ঘণ্টায় (১৮০০ মাইল/২০০০ মাইল / ১৮৬০০০ মাইল)।
উত্তর। ১৮৬০০০ মাইল।
১৭.১০.. ইন জাতীয় পাখি চলতে পারে ঘণ্টায় (৩০ মাইল / ৩১ মাইল / ৩২ মাইল )।
উত্তর। ৩২ মাইল।
১৮. সঠিক উত্তরের পাশে 'হ্যা' এবং ভুল উত্তরের পাশে 'না' লেখো।
১৮.১. ক্যাঙারু জলে থাকে। উত্তর। না।
১৮.২. অ্যামিবা শুঁড় দিয়ে চলাফেরা করে।উত্তর। না।
১৮.৩. শিয়াল ঘণ্টায় ২০ মাইল বেগে যেতে পারে। উত্তর। হ্যাঁ।
১৮.৪. শঙ্করাচার্য একজন প্রত্নতত্ত্ববিন ছিলেন। উত্তর। না।
১৮.৫. সজারু অতি ধীর গতিতে চলে। উত্তর। হ্যাঁ
১৯. সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
উত্তর। পর্যন্ত—পরি + অন্ত।
অত্যধিক – অতি + অধিক।
মুহুর্মুহু- মুহুঃ + মুহু।
আবিষ্কার–আবিঃ +কার।
শঙ্করাচার্য-শঙ্কর + আচার্য।
২০. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো।
উত্তর। তীব্র- মৃদু।
সক্ষম- অক্ষম।
স্থাণু — গতিশীল।
শাশ্বত- ক্ষণিত।
জন্ম-মৃত্যু।
হাল্কা—ভারী।
নতুন-পুরাতন।
২১. বিশেষ্য থেকে বিশেষণ এবং বিশেষণ থেকে বিশেষ্য পদে রূপান্তর করো।
উত্তর। শরীর- (বি)- শরীরিক (বিণ)।
সমুদ্র- (বি)- সামুদ্রিক (বিণ)।
সংগ্ৰহ- (বি)— সংগৃহীত (বিণ)।
মাধুর্য- (বি)—মধুর (বিণ)।
চিন- (বি)—চৈনিক (বিণ)।
জলীয়– (বিণ)— জল (বি)।
বিশিষ্ট- (বি)- বিশেষ (বিণ)।
দৈহিক- (বিণ)- দেহ (বি)।
২২. নিম্ন রেখাঙ্কিত পদগুলির কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করো।
২২.১. পা দিয়ে সবই চলছে।
২২.২. ডানা প্রচণ্ড জোরে নাড়ে।
২২.৩. খবরের দৌড় কানের দিকে।
২২.৪. মানুষ এমন মন পেয়েছে।
22.৫. পৃথিবীটাকে আমি একবার শুধিয়েছিলাম।
উত্তর। 'পা দিয়ে' করণ কারকে দিয়ে শূন্য অনুসর্গ।
উত্তর। “ডানা’ কর্মকারকে শূন্য।' বিভক্তি।
উত্তর।'খবরের' সম্বন্ধ পদে 'এর' বিভক্তি।
উত্তর। 'মন' কর্মকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি।
উত্তর। 'পৃথিবীটাকে' কর্মকারকে ‘টা', 'কে' বিভক্তি।
২৩. অতি-সংক্ষিপ্ত আকারে নীচের প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দাও :
২৩.১. অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায় এমন দুটি প্রাণীর নাম লেখো।
উত্তর। অ্যামিবা ও প্যারামেসিয়াম।
২৩.২. 'শামুক চলে যাবার সময় রেখে যায় জলীয় চিহ্ন'--সেটি আসলে কী?
উত্তর। সেটি আসলে তার দেহ নিঃসৃত একপ্রকার তরল।
২৩.৩. 'আমাদের নিজেদের শরীরের মধ্যে একরকম ভবঘুরে সেল আছে'। - সেলটিকে 'ভবঘুরে' বলা হয়েছে কেন?
উত্তর। কারণ সেলটি যেখানে প্রয়োজন হয় সেখানে পৌঁছে যায়।
২৩.৪, নানা জাতের খরগোশের মধ্যে গতির তারতম্য দেখা যায় কয়েকটি খরগোশের জাতির নাম লেখো।
উত্তর। বেলজিয়াম রগোশ, ইতালিয়ান গরগেশ ইত্যাদি।
২৩.৫. 'কোনো কোনো পতঙ্গ উবার সময় তাদের ডানা প্রচণ্ড জোরে নাড়ে'–তোমার চেনা কয়েকটি পতঙ্গের নাম লেখো। তাদের ছবি সংগ্রহ করে লাগাও।
উত্তর। কয়েকটি পতঙ্গ হল মাছি, মশ, মৌমাছি ইত্যাদি। (ছবি নিজে লাগাও)।
২৩.৬. 'কত সামুদ্রিক জীব গা ভাসিয়ে মাইলের পর মাইল পাড়ি দেয় তার হিসাব আমরা রাখি না'। কয়েকটি সামুদ্রিক জীবের নাম লেখো।
উত্তর। কয়েকটি সামুদ্রিক জীব হল হাওর, তিমি, অক্টোপস ইত্যাদি।
২৩.৭. 'রক্ষে এই যে.........'— লেখক কোন বিষয়টিকে সৌভাগ্য বলে মনে করেছেন এবং কেন?
উত্তর। অ্যামিবার না-থামার কারণটাকে লেখক সৌভাগ্য বলে মনে করেছেন। এবং না-থামার কারণে প্রোটোপ্লাজমের মরণ আজ অবধি থেমে যায়নি।
২৩.৮, প্যারামেসিয়াম কীভাবে চলাফেরা করে?
উত্তর। প্যারামেসিয়াম তার ছোটো ছোটো চুলের মতো পা দিয়ে জলে দাঁড় টানা নৌকোর মতো আগাতে বা পিছোতে পারে।
২৩.৯. প্যারামেসিয়াম ছাড়া দুটি এককোশী জীবের নাম লেখো।
উত্তর। অ্যামিবা ও হাইড্রো
২৩.১০. 'তার চলাফেরার ভলিটি ভারি মজার' কার চলার ভঙ্গির কথা বলা হয়েছে? তা 'মজার' কীভাবে?
উত্তর। অ্যামিবার চলার ভঙ্গির কথা বলা হয়েছে।
সে তার দেহের একটি অংশকে সামনের দিকে এগিয়ে দেয় তারপর শরীরের প্রোটোপ্লাজমকে তার মধ্যে ঠেলে দেয়,এইভাবে এগিয়ে যায়।
২৩.১১. গমনে সক্ষম গাছ ও গমনে অক্ষম প্রাণীর নাম লেখো।
উত্তর। গমনে সক্ষম গাছ হল লাউ, কুমড়ো এবং অক্ষম প্রাণী হাইড্রা।
২৩.১২. কয়েকটি 'হক' জাতীয় পাখির নাম লেখো।
উত্তর। কয়েকটি 'হক' জাতীয় পাখি হল বাজ, ইগল ইতাদি।
২৩.১৩. আফ্রিকার কী জাতীয় পাখি ওড়া ছেড়ে হাঁটায় পারদর্শী হয়ে উঠেছে?
উত্তর। ইন জাতীয় পাখি।
২৩.১৪. ক্রমবিকাশের পথ পরিক্রমায় ঘোড়ার আঙুলের কোন পরিবর্তন হয়েছে?
উত্তর। ঘোড়ার পায়ের আঙুলের খুর হয়েছে।
২৩.১৫ পাঠ্যাংশে রয়েছে এমন একটি নিশাচর প্রাণীর নাম লেখো।
উত্তর। নিশাচর প্রাণী হল চিতাবাধ ও নেকড়ে।
কার দৌড় কতদূর অতিরিক্ত প্রশ্ন উত্তর
মন্তব্যসমূহ