আজি দখিন দুয়ার খোলা
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
শব্দার্থ লেখো।
উত্তর। নব—নতুন৷ বসন্ত – ঋতু বিশেষ। দখিন দুয়ার- দক্ষিণ দিকের দরজা। দোলা- নাড়া দেওয়া।বেণু- বাঁশি। শ্যামল- সবুজ। শোভন- সুন্দর। উত্তরীয়- সদরের মতো কাপড়। উতলা–চঞ্চল। মদির- মততাজনক। মৃদু- হালকা | মধুর- মিষ্টি। রেণু–ফুলের পরাগ। পল্লব–পাতা। মল্লিকাকুঞ্জে- মল্লিকা ফুলের বাগানে।
হাতে কলমে
১. গদ্যরূপ শব্দ লেখো
উত্তর। দিব–দেব। আখি—আজ। দখিন-দক্ষিণ দুয়ার দরজা। উড়ায়ে-উড়িয়ে।
২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো :
২.১. 'আজি দখিন দুয়ার খোলা' - এখানে কোন্ ঋতুর ইঙ্গিত আছে?
উত্তর। এখানে বসন্ত ঋতুর ইঙ্গিত আছে।
২.২. কেমন পথে কবি বসন্তকে আহ্বান করেছেন?
উত্তর। কবি বসন্তকে বকুল বিছানো পথে আহ্বান করেছেন।
২.৩. "দিব হৃদয় দোলায় দোলা' - কবি কাকে হৃদয় দোলায় দোলা দিতে চেয়েছেন?
উদ্ভব। কবি বসন্তকে হৃদয় দোলায় দোল দিতে চেয়েছেন।
২.৪. কবিতায় কোন্ কোন্ ফুলের কথা আছে?
উত্তর। কবিতায় যেসব ফুলের কথা আছে সেগুলি হল— বকুল, পিয়াল ও বনমল্লিকা।
৩. আজি দখিন দুয়ার খোলা কবিতাটিকে অনুসরণ করে বসন্ত ঋতুর কয়েকটি বৈশিষ্ট। উল্লেখ করো:
(ক) বসন্ত মধুর ঋতু। এই সময় দক্ষিণ দিক থেকে মৃদু বাতাস বইতে থাকে। মানুষের হৃদয়ে দোলা লাগে। পছপালা সবুজে সেজে ওঠে। নানা ফুলের সমারোহে প্রকৃতি সেজে ওঠে। বসন্তের আগমনে নেই মনে মত্ততা ছড়িয়ে পড়ে। চারদিকে এক আরামদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
৪. একটি করে প্রতিশব্দ লেখো।
উত্তর। পল্লব- পাতা। বেণু-বাঁশি।
শ্যামল- সবুজ। রেণু-পরাগ।
৫. বিপরীত শব্দ লেখো :
উত্তর। মৃদু- প্রবল। উতলা-শান্ত।
নব-পুরাতন। মধুর–তিজ্ঞ।
৬.নিম্নরেখ অংশটির কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করো :
(ক) এসো হে।
উত্তর। 'হে' সম্বোধনপদ।
(খ) মেঘে পিয়াল ফুলের রেণু।
উত্তর। 'পিয়াল ফুলের' সম্বৎপদে 'এর' বিভক্তি।
(গ) এসো বকুল বিছানো পথে।
উত্তর। ‘পথে’ অধিকরণ কারবে "এ' বিভক্তি।
(ঘ) তুমি আকাশে উড়িয়ে দিয়ো।
উত্তর। 'আকাশে' অধিকরণ কারকে 'এ' বিভক্তি।
মন্তব্যসমূহ