আঁকা লেখা - মৃদুল দাশগুপ্ত । aka lekha poem question answer । QUESTION ANSWER

 আঁকা লেখা - মৃদুল দাশগুপ্ত

শব্দার্থ : চিত্র-ছবি, আলেখ্য, প্রতিলিপি। খুশখেয়াল- খামখেয়াল, মরীজ। ইষৎ- অল্প, কিঞ্চিৎ। কাঁপন- কম্পন, স্পন্দন। মৎস্য- মাছ, মীন। পুলক- রোমাঞ্চ, আনন্দ। সর- দুধ, দই প্রভৃতির উপরের ঘন নরম আবরণ। পদক- কন্ঠভূষণ, লকেট। পিটপিটে- মিটমিটে, আধচোখে দেখা। পরম-চরম, অত্যন্ত। পুরু-মোটা, স্থূল। বেজায়- অত্যন্ত, খুব। 


হাতে কলমে

১. 'পিটপিটে চোখ' শব্দটির মানে 'যে চোখ পিটপিট করে তাকায়'। এইরকম আরও পাঁচটি পথ তৈরি করে। একটি করে দেওয়া হল -কুড়মুড়ে চানাচুর

উত্তর। ঝকঝকে আকাশ, মুচমুতে মাছভাজা, চকচকে সেনা।

২ ঠিক উত্তরটি বেছে নাওঃ 

২.১. মৎস্য / মৎস / মৎশ্য। ২.২. দুধের স্বর /দুধের সর / দুধের শর। ২.৩ কাপন/কাঁপন/ কাঁপণ। ২.৪ ইশৎ/ ইষৎ/ইসৎ।

উত্তরঃ ২.১. মৎস্য। ২.২. দুধের সর। ২.৩ কাঁপন।

 ২.৪ ইষৎ। 

৩. নীচ দেওয়া শব্দগুলির সমার্থক শব্দ কবিতা থেকে খুঁজে নিয়ে লেখো। 

সামান্য, আনন্দ, মীন, নক্ষত্র, মূষিক।

উত্তরঃ সামান্য- ইষৎ, অল্প।           নক্ষত্র-তারা। 

আনন্দ- পুলক।  মূষিক- ইঁদুর।  মীন- মাছ, মৎস্য। 

৪.'কম্পন' শব্দ থেকে এসেছে কাঁপন শব্দটি, অর্থাৎ 'ম্প' যুক্তাক্ষরটি ভেঙে যাচ্ছে।হারিয়ে যাওয়া 'ম' ধ্বনিটিকে অনুনাসিক করে তুলেছে এবং একটি নতুন 'আ' ধ্বনি চলে আসছে। এই নিয়মটি মনে রেখে নীচের ছকটি সম্পূর্ণ করো।

চন্দ্র- চাঁদ।   ষণ্ড- ষাঁড়।   চম্পা-চাঁপা।   অঙ্ক- আঁকা

ঝম্প- ঝাঁপ। 

৫. একসঙ্গে অনেক প্রজাপতি থাকলে আমরা বলি 'প্রজাপতির ঝাঁক'। এইভাবে আর কী কী শব্দ তৈরি করা যায় শব্দঝুড়ি থেকে শব্দ নিয়ে নীচের শূন্যস্থানগুলি পূরণ করে দেখো দেখি।

সারি, যূথ, ঝাঁক, দল, বহুর, পাল।

৫.১.ভেড়ার___।          ৫.২. হস্তী__। ৫.৩. সুপুরি গাছের__।  ৫.৪. কইমাছের____। 

৫.৫.নৌকার__।       ৫.৬.ছাত্রদের___। 

৫.১.ভেড়ার পাল।                    ৫.২. হস্তী যূথ। 

৫.৩. সুপুরি গাছের সারি।    ৫.৪.কইমাছের ঝাঁক।

৫.৫. নৌকার বহর।            ৫.৬. ছাত্রদের দল। 

৬. নীচের বিশেষগুলির বিশেষণের রূপ দেখে। রং, চিত্র, নীল, লেখা, পুলক।

উত্তরঃ রং- রঙিন।       লেখা- লিখিত। 

চিত্র-চিত্রাণী।      পুলক- পুলকিত।     নীল- নীলিমা।

৭. নীচের বিশেষগুলির পরে উপযুক্ত বিশেষ্য বসিয়ে বাক্যরচনা করো।

৭.১. ইষৎ- ইষৎ কম্পন। 

৭.২.বেজায়- বেজায় গরম। 

৭.৩. পিটপিটে- পিটপিটে চোখ।

৭.৪ পরম- পরম ধর্ম।

৭.৫. নীল- নীল আকাশ।

৭.৬ গোপন- গোপন কথা।

উত্তর। ৭.১. ঈষৎ কম্পন–এই কথা শুনে রাজার ঈযৎ কম্পন অনুভব হল।

৭.২ বেজায় গরম- আজ বেঝায় গরম পড়েছে।

৭.৩ পিটপিটে চোখ–রাজা অত্যন্ত পিটপিটে চোখ দিয়ে দেখেন।

৭.৪ পরম ধর্ম- ক্ষমা পরম ধর্ম।

৭.৫ নীল আকাশ- দূরে নীল আকাশ বিরাজমান।

৭.৬. গোপন কথা- আজ তোমার সঙ্গে একটা গোপন কথা আছে।

৮. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো। গোপন, ঈষৎ, খুশি, পুরু, ঝগড়া।

উত্তর। গোপন প্রকাশ। ঈষৎ-বৃহৎ / অধিক। খুশি দুঃখী। পুর–সরু/ পাতলা। ঝগড়া-ভাব / সম্ভাব।

৯. নিম্নরেখ অংশগুলির কারক বিভক্তি নির্ণয় করো।

৯.১. তিনটি শালিক ঝগড়া থামায়।  উত্তর। ঝগড়া–কর্মকারকে 'শূন্য' বিভক্তি।

৯.২. গর্ত থেকে ইঁদুর, সেটাও পিটপিটে চোখ দেখছে চেয়ে।

উত্তর।  গর্ত থেকে- অধিকরণ কারকে 'এ' বিভক্তি।

৯.৩. প্রজাপতির ঝাঁক চাইছে তাদের রাখি আমার আঁকায়।

উত্তর। আঁকায়–অধিকরণ কারকে 'শূন্য' বিভক্তি।

৯.৪. এবার যেন তারার মালা খুব গোপনে নামছে কাছে।

উত্তর। তারার মালা–কর্মকারকে 'শূন্য' বিভক্তি।

৯.৫. সেই তো আমার পদক পাওয়া।

উত্তর। পদক কর্মকারকে 'শূন্য' বিভক্তি।

৯.৬. দুটি করে সমার্থক শব্দ লেখো।

উত্তর। চাঁদ–ইন্দু, শশধর। চোখে- নেত্র, নয়ন। হাওয়া- অনিল, বায়ু।

৯.৭. অর্থের পার্থক্য লেখো।

উত্তর। সর—দুধ, দই ইত্যাদির উপরিস্থ আস্তরণ। শর—বাণ, তীর। চিত্র–ছবি চিত্ত-মন।

৯.৮. ‘তারার মালা' শব্দের অর্থ অনেক তারা। মালা শব্দটি বহুবচন তৈরিতে সাহায্য করেছে। এমনি আর দুটি বহুবচনের শব্দ তৈরি করো।   উত্তর। মেঘমালা।

১০. বাক্য বাড়াওঃ

১০.১. আমি যখন আঁকি। (কী? কীভাবে?)

উত্তর। আমি যখন বসে বসে ছবি আঁকি।

১০.২. চাঁদের দুধের সর জমে যায়। ( কোথায়? কেমন? )

উত্তর। চাঁদের গায়ে যখন সাদা দুধের সর জমে যায়।

১০.৩. পিটপিটে চোেখ দেখছে চেয়ে। (কে? কোথা থেকে?)

উত্তর। বিড়ালটা খাটের নীচ থেকে-পিটপিটে চোখে দেখছে চেয়ে।

১০.৪. ছড়া লেখার শুরু। (কার? কখন ?)

উত্তর। আমার সন্ধেবেলা ছড়া লেখার শুরু।

১০.৫. 'অ' লিখছে 'আ' লিখছে। (কারা? কোথায়?)

উত্তর। দশ জোনাকি অ লিখছে আ লিখছে বকুল গাছে।

১১. একটি বাক্যে উত্তর দাও।

১১.১. কবি কখন ছবি আঁকেন?

১১.২. কখন তাঁর ছড়া লেখার শুরু?

উত্তর। কবি দুপুরবেলায় ছবি আঁকেন।

উত্তর। বাতাস ঈষৎ কাঁপন দিলে।


১১.৩. তিনটি শালিক কী করে?     উত্তর: ভিনটে শালিক ঝগড়া করে।

১১.৪. কে অবাক তাকায়?      উত্তর: চড়ুই পাখি অবাক তাকায়। 

১১.৫. মাছরাঙা কী চাই?   উত্তর: নীল রঙটি ধার দিতে চাই। 

১১.৬. প্রজাতির ইচ্ছা কী?  উত্তর: তাদের কবির আঁকায় রাখতে। 

১১.৭. গর্তে কে থাকে?   উত্তর: গর্তে ইঁদুর থাকে। 

১১.৮ চাঁদের পুরু দুধের সর কোথায় জমে?  উত্তর: চাঁদের পুরু দুধের সর মাঠে জমে। 

১১.৯. কারা, কোথায় অ-আ লিখছে?   উত্তর: দশ জোনাকি বকুল গাছে অ-আ লিখছে। 

১১.১০ কবি কোন্ বিষয়কে 'পদক পাওয়া' মনে করেছেন?    উত্তর: ছড়া লেখার বিষয়কে। 

১২. দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও: 

১২.১. কবি কখন ছড়া লিখতে শুরু করেন? 

উত্তর। যখন মাঠে চাঁদের দুধের সর জমে যায় পুরু আর বাতাস ঈষৎ কাঁপন দেয় তখন কবি ছড়া লিখতে শুরু করেন।

১২.২. কবি যখন ছবি আঁকেন তখন কী কী ঘটনা ঘটে?

উত্তর। তিনটি শালিক ঝগড়া থামায়, চড়ুই পাখি অবাক হয়ে তাকায়, মৎস্য ভুলে মাছরাঙা তার নীল রংটি ধার দিতে চায়,প্রজাপতির ঝাঁক রং-এর খাতায় রেখে দিতে চায়, ইঁদুর গর্ত থেকে বেরিয়ে পিটপিট করে চেয়ে দেখে।

১২.৩."তিনটি শালিক ঝগড়া থামায়"-কোন্‌ কবির কোন্ কবিতায় এমন তিন শালিকের প্রসঙ্গ অন্যভাবে আছে?

উত্তর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সহজপাঠ গ্রন্থ।

১২.৪.মাছরাঙা পাখি কেমন দেখতে? সে মৎস্য ভুলে যায় কেন?

উত্তর। মাছরাঙা পাখি নীল রঙের দেখতে। সে কবির চিত্র আঁকা দেখে মৎস্য ভুলে যায় এবং কবিকে তার নীল রংটি ধার দিতে চায়।

১২.৫. 'রং-তুলিরা বেজায় খুশি আজ দুপুরে আমায় পেয়ে' কবির এমন বক্তব্যের কারণ কী?

উদ্ভব। রং-তুলি খেয়ালখুশি মতো রং করতে পারছে।

১২.৬ 'অ' লিখছে 'আ' লিখছে কারা কীভাবে এমন লিখছে। তাদের দেখে কী মনে হচ্ছে?

উত্তর। দশ জোনাকি বকুল গাছে লিখছে। তাদের দেখে তারার মালা মনে হচ্ছে।

. 'চাঁদের দুধের সর জমে যায়'—চাদের দুধের সর বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর। স্নিগ্ধ চাঁদের আলোয় যখন মাঠের কোল ভরে যায় তখন মনে হয় যেন দুধের পুরু সর পড়েছে। এখানে চাঁদের আলোকে দুধের সরের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

 'তোমার কাছে আনলো হাওয়া'- কাকে, কার কাছে আনার কথা বলা হয়েছে? 

উত্তর। কবির কবিতা কবিকে পাঠকের কাছে এনেছে। স্বরচিত ছড়ার মাধ্যমেই কবি পাঠকের হৃদয়ে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছেন। 

. নীচের লাইনটির সঙ্গে মিল রেখে আর একটি লাইন তুমি নিজে বানাও।

উত্তর। একটি পাখি গাছের ডালে যেই দিয়েছে শিস্, অমনি আমার গাঁয়ের কথা পড়ছে মনে, ইস্

১৩, অনধিক দশটি বাক্যে উত্তর দাও:

১৩.১. “এই ছড়াতেই আজ আমাকে তোমার কাছে আনল হাওয়া"- কাকে উদ্দেশ্য করে কবি এ কথা বলেছেন?কবির আঁকা এবং লেখার সঙ্গে এই মানুষটির উপস্থিতির সম্পর্ক এবং গুরুত্ব বিচার করো।

উত্তর। কবি কথাটি পাঠককে উদ্দেশ্য করে বলেছেন।

কবির আঁকা এবং লেখা সবই পাঠকের জন্য। পাঠকই একজন কবিকে কবি করে তোলে। একজন চিত্রশিল্পীও ঠিক তেমনই তাঁর দর্শকদের প্রশংসাতেই আনন্দ পান। তাই কবি এবং চিত্রশিল্পী দুজনের ক্ষেত্রেই তাদের গুণগ্রাহী প্রয়োজন। কবিতা লেখার সময় বা ছবি আঁকার সময় সশরীরে যদি কেউ উপস্থিত নাও থাকে তাও কবি বা চিত্রশিল্পীর কাছে তার গুরুত্ব অপরিসীম।


১৩.২ এই কবিতায় যে উপমা ও তুলনা ব্যাবহৃত হয়েছে সেগুলি ব্যবহারের সার্থকতা বুঝিয়ে দাও। 

উত্তর। একজন যখন ছবি আঁকে তখন তার প্রয়োজন রং এবং আঁকার বিষয়বস্তু। এখানে কবি তাঁর কথার মধ্যমে ছবি আঁকছেন। তিনি আঁকার সময় থামিয়ে শালিক ঝগড়া দেখে। মাছরাঙা তার নীল রঙ আঁকার জন্য ধার দিতে চায়। প্রজাপতির ঝাঁক চাইছে তিনি যেন তাদের আঁকায় রাখেন। কবির চোখে এসবই শিল্পীর কল্পনা কিন্তু তা বাস্তবতার সঙ্গে অত্যন্ত সঙ্গতিপূর্ণ। চাঁদের আলোর কল্পনা কবির কাছে চাঁদের দুধ। এইভাবে কবির ব্যাবহৃত উপমা ও তুলনা সার্থকতা লাভ করেছে। 

১৩.৩ ছবি আঁকা/ছড়া/কবিতা লেখার মধ্যে তুমি কোনটা পছন্দ করো লেখো। 

উত্তরঃ ছবি আঁকা/ছড়া/কবিতা লেখার মধ্যে আমার লেখা বেশি পছন্দ। লেখাতে ব্যাবহৃত হয় শব্দ। আর শব্দ পৃথিবীর যে-কোনো জিনিসের মধ্যে প্রাণ দিতে পারে। আমার লেখায় আমি যে-কোনো জিনিসকে সবজি করে তুলতে পারি। সূর্যকে গামলার সঙ্গে তুলনা করতে পারি। প্রকৃতির প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্যকে শব্দের সাহায্যে ফুটিয়ে তুলতে পারি। শব্দের ক্ষমতা অনেক। তাই আমার আঁকার বদলে লেখালেখি পছন্দ। 

১.'আঁকা-লেখা' কবিতার মূল বক্তব্য নিজের ভাষায় লেখা। 

উত্তরঃ আধুনিক কবি মৃদুল দাশগুপ্তের আঁকা লেখা কবিতায় শিল্প ও সাহিত্য সৃষ্টির মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। ছবি আঁকা এবং কবিতা লেখা এই দুই শিল্পের সার্থকতা বিষয়ে আলোচ্য কবিতায় আলোকপাত করা হয়েছে। 

তুলির আঁচড়ে রঙের রেখায় ফুটে ওঠে ছবি। মন সেখানে ইচ্ছে ডানা পাখি। কবি বলেছেন, তিনি যখন ছবি আঁকেন, তখন তিনটি শালিক ঝগড়া থামায়, অবাক চোখে তাকায় চড়ুই পাখি মাছরাঙা তার শিকার ভুলে নীল রঙ ধার দিতে চায় কবিকে। প্রজাপতিরাও সেই ছবির বিষয় হতে চায়। গর্ত থেকে ইঁদুর মিটমিট চোখে চেয়ে থাকে। রঙ-তুলি তখন বেজায় খুশি হয় কবিকে পেয়ে। কবির ছবি আঁকায় প্রকৃতির সবাই সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। 

ঠিক এমনিভাবেই মাঠে যখন চাঁদের দুধের পুরু সর জমে, তখন বাতাসের মৃদু কম্পনে কবি ছড়া লিখতে শুরু করেন। এখানেও প্রকৃতি উপাদান হয়ে ওঠে কবিতার। আকাশের তারার মালা হয়ে নেমে আসে কবির কাছে। জোনাকিরা বকুলগাছে অ আ লিখে কবির কল্পনাকে সমৃদ্ধ করে। কবির ছড়া বাতাসে ভেসে পাঠকের হৃদয়ে দুয়ারে এসে উপস্থিত হয়। তখনই কবির মনে পুলক জাগে। তাকেই কবি শ্রেষ্ঠত্বের পদক বলে মনে করেন। প্রকৃতি, কবি, আর পাঠক এখানে ত্রিবেণী সঙ্গম রচনা করেছে। 

২."সেই তো আমার পুলক, সেই তো আমার পদক পাওয়া "-কবি কোন বিষয়কে পরম পুলক ও পদক পাওয়া বলেছেন? 

উত্তর। গভীর ইন্দ্রিয় চেতনা এবং প্রকৃতি প্রীতি কবিকে ছড়া লেখায় প্রবৃত্ত করেছে। স্নিগ্ধ চাঁদের আলো যখন দুধের সরের মতো জমে আছে মাঠে, ইষৎ হিমের বাতাসে যখন দেহে শিহরণ, তখনই কবির ছড়া লেখার শুরু। আকাশের নক্ষত্রমন্ডলী, জোনাকি সবই কবির ছড়ার উপাদান হয়ে ওঠে। আবেগ আর অনুভূতির সম্যক প্রকাশে কবি সমাপ্ত করেন তাঁর ছড়া। তারপর সেই ছড়ার ভেলায় চড়ে কবি পৌঁছে যান পাঠকের মানস সরবরে। সার্থক সৃষ্টির অপরিমেয় আনন্দ কবিকে করে তোলে পুলকিত। এই সার্থকতাই কবির বড়ো পাওনা। একেই কবি 'পদক পাওয়া' বলে অভিহিত করেছেন। 

৩. তোমার নিজের লেখা ছড়া/কবিতা, নিজের আঁকা ছবিতে ভরিয়ে চার পাতার একটি হাতে লেখা পত্রিকা তৈরি করো। পত্রিকার একটি নাম দাও ও তারপর শিক্ষক-শিক্ষিকা দেখিয়ে তাঁর মতামত জেনে নাও। 

উত্তরঃ নিজে করো।

মন্তব্যসমূহ